ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) দল থেকে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে ছেড়ে দেয়ার পর তৈরি হওয়া বিতর্কে এবার ভারতের কড়া সমালোচনা করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
এক গণমাধ্যমকে দেয়া বক্তব্যে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, যদিও বিষয়টি ক্রিকেট নিয়ে, কিন্তু আসলে এটি ক্রিকেট নয়, এটি রাজনীতি। খেলা, পণ্য আমদানি-রপ্তানি, ভিসা নিষেধাজ্ঞা বা ভারতের হাসপাতালে বাংলাদেশি রোগীর প্রবেশ সবকিছুই এখন রাজনীতির অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, ভারত গত দেড় বছর ধরে প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিতে পারেনি। এক ঝুড়িতে সব ডিম রাখার বিপদ তারা বোঝেনি।
ফুয়াদ দাবি করেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক শুধু সরকারিভাবে নয়, জনগণ থেকে জনগণ পর্যায়ে স্থাপন করতে হবে। নিপীড়নমূলক ও অধীনতামূলক সম্পর্ক বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি দিল্লিকে আহ্বান জানান, কমন সেন্স ফিরে নিয়ে আসুন, দুই দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করতে হবে। এক পক্ষ যদি অন্য পক্ষের স্বার্থকে অবজ্ঞা করে, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে, তা ভবিষ্যতে চলবে না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক হওয়া উচিত মর্যাদার ভিত্তিতে, সম্মানের উপর। বাংলাদেশ জাতীয় স্বার্থ ও তরুণ প্রজন্ম কখনো স্বার্থের আপস মেনে নেবে না। মুস্তাফিজুর রহমানের এই বিতর্ক সেই বড় প্রেক্ষাপটের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।
উল্লেখ্য, আইপিএলের মিনি নিলামে রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু পরে কেকেআর মালিক শাহরুখ খানকে কট্টরপন্থী বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোমসহ ধর্মীয় নেতা দেবকীনন্দন ঠাকুরের কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তাদের অভিযোগ ছিল, বাংলাদেশে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও কেন একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দলে নেয়া হলো।
আরটিভি/এসকে




