ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মা-বাবার বার্ধক্য কেন এত কষ্ট দেয়? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুন ২০২৬, ০২:২৭ পিএম
মা-বাবার বার্ধক্য কেন এত কষ্ট দেয়?  । ছবি: সংগৃহীত

ছোটবেলায় বাবা-মায়ের বকুনি শুনে অনেকেরই রাগ হতো। মনে হতো, কবে যে বড় হব। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ভাবনা বদলে যায়। বয়স বাড়ার পর একসময় মনে হয়, সেই বকুনিটাই যেন সবচেয়ে বেশি মিস করি। কারণ তখন বুঝতে শুরু করি, বাবা-মাও ধীরে ধীরে বয়সের ভারে নুয়ে পড়ছেন। আর এই উপলব্ধিই অনেকের মনে অদ্ভুত এক কষ্টের জন্ম দেয়।

মনোবিদদের মতে, ছোটবেলা থেকে আমরা বাবা-মাকে সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ হিসেবেই দেখে বড় হই। মনে হয়, তাঁরা সব সমস্যার সমাধান করতে পারেন। জীবনের যেকোনো কঠিন সময়ে তাঁরাই সবচেয়ে বড় ভরসা। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যখন সেই মানুষগুলোরই চলাফেরা ধীর হয়ে আসে, শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে কিংবা তাঁরা সন্তানের ওপর নির্ভর করতে শুরু করেন, তখন সেই পরিচিত ছবিটা বদলে যায়। আর এই পরিবর্তনই অনেকের কাছে মানসিকভাবে মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে ওঠে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অনুভূতির একটি মানসিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। একে বলা হয় 'অস্পষ্ট হারানোর অনুভূতি'। অর্থাৎ মানুষটি আমাদের কাছেই আছেন, কিন্তু ধীরে ধীরে বয়সের কারণে বদলে যাচ্ছেন। তাই এই সময়ে একই সঙ্গে দুঃখ, ভয়, অপরাধবোধ এবং এক ধরনের শূন্যতা কাজ করতে পারে।

আরও পড়ুন

আরও একটি কারণ হলো, বাবা-মায়ের বয়স বাড়তে দেখা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, তাঁরা চিরদিন আমাদের সঙ্গে থাকবেন না। এই উপলব্ধি অনেকের মনকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দেয়। তখন ছোটবেলার অসংখ্য স্মৃতি, তাঁদের ভালোবাসা, শাসন আর যত্ন নতুন করে মনে পড়ে।

তবে মনোবিদদের মতে, এই কষ্টকে দুর্বলতা ভাবার কোনো কারণ নেই। বরং এটি প্রমাণ করে, বাবা-মায়ের সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক কতটা গভীর এবং আবেগপূর্ণ।

জীবনের নিয়মেই সময় বদলায়, বদলায় সম্পর্কের ভূমিকা। একসময় বাবা-মা সন্তানের হাত ধরে পথ চলতে শেখান। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই সন্তানই হয়ে ওঠে তাঁদের সবচেয়ে বড় ভরসা। এই পরিবর্তনই জীবনের স্বাভাবিক বাস্তবতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাই বাবা-মায়ের সঙ্গে যতটা সম্ভব সময় কাটানো, তাঁদের কথা মন দিয়ে শোনা, প্রয়োজনের সময় পাশে থাকা এবং ভালোবাসা প্রকাশ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সময় একবার চলে গেলে তা আর ফিরে আসে না। জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতিগুলো তৈরি হয় এই ছোট ছোট মুহূর্ত থেকেই।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?
পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে আর নারীদের বাম দিকে কেন থাকে? এ বিষয়ে কি কখনো ভেবে দেখেছেন? এ বিষয়ে অবশ্য কেউই তেমন নিশ্চিত নন। তবে অনেক ইতিহাসবিদের ধারণা, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে থাকার কারণ হলো পোশাকে অস্ত্র রাখার ব্যবস্থার মাধ্যমেই এ ঘটনার চল হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ইতিহাসবিদ ড. ক্লো চ্যাপিন টাইমের সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে জানান, পুরুষের পোশাকের বোতাম ডান দিকে থাকার এই শৈলী সামরিক বাহিনী থেকে আসতে পারে। শার্টে বন্দুক লুকানো থাকলে এক্ষেত্রে হাত দ্রুত পৌঁছানো সহজ। বোতামগুলো ডানদিকে থাকলে ডান হাতটি শার্ট বা জ্যাকেটে আরও সহজভাবে ঢুকিয়ে বের করা যায়। আবার কিছু পণ্ডিত যুক্তি দেন, তরবারি রাখার সঙ্গেও এর সম্পর্ক থাকতে পারে। এ জেন্টলম্যান’স ওয়ারড্রোবের পল কিয়ার্স গার্ডিয়ানকে জানান, বেশিরভাগ মানুষই তলোয়ার সব সময় বাম দিকে পরিধান করেন, যাতে এটি ডান হাতে ধরা যায় সহজেই।’ বেশিরভাগ ইতিহাসবিদ ও গবেষকরা জানিয়েছেন, পুরুষের শার্টের বোতাম ডানদিকে হওয়ার কারণ হলো অস্ত্র সম্পর্কিত। অর্থাৎ শার্টের বোতাম ডানপাশে হলে অস্ত্র বাম পাশে রাখলে ডান হাত দিয়ে তা সহজেই বের করা যায়। তাহলে নারীদের পোশাকের বোতাম বাম দিকে কেন? শার্ট ব্র্যান্ড এলিজাবেথ ও ক্লার্কের প্রতিষ্ঠাতা মেলানি মুরের মতে, ১৩ শতকে যখন বোতাম আবিষ্কৃত হয়েছিল, তখন ধনী নারীদের পোশাক বেশ ভারি হত। বিশেষ করে ওই সময় ধনী নারীরা দাসীর সাহায্য ছাড়া নিজেরা পোশাক পরতে পারতেন না। সেক্ষেত্রে পোশাকের বোতাম লাগানোর কাজও দাসীরাই সারতেন। এজন্য বাম পাশে বোতাম লাগানো হত, যাতে সেগুলো সহজেই লাগাতে পারেন দাসীরা। তখন থেকেই হয়তো এটি ধারণা প্রচলিত। আরেকটি তত্ত্ব হলো, বেশিরভাগ নারীই বাম হাতে বাচ্চাদের ধরেন। এক্ষেত্রে যাতে তাদের বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হয় এজনই শার্টের বোতাম বাম দিকে রাখা হয়। যাতে জরুরি মুহূর্তে তারা সহজেই বোতাম খুলতে পারেন। তবে অতীতের এই ধারণাকে এখন তোয়াক্কা করেন না বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংস্থা। এখন নারীদের শার্টের বোতামও ডান দিকে রাখা হয়। সূত্র: ইনসাইডার/টাইম/গার্ডিয়ান আরটিভি/এসআর
নারী-পুরুষের শার্টের বোতাম বিপরীত দিকে থাকে কেন?
আজ স্বপ্ন দেখার দিন
স্বপ্ন মানুষকে শুধু ভবিষ্যতের কল্পনায় ডুবিয়ে রাখে না, বরং সেই স্বপ্ন পূরণের পথও দেখায়।
আজ স্বপ্ন দেখার দিন
ত্বকের যত্নে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সিরাম মাখার সঠিক নিয়ম 
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে হায়ালুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত সিরামের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
ত্বকের যত্নে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সিরাম মাখার সঠিক নিয়ম 
রিলস ভিডিও দেখে সঙ্গীকে বিচার করছেন? সম্পর্কে আসতে পারে বিপদ
ফিটনেস, ত্বকের যত্ন, স্বাস্থ্যকর খাবার থেকে শুরু করে সম্পর্ক—সব বিষয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের পরামর্শ পাওয়া যায়।
রিলস ভিডিও দেখে সঙ্গীকে বিচার করছেন? সম্পর্কে আসতে পারে বিপদ
পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাতে যে ৩ অভ্যাস জরুরি
পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস (PCOS) এখন অনেক নারীরই পরিচিত সমস্যা।
পিসিওএস নিয়ন্ত্রণে রাতে যে ৩ অভ্যাস জরুরি
আরও পড়ুন
মোবাইল ফোনই আপনাকে বুড়ো বানিয়ে দিচ্ছে!