ঢাকায় এসে পৌঁছেছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ট্রফি। বিশ্বকাপ ট্রফির বিশ্ব প্রদক্ষিণের অংশ হিসেবে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিন দিনের সফর শেষে ঢাকায় আসে বহুল কাঙ্ক্ষিত এই ট্রফি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ট্রফিটি উন্মোচন করা হয়।
বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে ঢাকায় এসেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য গিলবার্তো সিলভা। কিংবদন্তি এই ফুটবলার ও বিশ্বকাপ ট্রফিকে একসঙ্গে কাছ থেকে দেখে বেশ অভিভূত বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জামাল বলেন, এক্সপেরিয়েন্স জোস ছিল, টু বি অনেস্ট। গিলবার্তো আসছে উইথ দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি। সো এটা মাই ফার্স্ট টাইম সিইং দ্য ওয়ার্ল্ড কাপ ট্রফি। আমার খুব ভালো লাগছে।
বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে নিজের কৌতূহলের কথাও খোলাখুলি জানান বাংলাদেশ অধিনায়ক। ট্রফির আকার ও ওজন সম্পর্কে জামাল বলেন, আমি তো মনে করেছিলাম ট্রফি একটু ছোট, কিন্তু আসলে এটা অনেক বড়। আমি জিজ্ঞেস করছিলাম ওজন কেমন প্রায় ৭ কেজি পিওর গোল্ড। পুরো অভিজ্ঞতাটাই দারুণ ছিল।
বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশের ফুটবলারদের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে বলে মনে করেন জামাল। তিনি বলেন,
যেহেতু ট্রফি বাংলাদেশে এসেছে, এটা যেন নতুন প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়। যারা হার্ড ওয়ার্ক করতে চায়, প্র্যাকটিস করতে চায়, ফুটবলার হতে চায় সবার জন্যই এটা বড় মোটিভেশন।
ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের সমর্থক জামাল ভূঁইয়া। ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার গিলবার্তো সিলভাকে কাছে পেয়ে তাই তার আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে জামাল বলেন, আমি ছোটবেলা থেকে ব্রাজিলকে ফলো করছি। আমার প্রথম ফেভারিট প্লেয়ার ছিল রোনালদো। স্পেশালি ২০০২ সালের টিমটা ওই দলে গিলবার্তো ছিল। তখন আমার বয়স ছিল ১২ বছর, সেই দলটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে। অবশ্যই আমি ডেনমার্ককেও চাই, কারণ ডেনমার্কেই আমার জন্ম। কিন্তু যদি ডেনমার্ক না পারে, তাহলে আমি অবশ্যই ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ দেখতে চাই।
আরটিভি/এসকে




