ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস দেখার ভয়ংকর প্রভাব জানলে চমকে যাবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
ঘণ্টার পর ঘণ্টা রিলস স্ক্রল করতে করতেই ডেকে আনছেন বড় বিপদ । ছবি: সংগৃহীত

একটু ফাঁকা সময় পেলেই হাতে উঠে আসে মোবাইল। তারপর শুরু হয় একের পর এক রিলস বা ছোট ভিডিও দেখা। শুধু তরুণরাই নন, এখন অনেক প্রবীণও ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলের পর্দায় সময় কাটাচ্ছেন। তবে এই অভ্যাস যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে তা শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল ব্যবহার সব সময় খারাপ নয়। প্রিয়জনের সঙ্গে কথা বলা, ভিডিও কলে যোগাযোগ রাখা বা অনলাইনে বন্ধুদের সঙ্গে কোনো খেলা খেলার মতো কাজে স্মার্টফোন ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। এতে একাকীত্ব কমে এবং মস্তিষ্কও কিছুটা সক্রিয় থাকে।

তবে সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন রিলস দেখা বা মোবাইল ব্যবহারই দৈনন্দিন জীবনের প্রধান অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়। এতে অনেকেই হাঁটাচলা কমিয়ে দেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান না, এমনকি রাত জেগেও মোবাইল ব্যবহার করেন।

অতিরিক্ত রিলস দেখলে কী হতে পারে?

শারীরিক চলাফেরা কমে যায়

দীর্ঘ সময় এক জায়গায় বসে মোবাইল দেখার কারণে শরীরের নড়াচড়া কমে যায়। এতে ওজন বেড়ে যাওয়া, জয়েন্টের ব্যথা এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

আরও পড়ুন

ঘুমের সমস্যা বাড়ে

মোবাইলের পর্দার আলো শরীরের স্বাভাবিক ঘুমের প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়। ফলে রাতে ঘুম আসতে দেরি হয় বা অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

মনোযোগ কমে যায়

বারবার অল্প সময়ের ভিডিও দেখার অভ্যাস দীর্ঘ সময় কোনো বিষয় মনোযোগ দিয়ে পড়া বা কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

মানসিক অস্বস্তি তৈরি হয়

রিলস দেখার সময় সাময়িক আনন্দ মিললেও অতিরিক্ত ব্যবহার একসময় একাকীত্ব, খিটখিটে মেজাজ এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি করতে পারে।

কী করবেন?

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রযুক্তি ব্যবহার করুন, তবে সময় বেঁধে। প্রতিদিন কিছু সময় মোবাইল থেকে দূরে থাকুন। বই পড়া, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, হাঁটাহাঁটি বা গাছের যত্ন নেওয়ার মতো অভ্যাস শরীর ও মন—দুটোকেই ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

মোবাইল আমাদের জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ হলেও, সেটি যেন আসক্তিতে পরিণত না হয়। সময়মতো সচেতন থাকলেই সুস্থ থাকবে শরীর, ভালো থাকবে মন।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
মৃত সাবেক ফুটবল খেলোয়াড়দের ৭৫ শতাংশের মস্তিষ্কে রোগের লক্ষণ, বলছে গবেষণা
দীর্ঘ নয় মাস পর শুটিংয়ে ফিরছেন তানিয়া বৃষ্টি
মানবমস্তিষ্ক দুটি পৃথক অঙ্গের সমষ্টি
এআইয়ের সহায়তায় বিশ্বে প্রথম মস্তিষ্কের টিউমার অপসারণ