ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

৭ বার গ্রেপ্তার, কারা নির্যাতনেও ছিলেন আপোষহীন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:০৫ পিএম

সব শ্রেণি–পেশার মানুষের প্রতি সম্মান, দায়িত্বের উপর অবিচল, প্রতিকূল মুহূর্তে ইস্পাত কঠিন ধৈর্যের পরিচয়, বিপদের সময়ে মাথা ঠান্ডা রেখে সিদ্ধান্ত, আর শত্রুর সঙ্গে কোনো আপোষ না করার মানসিকতা। এসব গুণ তাকে আলাদা করে চিনিয়েছিল বিশ্ববাসীর কাছে। বলছি সংগ্রামী নেত্রী ও বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথা। একজন নীরব গৃহবধূ থেকে তিনি হয়ে উঠেছিলেন দেশের সবচেয়ে আলোচিত ও প্রভাবশালী নারী। ভোটের মাঠে যার জনপ্রিয়তার কাছে প্রতিদ্বন্দ্বীরা বরাবরই হেরে যেতেন।

দিনাজপুরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ী পরিবারের বড় মেয়ে হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অভ্যাস ছিল ছোটবেলা থেকেই। ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্ম তার। বাবা ইস্কান্দার মজুমদার তখন ভারতের জলপাইগুড়ি থেকে দেশভাগের পর পশ্চিম পাকিস্তানে চলে আসেন, আর তার আদি বাড়ি ছিল ফেনীতে। পড়াশোনা দিনাজপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে শুরু হয়ে সুরেন্দ্রনাথ কলেজ পর্যন্ত এগোয়। রাজনীতির সঙ্গে তখনো তার কোনো যোগ ছিল না। জীবন তখন ছিল পরিবার, পড়াশোনা আর সংযত আচরণকে ঘিরে।

আরও পড়ুন

সব বদলে যায় ১৯৬০ সালে, যখন তার বিয়ে হয় সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। সংসার, স্বামীর ব্যস্ততা, সন্তানদের বড় করা, সবই তিনি নিজের মতো করে সামলে নিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়া যখন ফ্রন্টলাইনে, পরিবারের ভার তখন তার কাঁধে। পরবর্তী প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হলেও, তিনি তখনও রয়ে যান নীরবে। তবে দায়িত্বশীল ফার্স্ট লেডি ওই সময়ই তিনি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার আর নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানার মতো বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়া খুন হলে দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ঢেউ। বিএনপির ভেতরেও দেখা দেয় নেতৃত্বহীনতা। ঠিক তখনই দলের শীর্ষ নেতারা তার মধ্যে দেখতে পান গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বের ছায়া। রাজনীতির বাইরে থাকা এই নারীই ধীরে ধীরে হয়ে ওঠেন দলের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য মুখ। ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি সাধারণ সদস্য হিসেবে বিএনপিতে যোগ দেন। এক বছরের মধ্যেই তিনি ভাইস-চেয়ারম্যান, আর ১৯৮৪ সালে হন দলের চেয়ারপারসন।

এরপরই শুরু হয় তার সংগ্রামী রাজনৈতিক যাত্রা। ১৯৮২ সালের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সামনে থেকে আন্দোলন চালান। মিছিলে থাকেন, গ্রেপ্তার হন বারবার। ইতিহাস বলে, ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত মোট সাতবার গ্রেপ্তার হন। তার নেতৃত্বে ছাত্রদল শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়। ওই সময় ৩২১টির মধ্যে ২৭০টি ছাত্র সংসদে জয় নিয়ে আসে। এই তরুণরাই পরে এরশাদের পতনের আন্দোলনে বড় ভূমিকা রাখে। তখনই তিনি পরিচিত হন “আপোষহীন নেত্রী” হিসেবে।

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থা তখন থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রে রূপ নেয়। তার সময়ে বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, গ্রামীণ উন্নয়ন এগোয় দ্রুত। তৈরি পোশাকশিল্পে পাঁচ বছরে কর্মসংস্থান বাড়ে ২৯ শতাংশ, আর দুই লাখ নারী এই খাতে কাজের সুযোগ পান। তিনি জাতিসংঘে গঙ্গার পানি-বণ্টনের বিষয় তুলেছিলেন, আর ১৯৯২ সালে হোয়াইট হাউসে গিয়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের সমস্যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরেন।

১৯৯৬ সালে বিএনপির বিজয়ের পর তিনি দ্বিতীয়বার দায়িত্ব নিলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। পরে ২০০১ সালের নির্বাচনে আবারও সরকার গঠন করেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে মেয়েদের ফ্রি টিউশন, উপবৃত্তি, স্কুল ফিডিং—এসব সিদ্ধান্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনে। সরকারি চাকরিতে বয়সসীমা ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৩০ করা হয়, বাজেটেও শিক্ষা খাত পায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব। ২০০৫ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ২৯তম ক্ষমতাধর নারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

২০০৭ সালে তাকে দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলে আন্তর্জাতিক মহল এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মন্তব্য করে। ২০১১ সালে নিউ জার্সি স্টেট সিনেট তাকে সম্মান জানায় “গণতন্ত্রের জন্য যোদ্ধা” উপাধিতে। ২০১৮ সালের জিয়া অরফানেজ ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় ১৭ বছরের সাজা—এ নিয়েও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ ছিল যথেষ্ট।

গৃহবধূ থেকে দলের নেতা, দল থেকে রাষ্ট্রের নেতৃত্ব—এই দীর্ঘ পথচলার প্রতিটি ধাপেই ছিল দায়িত্ব, সাহস আর স্থিরতা। আর এভাবেই তিনি পরিচিত হন “দেশনেত্রী” হিসেবে। বয়স, অসুস্থতা আর রাজনৈতিক ঝড়ঝাপটা সত্ত্বেও তিনি দেশের রাজনৈতিক ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দুতেই থেকেছেন। তাঁর এই সংগ্রামী যাত্রাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাকে অমর করে রাখবে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী  হলফনামায় দেখিয়েছেন তার হাতে বর্তমানে নগদ ২৫ লাখ টাকা আছে। পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলে তাদের ২২ লাখ টাকার গহনা আছে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর জোট থেকে ঢাকা-৮ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। হলফনামায় পেশা হিসেবে মার্কেটিং কনসালটেন্ট উল্লেখ করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তার নামে কোনো বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট নেই। ২ লাখ ৪৫ হাজার ৩৩৩ টাকা আয় দেখিয়েছেন। তার হাতে নগদ ২৫ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৫ লাখ টাকা রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, ব্যাংকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ৮ হাজার ২৭৫ টাকা জমা আছে, তবে স্ত্রীর নামে আছে ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৮০ টাকা। ৪০ হাজার টাকার ইলেকট্রিক পণ্য ও এক লাখ টাকার আসবাবপত্র আছে। বর্তমানে ৪০ লাখ টাকার সম্পদ রয়েছে। তিনি ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করেননি। আয়কর রিটার্নে দেখানো সম্পদের পরিমাণ ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা বলেও হলফনামা সূত্রে জানা গেছে। আরটিভি/কেএইচ
নাসীরুদ্দীন দম্পতির আছে ২২ লাখ টাকার গহনা ও নগদ ২৫ লাখ টাকা
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চিঠি লিখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে চিঠিটি প্রকাশ করা হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে ‘প্রিয় তারেক রহমান সাহেব’ সম্বোধন করে মোদি লিখেছেন, আপনার মা, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন মহামান্য বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের খবরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই গভীর ব্যক্তিগত শোকের সময়ে আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। তার আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক—এই কামনা করি। ‘২০১৫ সালের জুনে ঢাকায় ‘বেগম সাহেবার’ সঙ্গে সাক্ষাৎ ও আলোচনা কথা স্মরণ করছি। তিনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন দৃঢ় প্রত্যয়ী ও অটল বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্ব, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। বাংলাদেশের উন্নয়নে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তেমনি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদার করতেও তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। মোদি আরও লিখেছেন, তার (খালেদা জিয়া) মৃত্যুতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হলেও তার দৃষ্টিভঙ্গি এবং উত্তরাধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে। আমি নিশ্চিত যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল আপনার দক্ষ নেতৃত্বে তার আদর্শ এগিয়ে নিয়ে যাবে এবং ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বের একটি নতুন সূচনা এবং সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি পথপ্রদর্শক আলো হিসেবে কাজ করবে। ‘জাতীয় শোকের এই মুহূর্তে আমার ভাবনাও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে আছে, যারা তাদের ইতিহাসে অসাধারণ শক্তি ও মর্যাদা প্রদর্শন করেছেন। আমি নিশ্চিত, তারা তাদের যৌথ মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য এবং গভীর জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে শান্তি ও সম্প্রীতির সঙ্গে এগিয়ে যাবে।’ চিঠির শেষে মোদি লিখেছেন, আবারও আমার আন্তরিক সমবেদনা গ্রহণ করুন। এই কঠিন সময়ে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা যেন ধৈর্য ও শক্তি দান করেন—এই প্রার্থনা করি। আপনার ভবিষ্যৎ কাজের জন্যও আমার শুভকামনা রইল। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
বিএনপির অনুরোধের প্রেক্ষিতে নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নিউজটি প্রত্যাহার করা হয়েছে
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
ডা. তাসনিম জারার পর এবার তার স্বামী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ পদত্যাগ করেছেন। তবে পদত্যাগ করার আগেই শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে তাকে নির্বাহী কমিটির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বের করে দেওয়া হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টা ৪৬ মিনিটে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অনানুষ্ঠানিকভাবে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর আগে, এদিন সকাল ১১টা ২৪ মিনিটে নির্বাহী কমিটির গ্রুপ থেকে তাকে বের করে দেন সদস্যসচিব আখতার হোসেন। এনসিপির দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, খালেদ সাইফুল্লাহ দল থেকে পদত্যাগ না করেই দল থেকে পদত্যাগ করা তার স্ত্রী তাসনিম জারার নির্বাচনে সহযোগিতা করেছেন। কোনো প্রকার অনুমতিও নেননি তিনি। আমরা আশঙ্কা করছি তিনি এখান থেকে তথ্যও পাচার করতে পারেন। সেজন্য আমরা দলের সদস্যসচিব বরাবর অভিযোগ দিলে তিনি গ্রুপ থেকে বের করেন। পরে তিনি রাতে পদত্যাগপত্র দেন। আহবায়ক বরাবর দেওয়া পদত্যাগপত্রে কোনো কারণ উল্লেখ না করেই খালেদ সাইফুল্লাহ লিখেন, আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির সকল পদ ও দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছি। এর আগে, গত শনিবার দল থেকে পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। তাসনিম জারা এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ছিলেন, একই কমিটির সদস্য ছিলেন তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহ। শেষ পর্যন্ত দুজনই এনসিপির সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করেছেন। আরটিভি/এমএ
এনসিপি থেকে এবার তাসনিম জারার স্বামীর পদত্যাগ 
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
ঢাকায় সফররত শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার ধর্মপাল বিরাক্কোডি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসানের মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক বিএনপির মিডিয়া সেল সূত্রে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক রাজনীতি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় হয়। আরটিভি/আরএ
তারেক রহমানের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ
আরও পড়ুন
তারেক রহমানকে মোদির চিঠি
চীনে খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত
খালেদা জিয়ার জন্য জাতীয়তাবাদী ক্রীড়া দলের দোয়া মাহফিল
খালেদা জিয়ার জানাজায় যেসব রাজনীতিবিদ এসেছেন