ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ব্রাজিলের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে চান জামাল ভূঁইয়া

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের দিল্লি ও গুয়াহাটিতে তিন দিনের সফর শেষে আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছেছে ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আয়োজিত স্বাগত অনুষ্ঠানে কাচঘেরা ট্রফির ওপর থেকে কালো কাপড় সরিয়ে উপস্থিত অতিথিদের সামনে ট্রফিটি উন্মোচন করেন ব্রাজিলের হয়ে ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া। জীবনে প্রথমবারের মতো সামনে থেকে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখার সুযোগ পেয়ে তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জামাল ভূঁইয়া বলেন, সত্যি বলতে অভিজ্ঞতাটা অসাধারণ ছিল। গিলবার্তো সিলভা নিজ হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে এসেছেন আর আমি এই প্রথম সামনাসামনি ট্রফিটা দেখলাম। খুব ভালো লাগছে। টিভিতে দেখলে একরকম মনে হয়, কিন্তু সামনে থেকে দেখলে পুরো অনুভূতিটাই আলাদা। আমি তো ভেবেছিলাম ট্রফিটা একটু ছোট, কিন্তু আসলে এটা অনেক বড়। শুনলাম প্রায় ৭ কেজি খাঁটি সোনা ভাবতেই অবাক লাগছে।

ডেনমার্কে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার জানান, তাঁর প্রথম পছন্দ ডেনমার্ক। তবে তারা শিরোপা জিততে না পারলে ব্রাজিলের হাতেই ট্রফি দেখতে চান তিনি।

জামাল বলেন,আমি চাই ডেনমার্ক বিশ্বকাপ জিতুক, কারণ সেখানে আমার জন্ম। তবে যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে অবশ্যই আমি চাই ব্রাজিলের হাতে ট্রফি উঠুক।

শৈশব থেকেই ব্রাজিলের ভক্ত জামাল ভূঁইয়া। ২০০২ সালের বিশ্বকাপের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন,
ছোটবেলা থেকেই আমি ব্রাজিলকে অনুসরণ করি। আমার প্রথম প্রিয় ফুটবলার ছিলেন রোনালদো। ২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিল দল আমাকে ভীষণ অনুপ্রাণিত করেছিল। তখন আমার বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। সেই দলে রোনালদো, রিভালদো, রোনালদিনহোর পাশাপাশি আজকের এই গিলবার্তো সিলভাও ছিলেন।

ক্যারিয়ারের সায়াহ্নে থাকা জামাল ভূঁইয়া মনে করেন, বিশ্বকাপ ট্রফির বাংলাদেশ সফর দেশের ফুটবলের জন্য বড় অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশে আসা আমাদের ফুটবলারদের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। নতুন প্রজন্ম যারা ফুটবলার হতে চায়, তাদের জন্য এটা বিশাল অনুপ্রেরণা হবে। আমার বিশ্বাস, একদিন বাংলাদেশের হাত ধরেই বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস লেখা হবে।

আরও পড়ুন

আজ দুপুর থেকে ঢাকার হোটেল র‍্যাডিসন ব্লুতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি। তবে এটি দেখার সুযোগ পাবেন কেবল কোকা-কোলার “আন্ডার দ্য ক্যাপ” ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরা। দর্শকদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বৈধ টিকিটের পাশাপাশি কোকা-কোলার ক্যাপ সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো অবস্থাতেই ট্রফি স্পর্শ করা যাবে না।

বিশ্বভ্রমণের অংশ হিসেবে কোকা-কোলার উদ্যোগে পরিচালিত এই ট্রফি ট্যুর বিশ্বের ৩০টি দেশে ১৫০ দিন ধরে চলবে। আজ রাতেই ঢাকা ত্যাগ করে ট্রফিটি যাবে পরবর্তী গন্তব্যে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান
অসম্ভবকে সম্ভব করে ওয়ানডে ক্রিকেটে ইতিহাস গড়ল পাকিস্তান। খাদের কিনারা থেকে দলের দায়িত্ব নিয়ে শাদাব খানের প্রথম সেঞ্চুরি এবং শেষ উইকেটে হারিস রউফের সঙ্গে অবিশ্বাস্য এক জুটিতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা। একই সঙ্গে সফল রান তাড়ায় দশম উইকেটে সর্বোচ্চ জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন এই দুই ব্যাটার।  রোববার (১৪ অক্টোবর) লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে ২৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চরম বিপর্যয়ে পড়েছিল পাকিস্তান। স্কোরবোর্ডে ১৫৪ রান তুলতেই ৯ উইকেট হারিয়ে পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে চলে যায় দলটি। জয়ের জন্য তখনও প্রয়োজন ছিল ৮৮ রান। তবে শেষ উইকেটে হাল ধরে ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে দেন শাদাব খান ও হারিস রউফ। এই দুজন অবিচ্ছিন্ন ৮৯ রানের জুটি গড়ে ৪৭.১ ওভারেই দলের জয় নিশ্চিত করেন। চলতি ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটি পাকিস্তানের দ্বিতীয় জয়। ৯৬ বলে ১৩টি চার ও ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১১৩ রানের দুর্দান্ত এক অপরাজিত ইনিংস খেলেন শাদাব খান। অন্যদিকে, শেষ ব্যাটার হিসেবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন হারিস রউফ। সফল রান তাড়ায় দশম উইকেটে এটিই ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ জুটির নতুন বিশ্বরেকর্ড। শাদাব ও হারিস পেছনে ফেলেছেন ১৯৭৫ বিশ্বকাপে গড়া ৬৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটির রেকর্ড। সেবার বার্মিংহামে পাকিস্তানের বিপক্ষেই এই কীর্তি গড়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেরিক মারে ও অ্যান্ডি রবার্টস। প্রায় পাঁচ দশক পর সেই রেকর্ড নিজেদের করে নিলেন শাদাব ও হারিস। এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বেন ডাকেটের সেঞ্চুরিতে (১০৫ রান) ২৪১ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত শাদাব-হারিসের রূপকথার ইনিংসে ভর করে লাহোরে পাকিস্তানের এই জয় ক্রিকেট ইতিহাসে একটি স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প হয়ে রইল। আরটিভি/এসআর
শেষ উইকেটে বিশ্বরেকর্ড গড়ে পাকিস্তানকে জয় উপহার দিলো শাদাব খান
ডি-থ্রি ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল বরিশালে
দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন সংযোজন ডি-থ্রি ট্রফি। তিন সংস্করণের এই টুর্নামেন্টের প্রথম আসর শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি দিয়ে। উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু করে ফাইনালসহ প্লে-অফের সব ম্যাচ হবে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে।  রোববার (২৫ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী ১৫ ডিসেম্বর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩১ ডিসেম্বর। তবে ফাইনালের জন্য ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারিকে রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে হিসেবে। ৬টি দল নিয়ে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল খেলবে প্লে-অফে। প্রতিযোগিতার কাঠামো হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) আদলে। পয়েন্ট তালিকার প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে থাকা দল মুখোমুখি হবে প্রথম কোয়ালিফায়ারে। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দল খেলবে এলিমিনেটর। প্রথম কোয়ালিফায়ারে জয়ী দল সরাসরি ফাইনালে উঠবে। পরাজিত দলটির সামনে অবশ্য আরেকটি সুযোগ থাকবে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এলিমিনেটরের জয়ী দলের মুখোমুখি হবে তারা। এই ম্যাচের বিজয়ী দল পাবে ফাইনালের টিকিট। বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামের পাশাপাশি মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামেও হবে গ্রুপ পর্বের সাতটি ম্যাচ। ডি-থ্রি ট্রফিতে থাকছে তিনটি সংস্করণ। টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতার পর জানুয়ারিতে হবে চার দিনের টুর্নামেন্ট। এরপর মে মাসে মাঠে গড়াবে ৫০ ওভারের আসর। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় নিলাম হবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার একটি হোটেলে। নিলামের শীর্ষ ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও সাদা বলের অধিনায়ক লিটন দাসসহ ২২ জন ক্রিকেটার। সব মিলিয়ে নিলামে উঠবেন ২৬৩ জন খেলোয়াড়। আরটিভি/এসআর
ডি-থ্রি ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচ ও ফাইনাল বরিশালে
বিনামূল্যে যেভাবে দেখবেন এল ক্লাসিকোর লড়াই
ক্লাব ফুটবলের জনপ্রিয় ম্যাচগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো এল ক্লাসিকো। যেখানে নিজেদের সম্মান ও আধিপত্যের জন্য লড়াই করে থাকে দুই স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। এই ম্যাচটি দেখতে বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলভক্ত অপেক্ষা করে থাকেন। এবার তাদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) ক্যাম্প ন্যুতে মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনার মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায়। প্রথম ৯ ম্যাচের সব কয়টিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাতালান ক্লাবটি। অন্যদিকে দুটি ম্যাচে হেরে পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটির আগে দুই দলের ব্যবধান ছয় পয়েন্ট। যেখাবে দেখবেন খেলা বাংলাদেশ থেকে দর্শকরা রাত ৯:১৫ মিনিটে ম্যাচটি সরাসরি বিগিন অ্যাপের মাধ্যমে উপভোগ করতে পারবেন। অন্যান্য অনলাইন উপায়: yalla1shoot ওয়েবসাইট এবং ফেসবুক-ইউটিউবে সার্চ অপশনে ‘Real Madrid vs Barcelona live match today’ লিখে খোঁজ করলে কিছু চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার দেখা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক অনলাইন স্ট্রিমিং বিকল্পসমূহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে রিয়াল মাদ্রিদ বনাম বার্সেলোনার এই এল ক্লাসিকোটি স্ট্রিম করা হবে। স্ট্রিমিং সার্ভিসগুলোর মধ্যে রয়েছে: FawaNews, Tabii, ScoreBat.com, SportyTv, SonyLIV app, 1xBet, Score808.com, DAZN Canada, Optus Sport, Sling TV, RaiPlay, Yeacin Tv। বিশেষ টিপস: আপনার ভৌগোলিক অবস্থান থেকে ম্যাচটি দেখা না গেলে, VPN (Virtual Virtual Private Network) ব্যবহার করে আপনি বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে স্ট্রিমিং পরিষেবাগুলো অ্যাক্সেস করতে পারবেন। আরটিভি/এসআর আরটিভি/ এসআর
বিনামূল্যে যেভাবে দেখবেন এল ক্লাসিকোর লড়াই
লিড নিয়েও পর্তুগালের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যালে এখন পর্যন্ত জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। গতকাল ওয়েলসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করার পর আজ পর্তুগালের কাছে ৩-১ গোলে হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। রোববার (২৪ অক্টোবর) পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় মিনিটেই বায়েজিদের গোলে এগিয়ে যায় দল। তবে সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। পরে তিন গোল করে ম্যাচ নিজেদের করে নেয় পর্তুগাল। এবারই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৫ পর্যায়ের ফুটবল ফেস্টিভ্যালকে বৈশ্বিক আয়োজনে রূপ দিয়েছে ফিফা। এতে ১৯১টি দেশ ৩২টি গ্রুপে অংশ নিচ্ছে। প্রতিটি ম্যাচ হচ্ছে এইট-এ-সাইড পদ্ধতিতে, যেখানে দুই অর্ধে ২০ মিনিট করে মোট ৪০ মিনিট খেলা হয়। এই আসরের জন্য দল গঠনে আগে থেকেই কাজ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ২০২৪ সালের শেষদিকে শুরু হওয়া অ-১৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে দেশজুড়ে প্রতিভাবান ফুটবলার খোঁজা হয়। সেখান থেকে খেলোয়াড় বাছাই করে ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। পরে ওপেন ট্রায়ালের মাধ্যমে চূড়ান্ত দল গঠন করা হয়। সব মিলিয়ে দুই মাসের কিছু বেশি সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আজারবাইজানে খেলতে গেছে বাংলাদেশের কিশোররা। অভিজ্ঞতা ও ফুটবলের মানে ওয়েলস-পর্তুগাল বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও তাদের বিপক্ষে ড্র এবং লিড নিয়ে খেলার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক। পরের ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয়ের খোঁজে নামবে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসআর
লিড নিয়েও পর্তুগালের কাছে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ
এল ক্লাসিকো / রিয়ালের প্রতিশোধ নাকি বার্সেলোনার আধিপত্য
চ্যাম্পিয়নস লিগে আধিপত্য ধরে রাখলেও লা লিগায় বার্সেলোনার থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এসবের মাঝেই মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে আজ রাতে বার্সেলোনার মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। ফুটবলের অন্যতম মহাযুদ্ধ দেখতে মরিয়া হয়ে আছে কোটি কোটি ভক্তরা। লা লিগায় রীতিমতো উড়ছে বার্সেলোনা। ৯ ম্যাচের প্রতিটিতেই জয়ের দেখা পেয়েছে তারা। ফলে এই ম্যাচে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামবে কাতালানরা। সেই সঙ্গে গত মৌসুমে রিয়ালকে ৫ বার হারানোর অভিজ্ঞতা বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাচ্ছে ইয়ামাল-রাফিনিয়াদের। রোববার (২৫ অক্টোবর) স্প্যানিশ লা লিগার দশম রাউন্ডের ম্যাচটি হবে বার্সেলোনার মাঠ স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ২টায়। এই ম্যাচে জয় পেতে আত্মবিশ্বাসী দুই কোচ হান্সি ফ্লিক ও হোসে মরিনহো। সংবাদ সম্মেলনে জার্মান কোচ বলেন, এল ক্লাসিকো একেবারেই আলাদা। আমাদের খেলায় এটি সেরা ম্যাচগুলোর একটি। সবাই এই ম্যাচ দেখে। এটি অসাধারণ। আমরা অবশ্যই তিন পয়েন্টের জন্য খেলছি, কিন্তু ম্যাচটির গুরুত্ব তার চেয়েও বেশি। এই লড়াইয়ের অংশ হতে পেরে আমি খুশি। আমরা প্রস্তুত এবং নিজেদের দলের ওপর আমাদের প্রবল আস্থা আছে।  বার্সেলোনার আত্মবিশ্বাসের পেছনে রয়েছে লিগে তাদের দুর্দান্ত সূচনা। প্রথম ৯ ম্যাচের সব কয়টিতে জিতে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে রয়েছে কাতালান ক্লাবটি। অন্যদিকে দুটি ম্যাচে হেরে পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচটির আগে দুই দলের ব্যবধান ছয় পয়েন্ট। চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির কাছে হারের পর বার্সেলোনার জন্য ম্যাচটি আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে বার্সেলোনার ঐ পরাজয়কে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিতে চান না রিয়াল কোচ হোসে মরিনিও।  সংবাদ সম্মেলনে মরিনিওর বক্তব্যে ছিল আত্মবিশ্বাস, সমালোচনার জবাব এবং কৌশল গোপন রাখার প্রবণতা। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ ভালো খেললে প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। তবে অন্যরা বার্সেলোনাকে নিয়ে কী বলছে, তা তাকে বিচলিত করে না। নিজের দলকে এখনো পূর্ণতা পাওয়া একটি দল হিসেবে দেখছেন না মরিনিও। তার মতে, ফুটবলে একটি দলকে পুরোপুরি প্রস্তুত করে তোলা কঠিন। বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের লড়াইয়ের শিকড় আজকের ফুটবলে নয়। দুই দলের প্রথম মুখোমুখি দেখা ১৯০২ সালের ১৩ মে। মাদ্রিদের লা কাস্তেয়ানা হিপোড্রোমে কোপা দে লা করোনাসিওন প্রতিযোগিতায় সেই ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতেছিল বার্সেলোনা। ‘এল ক্লাসিকো’ শব্দটির অর্থ স্প্যানিশ ভাষায় 'দ্য ক্লাসিক' বা ধ্রুপদি দ্বৈরথ। ষাটের দশকে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে শব্দটির ব্যবহার দেখা যায়।  বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পেছনে রয়েছে স্পেনের ইতিহাস ও রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রভাব। বার্সেলোনা কাতালান পরিচয় ও আঞ্চলিক স্বাতন্ত্র্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে রিয়াল মাদ্রিদকে ঘিরে স্প্যানিশ জাতীয়তাবাদের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্কের আলোচনা দীর্ঘদিনের। পরিসংখ্যানেও দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রায় সমানে সমান। প্রতিযোগিতামূলক এল ক্লাসিকোয় বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ দুই দলই জিতেছে ১০৬টি করে ম্যাচ। ড্র হয়েছে ৫২টি। শুধু লা লিগার মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাব ধরলে এগিয়ে রয়েছে রিয়াল। এই প্রতিযোগিতায় তাদের জয় ৮০টি, বার্সেলোনার ৭৭টি। ড্র হয়েছে ৩৫টি ম্যাচে। আরটিভি/ এসআর
রিয়ালের প্রতিশোধ নাকি বার্সেলোনার আধিপত্য
আরও পড়ুন
বাবার কবর জিয়ারতের সময় ধস, ভেতরে পড়ে ছেলের মৃত্যু
অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ড্রয়ের খেসারত ব্রাজিলের, সুখবর পর্তুগালের
ব্রাজিলে ভোটগ্রহণ শেষ, লুলা-বলসোনারোর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ব্রাজিল কেন ঘুরে ঘুরে বিদেশের মাটিতে প্রীতি ম্যাচ খেলে?