কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ জাতীয় সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন, জ্বালানি তেলের জন্য রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি তৈরি হলেও সরকার কেন এই সমস্যাটি এড়িয়ে যাচ্ছে?
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি এই প্রশ্ন রাখেন।
এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি একে একে পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আজকে সিলেটের পাম্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা দেখছি যে, রাস্তাতে লাইনের গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং আমরা বারবার করে দেখতে পাচ্ছি যে সবাই প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছে না। কিন্তু দুঃখজনক বিষয় সরকার এ বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে।
মন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, মন্ত্রী এই প্রবলেমটি একনলেজ করার পরিবর্তে মন্ত্রী আগের মতো আমরা সমস্যা এভয়েড করে যেতাম। মন্ত্রীদের মধ্যে এই ধরনের এক ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
হাসনাত আবদুল্লাহ প্রশ্ন রাখেন, উনি কি দেখতে পাচ্ছেন না, গাড়ির দীর্ঘ সারি এবং গ্রেজুয়ালি যে পাম্পগুলা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে? সেবা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে, স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেই জায়গাতে উনি কবে নাগাদ এই সমস্যা যথাযথভাবে উনি সমাধান দেবেন এবং উনি প্রবলেমটি একনলেজ করবেন কি না?
জবাবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, আমরা প্রতিটি পাম্পে যে পরিমাণ তেল প্রতিদিন দেওয়ার কথা সেই পরিমাণ তেল আমাদের পাম্পগুলোতে সাপ্লাই করা হচ্ছে।
কিন্তু ইরান যুদ্ধের পর থেকে হঠাৎ করে দাম বেড়ে গেছে। বিক্রি বেড়ে যাওয়ার ফলে যে পেট্রোল পাম্পে যে পরিমাণে তেল দিতাম, এক দিন দেড় দিন লাগত বিক্রি করতে, এখন দুই ঘণ্টায় শেষ হয়ে যায়। সেই জন্য মানুষের যে প্যানিক শুরু হয়েছে, লাইন দেখা যায়। কিন্তু পেট্রোল সাপ্লাই হয় না এটা ঠিক না। পেট্রোল প্রতিদিন সাপ্লাই করা হয়।
গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, দেশে যে গ্যাস সঞ্চালন লাইন আছে, অনেক পুরোনো এবং গ্যাসের উত্তোলনের কমের জন্য চাপ কমে গেছে। সেজন্য প্রেসার কম থাকে। সেজন্য মাঝে মাঝে গ্যাসের লাইনে যায় না। আমরা একটা প্রকল্প নিয়েছি, প্রকল্পটা বাস্তবায়ন করতে সময় লাগবে।
আরটিভি/এমআই




