ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

স্ট্রেস কমাতে পাহাড়ে ঝুলছেন তরুণেরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম

দেখুন, এমন দৃশ্য দেখলে হৃদপিণ্ডটাই যেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। নিচে শত শত মিটার গভীর খাদ, সামনে পাহাড়ের গায়ে লাগানো এক হাতেরও কম চওড়া কাঠের পথ, আর শরীরে বাঁধা শুধু একটা সেফটি কেবল। কিন্তু এই তরুণদের দেখে মনে হয়, তারা যেন পাহাড়ের খাড়া দেয়ালে না, যেন চেপেছে মেলার নাগরদোলায় । ভয় পাওয়ার বদলে তারা হাসছে, ছবি তুলছে, আর মজা করেই এগিয়ে যাচ্ছে। আর তাদের দাবি, অফিসের চাপ, ডেডলাইন, মোবাইলের নোটিফিকেশন আর মাথার ভেতর জমে থাকা হাজারো চিন্তা থেকে মুক্তি পেতেই নাকি তারা এসেছে এই ভয়ংকর পাহাড়ি পথে।

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের দাজিয়ান পর্বতে অবস্থিত ইউয়াননাও পথ এখন তরুণ অভিযাত্রীদের নতুন আকর্ষণ। মাথায় হেলমেট, শরীরে হারনেস, আর নিরাপত্তা কেবলে আটকে তারা এগিয়ে যাচ্ছেন পাহাড়ের বুক চিরে তৈরি সরু পথে। কোথাও পাথরের নিচু ছাদের নিচ দিয়ে ঝুঁকে যেতে হচ্ছে। কোথাও আবার উন্মুক্ত কিনারা ধরে ধীরে ধীরে পা ফেলতে হচ্ছে।

এই পথটি প্রাচীন শু দাওয়ের অংশ। প্রায় দুই হাজার বছর আগে এই পাহাড়ি পথ চীনের মূল ভূখণ্ডকে সিচুয়ানের সঙ্গে যুক্ত করত। তখন এটি ছিল যোগাযোগের পথ। আজ সেটিই হয়ে উঠেছে মানসিক ক্লান্তি ঝেড়ে ফেলার এক অদ্ভুত জায়গা। শহরের কংক্রিট, স্ক্রিন আর ব্যস্ততা থেকে দূরে এসে তরুণরা এখানে খুঁজছেন নিজের ভেতরের হারিয়ে যাওয়া সাহস।

আরও পড়ুন

দর্শনার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, পথটি তাদের কাছে শুধু ভয়ংকর নয়, বরং রোমাঞ্চকর ও উত্তেজনাপূর্ণ। অনেক অংশ খুব খাড়া হওয়ায় শরীর সতর্ক থাকে, মনও মুহূর্তে জেগে ওঠে। কারও কারও কাছে এই অভিজ্ঞতা ওঠানামা করা আবেগের মতো। কখনও পথ মসৃণ, কখনও হঠাৎ কঠিন। ঠিক জীবনের মতোই, যেখানে চাপের পরেই আসে মুক্তির অনুভূতি।

পাখির চোখে দেখা যায়, সরু পথটি বিশাল পাহাড়ের গায়ে সাপের মতো উঠে গেছে। দাজিয়ান পর্বতের উচ্চতা প্রায় এক হাজার দুইশ মিটার। কিছু অংশ মাত্র ৩০ সেন্টিমিটার চওড়া। নিচে কোথাও কোথাও প্রায় ৫০০ মিটার গভীর খাদ। তাই যাত্রা শুরুর আগে প্রত্যেক অভিযাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা পার হতে হয়।

ইউয়াননাও পথটি জিয়ানমেন পাস সিনিক এরিয়ার ভেতরে। মজার বিষয় হলো, দর্শনার্থীরা চাইলে লি বাইয়ের বিখ্যাত কবিতা দ্য হার্ডশিপস অব দ্য শু রোড আবৃত্তি করে বিনা টিকিটে প্রবেশের সুযোগও পেতে পারেন।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
বাবা, এক বটবৃক্ষের নাম। সন্তানের সবরকম ভাল থাকার উৎস, সেটিই যেন আবারও প্রমাণিত এই বাচ্চাদের কণ্ঠে। চারদিকে যখন বিরাজ করছে পূজার আমেজ তখন এই কোমলমতি শিশুদের চোখে পানি, আর কণ্ঠে আক্ষেপ। এ বছর যেন উৎসবের দিনগুলোতে নতুন জামার চেয়েও বড় অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে তাদের বাবা। তাই আনন্দের সময়ও যেন থামছেই না তাদের কান্না।
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
ভিডিওর এই শিশুরা সবাই প্রাথমিকের শিক্ষার্থী। যাদের এখন সহপাঠীদের সাথে ছুটোছুটি করার কথা বিদ্যালয়ের মাঠে। অথচ পানি জমে থাকায় তারা পারছে না খেলতে, কেউ আবার যেতে পারে না টয়লেটেও। আবার পানি পেরিয়ে ক্লাসে যেতে গিয়ে ভিজে যায় কারও পোশাক। বই-খাতায় লেগে যায় কাদা। অভিযোগের যেন শেষ নেই কোমলমতি এই শিশুদের। 
স্কুলমাঠে শিশুদের খেলার বদলে সাঁতার কাটছে হাঁস
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
হরমুজ সংকটে সৌদি আরবের তেল রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প হয়ে উঠেছিল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দর। কিন্তু সেই পথও এখন রয়েছে হামলার ঝুঁকিতে। হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এই তেলবন্দর রক্ষায় এবার সৌদি আরবে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। শুধু সেনা নয়, সঙ্গে যাচ্ছে রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থাও।  বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ। সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এর প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এই তথ্য।  মাখোঁ জানান, ইয়ানবু রক্ষায় সৌদি আরবের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত করেছে ফ্রান্স। সেই চুক্তির আওতায় সেখানে পাঠানো হবে ফরাসি সেনাসদস্য, রাডার ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। তবে মাখোঁ একটি বিষয় স্পষ্ট করেছেন। ফরাসি সেনাদের পাঠানো হচ্ছে ইয়ানবু রক্ষার জন্য, চলমান সংঘাতে সরাসরি অংশ নেওয়ার জন্য নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সৌদি আরবের একটি বন্দর রক্ষায়  কেন সেনা পাঠাতে হচ্ছে ফ্রান্সকে? এর পেছনে বড় কারণ হরমুজ প্রণালির চলমান সংকট। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে হরমুজ দিয়ে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প পথ হিসেবে ইয়ানবুর গুরুত্ব অনেক বেড়ে যায়। সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল নিয়ে যাওয়া হয় লোহিত সাগরের এই বন্দরে। সেখান থেকে হরমুজ এড়িয়ে সরাসরি তেল পাঠানো সম্ভব আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু সম্প্রতি সেই ব্যবস্থাও খেয়েছে বড় ধাক্কা। ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে। সৌদি কর্তৃপক্ষও ইয়ানবুসহ বিভিন্ন এলাকার দিকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। এর আগে ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এতে ইয়ানবু দিয়ে তেল রপ্তানিও বন্ধ হয়ে যায়। পরে পাইপলাইনটি আবার চালু করা হয়েছে সীমিত পরিসরে।  ফলে ইয়ানবুর নিরাপত্তা এখন শুধু সৌদি আরবের বিষয় নয়। বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ক্ষেত্রেও বন্দরটির গুরুত্ব বেড়েছে বন্দরটির। আর ফ্রান্সও অনুভব করছে জ্বালানি সংকটের চাপ। মাখোঁ বলেন, আগামী শীতের জন্য ফ্রান্সে পর্যাপ্ত তেল ও গ্যাসের মজুত রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করছে তাঁর সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার কথা বিবেচনা করছে। এমন খবর সত্য হলে তার ফল বিশ্ব ও মার্কিন অর্থনীতির জন্য বিপর্যয়কর হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। যদিও হোয়াইট হাউস অস্বীকার করেছে এমন কোনো পরিকল্পনার কথা। আরটিভি/এআর 
সৌদি রক্ষায় নামছে ফরাসি সেনারা!
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগে বরেন্দ্রভূমির মেঠোপথগুলো কেমন ছিল? সন্ধ্যা নামলেই চারপাশের খাঁ-খাঁ নীরবতা, বন্যপ্রাণীর ভয় আর ডাকাতের উপদ্রব— এমন এক অনিশ্চিত সময়ে ক্লান্ত পথিকের একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছিল একটি অনন্য মানবিক উদ্যোগ। প্রায় ১২ যুগ বা ১১৮ বছর ধরে নওগাঁর পোরশার ঐতিহাসিক ‘মুসাফিরখানা’ সেই মানবতার ঐতিহ্যকে পরম যত্নে টিকিয়ে রেখেছে। নিজ সম্পত্তির উপার্জনে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবারের এমন দৃষ্টান্ত আধুনিক সমাজেও এক বিরল মানবসেবার বার্তা দেয়।
শতবর্ষী এই মুসাফিরখানায় আজও মিলে বিনামূল্যে আশ্রয় ও খাবার
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!
দেশটিতে ১০০ বছর বা তার বেশি বয়সি মানুষের সংখ্যা প্রথমবারের মতো ১ লাখ ছাড়িয়েছে।
বুড়িয়ে যাচ্ছে জাপান, প্রবীণদের ভিড়ে কমছে শিশু জন্মহার!