মিরপুর টেস্টে বাংলাদেশের বিশাল লিড যখন নিশ্চিত, ঠিক তখনই শুরু হয় আলোচনা। শততম টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করার বিরল রেকর্ড থেকে কেন দূরে রাখা হলো মুশফিকুর রহিমকে?
দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৩ রানে অপরাজিত থাকা অবস্থায় ইনিংস ঘোষণা করে বাংলাদেশ দল। আর তাই কিংবদন্তি রিকি পন্টিংয়ের পর ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হয় অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের।
চতুর্থ দিনের খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে বিষয়টি পরিষ্কার করেন ব্যাটিং কোচ ও সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল।
তিনি বলেন, এটা দলীয় খেলা। এখানে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলীয় স্বার্থটাই আগে। আমরা তখন ইতোমধ্যে ৫০০ রানের বেশি লিড নিয়েছিলাম। আমাদের বিশ্বাস ছিল, ম্যাচ জিততে প্রয়োজনীয় ওভার হাতে রাখতে হবে।
আশরাফুল স্বীকার করেন, চাইলে মুশফিককে আরও এক ঘণ্টা ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেওয়া যেত। তবে স্পিরিট অব ক্রিকেট বিবেচনায় সেটি ঠিক মনে হয়নি ম্যানেজমেন্টের কাছে।
হ্যাঁ, সুযোগ দেওয়া যেত। কিন্তু সেটি সুন্দর দেখাত না। তাই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বলেন তিনি।
এর আগে মমিনুল হক সেঞ্চুরির কাছাকাছি থাকায় তাকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে ৮৭ রানে আউট হলে সঙ্গে সঙ্গেই ইনিংস ঘোষণা করা হয়। মমিনুল সেঞ্চুরি না পাওয়ায় কিছুটা হতাশাও প্রকাশ করেন ব্যাটিং কোচ।
যদিও ব্যর্থ হলো শততম টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির বিরল রেকর্ড, তবু মুশফিকের নাম উঠেছে আরেকটি মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়। সেঞ্চুরির টেস্টে এক ইনিংসে শতক ও আরেক ইনিংসে ফিফটি করার কৃতিত্ব আছে কেবল রিকি পন্টিং ও মুশফিকুর রহিমের।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে এই বিশেষ দিনে তাই অর্জনও আছে, আক্ষেপও আছে মুশফিকের হাত ছোঁয়া দূরত্বে থাকা এক অনন্য রেকর্ডকে ঘিরে।
আরটিভি/এসকে



