পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাচ্ছেন এই ৪ নভোচারী

আরটিভি নিউজ  

রোববার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১০:৫২ পিএম


পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাচ্ছেন এই ৪ নভোচারী
রিড উইজম্যান, ক্রিস্টিনা কক, ভিক্টর গ্লোভার এবং কানাডার মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন। ছবি: সংগৃহীত

আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে নাসার আর্টেমিস-২ মিশনের চার সদস্যের দল। প্রায় ৫০ বছর পর এই ঐতিহাসিক অভিযান আবার মানুষের চন্দ্রাভিযানের দ্বার খুলতে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

নাসার তথ্য অনুযায়ী, রিড উইজম্যান, ক্রিস্টিনা কক, ভিক্টর গ্লোভার এবং কানাডার মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেনকে নিয়ে গঠিত এই দল ১০ দিনের যাত্রায় চাঁদের চারপাশ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরবে। এ সময় তারা মানব ইতিহাসে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবেন, যা ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো-১৩ অভিযানের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যাবে।

যদিও এই মিশনে চাঁদের বুকে অবতরণের পরিকল্পনা নেই, তবে এটি ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক ধাপ। এই অভিযানের মধ্য দিয়েই প্রথমবার মানুষের উপস্থিতিতে নাসার নতুন প্রজন্মের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (এসএলএস) রকেট ও ওরিয়ন ক্যাপসুলের পরীক্ষা চালানো হবে।

বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন

নাসা জানিয়েছে, চার মহাকাশচারী ইতোমধ্যে কোয়ারেন্টাইনে প্রবেশ করেছেন। সম্ভাব্য উৎক্ষেপণের তারিখ ধরা হয়েছে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি। উৎক্ষেপণের আগে তারা ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারে পৌঁছাবেন।

মিশনের কমান্ডার রিড উইজম্যান বলেন, আমি পুরোপুরি প্রস্তুত। এই অভিযানের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে প্রশিক্ষণ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নাসার কর্মকর্তারা জানান, এই দলটির বিশেষত্ব হলো চাঁদ অভিযানে প্রথমবারের মতো একজন নারী, একজন কৃষ্ণাঙ্গ এবং একজন কানাডীয় মহাকাশচারী অংশ নিচ্ছেন। ফলে এই মিশন বৈচিত্র্য ও প্রতিনিধিত্বের দিক থেকেও একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

এদিকে এই মিশনের সদস্যরা নিজেদের পরিবারের স্মৃতিচিহ্ন সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন। কেউ পরিবারের চিঠি, কেউ ধর্মীয় গ্রন্থ, আবার কেউ বিশেষ স্মারক পেনডেন্ট বহন করবেন। নাসার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন মহাকাশচারীদের মানসিক শক্তি জোগায়।

আর্টেমিস-২ মিশনের মূল লক্ষ্য ভবিষ্যতের আর্টেমিস-৩ অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে মানুষ নামানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে নাসা। এই মিশনে ওরিয়ন ক্যাপসুলের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যাচাই, ডকিং কৌশল অনুশীলন এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হবে।

নাসার এক কর্মকর্তা বলেন, এই অভিযান শুধু একটি যাত্রা নয়, এটি ভবিষ্যতের চন্দ্রবসতির ভিত্তি গড়ে তোলার প্রথম ধাপ। সূত্র: ইয়াহু

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps
বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission