আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনছে ফিফা। এতদিন আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাতীয় সঙ্গীতের সময় কেবল শুরুর একাদশের খেলোয়াড়রা মাঠে উপস্থিত থাকতেন। তবে এবার থেকে স্কোয়াডে থাকা সব খেলোয়াড়কে মাঠে নামতে হবে।
আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় শুরু হবে বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরে স্কোয়াডের আকার ২২ থেকে বাড়িয়ে ২৬ জন করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জাতীয় সঙ্গীতের সময় দলের সব সদস্য ও ম্যাচ কর্মকর্তারা মাঠের মাঝখানের বৃত্তে বিশেষ বিন্যাসে অবস্থান করবেন। দুই দলের খেলোয়াড়রা মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অংশ নেবেন আনুষ্ঠানিকতায়।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এক বিবৃতিতে জানান, বিশ্বকাপের সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে ম্যাচ-পূর্ব আয়োজনেও নতুনত্ব আনা হচ্ছে। তাঁর মতে, জাতীয় সঙ্গীতের সময় সব খেলোয়াড় ও রেফারিদের একসঙ্গে মাঠে উপস্থিতি ঐক্য, গর্ব এবং খেলাটির আবেগকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরবে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে। সেখানে স্বাগতিক Mexico নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে।
এদিকে, ২০২৬ বিশ্বকাপে বিনোদন আয়োজনেও যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা। এর আগে ফিফা ফাইনালের বিরতিতে মার্কিন ফুটবলের সুপার বোলের আদলে বিশেষ হাফটাইম শোর ঘোষণা দিয়েছে। আয়োজনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ম্যাডোনা ও শাকিরার মতো তারকাদের।
শুধু ফাইনালই নয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও থাকছেন শাকিরা এবং বার্না বয়। এছাড়া কানাডায় প্রথম ম্যাচের আগে পরিবেশনা করবেন মাইকেল বুবলে ও অ্যালানিস মোরিসেত্তে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে থাকবেন ক্যাটি পেরি ও ফিউচার ইন লস অ্যাঞ্জেলস ব্যান্ডের পরিবেশনা রয়েছে।
মাঠের খেলাতেও আনা হচ্ছে বেশ কিছু পরিবর্তন। কর্নার কিক ও দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় ভিএআর ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি গোল কিক ও থ্রো-ইনের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং প্রতিটি অর্ধে তিন মিনিটের ড্রিঙ্কস ব্রেক চালুর কথাও জানিয়েছে ফিফা।
প্রথমবারের মতো তিন দেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২০২৬ বিশ্বকাপে মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আসর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
আরটিভি/এসকে



