ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানের পর এবার পরবর্তী টার্গেট ঠিক করলো ইসরায়েল! 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৭ জুন ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

ইরানের সঙ্গে সংঘাত এখনো শেষ হয়নি পুরোপুরি। কিন্তু এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের দাবার বোর্ডে এবার নতুন প্রতিপক্ষ খুঁজছে বর্বর ইসরায়েল? আর এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ইসরায়েলের এক প্রভাবশালী জাতীয়তাবাদী নেতা। তার দাবি, আগামী ১৫ বছরের মধ্যেই মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল। শুধু তাই নয়, তুরস্ককেও তিনি উল্লেখ করেছেন ভবিষ্যতের বড় হুমকি হিসেবে।

জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত জিউইশ নিউজ সিন্ডিকেট ইন্টারন্যাশনাল পলিসি সামিটে এই ভবিষ্যদ্বাণী করেন হারুত সেন্টারের প্রধান নির্বাহী ও ইসরায়েলের জাতীয়তাবাদী শিবিরের পরিচিত মুখ আমিয়াদ কোহেন। তাঁর মতে, ইরান ও তথাকথিত ‘প্রতিরোধের অক্ষ’কে দুর্বল করার পর মধ্যপ্রাচ্যে তৈরি হবে নতুন বাস্তবতা। আর সেই বাস্তবতায় শিয়া শক্তির পরিবর্তে সুন্নি রাজনৈতিক শক্তিগুলোই হয়ে উঠবে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ। সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটর এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।

কোহেনের দাবি, শেষ পর্যন্ত মুসলিম ব্রাদারহুড ফিরে আসবে মিসরের ক্ষমতায়। আর সেই পরিবর্তনই দুই দেশের মধ্যে তৈরি করতে পারে নতুন সংঘাতের পথ। এমনকি শুধু মিসর নয়, তুরস্ককেও তিনি উল্লেখ করেন ভবিষ্যতের বড় হুমকি হিসেবে। তাঁর মতে, আঙ্কারা ধীরে ধীরে আঞ্চলিক প্রভাব বাড়াচ্ছে এবং সেই উত্থানকে ইসরায়েলের গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত।

আরও পড়ুন

সম্মেলনের আলোচনায় তিনি আরও দাবি করেন, মুসলিম ব্রাদারহুড শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রেও নিজেদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এমনকি নিউইয়র্কের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে গুপ্তচরবৃত্তির মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক ইসরায়েলি গোয়েন্দা সহযোগী জোনাথন পোলার্ডও। তাঁর মতে, ইরানের পর তুরস্ক ও মিসরই হতে পারে ইসরায়েলের পরবর্তী কৌশলগত উদ্বেগের কেন্দ্র।

তবে বাস্তবতা এখনো দেখাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। ১৯৭৯ সালের শান্তিচুক্তির পর থেকে ইসরায়েল ও মিসরের মধ্যে বজায় রয়েছে নিরাপত্তা সহযোগিতা। অন্যদিকে তুরস্ক ও ইসরায়েলের সম্পর্ক নানা সময় উত্তেজনাপূর্ণ হলেও দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়নি।

তারপরও জেরুজালেমের এই সম্মেলনে উঠে আসা বক্তব্যগুলো একটি বিষয় স্পষ্ট করেছে। ইসরায়েলের কিছু রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক ইতিমধ্যেই ভবিষ্যতের হুমকির মানচিত্র নতুন করে আঁকতে শুরু করেছেন। যুদ্ধের ধোঁয়া এখনো পুরোপুরি সরেনি। কিন্তু সেই ধোঁয়ার আড়ালেই হয়তো তৈরি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরবর্তী ভূরাজনৈতিক লড়াইয়ের ছক। আর সেই ছকে ইরানের জায়গায় নতুন নাম হিসেবে উঠে আসছে মিসর ও তুরস্কের নাম।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
আরও পড়ুন
যুদ্ধের নামে প্রকৃতি ধ্বংস, অপরাধীদের বিচারের দাবি ইরানের
খামেনিকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত ‘ভুল’ ছিল: ইসরায়েলি নেতা
ইরানের হামলায় কুয়েতের ঘাঁটি ছেড়ে মরুভূমিতে সরে যেতে বাধ্য হন মার্কিন সেনারা
ইরান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৮১ সামরিক বিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র