অভিনব আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাঠে আনা হলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) দ্বাদশ আসরের বহুল কাঙ্ক্ষিত ট্রফি। ফাইনাল শুরুর প্রায় দেড় ঘণ্টা আগে একটি হেলিকপ্টারে করে ট্রফিটি স্টেডিয়ামে পৌঁছায়। ট্রফি মাঠে আসার পরপরই অনুষ্ঠিত হয় ফাইনালের আনুষ্ঠানিক ফটোসেশন। বিপিএলের ইতিহাসে এবারই প্রথম এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখা গেল।
এর আগে বিপিএলের প্রতিটি আসরে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই ট্রফি উন্মোচন ও ফটোসেশন সম্পন্ন হলেও এবারের আসরে ভিন্ন কৌশল নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ট্রফি জনসম্মুখে আনা হয়নি। ফাইনালকে ঘিরে চমক হিসেবে শেষ মুহূর্তে মাঠেই ট্রফি উন্মোচনের আয়োজন করা হয়।
লাল কাপড়ে মোড়ানো ট্রফিটি হেলিকপ্টার থেকে মাঠে নামান যুব বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক আকবর আলী এবং জাতীয় নারী দলের সাবেক অধিনায়ক সালমা খাতুন। এরপর মাঠের মাঝখানে একটি বিশেষ ট্রফি কেসে রাখা হয় হীরকখচিত ট্রফিটি। দুই ফাইনালিস্ট দলের অধিনায়ক ট্রফির দুই পাশে দাঁড়িয়ে ফটোসেশনে অংশ নেন।
এবারের বিপিএলের জন্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা মূল্যের হীরকখচিত এই ট্রফিটি প্রস্তুত করা হয়েছে দুবাইয়ে। তবে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ট্রফিটি জনসম্মুখে না আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এদিকে, বিশ্বকাপ বয়কটসহ নানা ইস্যুতে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও তার প্রভাব দর্শকদের মধ্যে তেমন দেখা যায়নি। ম্যাচ শুরুর প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই স্টেডিয়ামের সব গেটের সামনে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে ছুটে আসেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।
ফাইনাল ম্যাচ ঘিরে দর্শকদের এমন উন্মাদনার বিষয়টি আগেই অনুমান করা হয়েছিল। ম্যাচের আগেই সব টিকিট বিক্রি শেষ হওয়ার ঘোষণা দেয় বিসিবি। যদিও অনেক সমর্থকের হাতে টিকিট থাকলেও এখনও কেউ কেউ মাঠের বাইরে টিকিটের খোঁজে ঘুরছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দাম একটু বেশি হলেও তারা ফাইনাল ম্যাচটি মাঠে বসেই দেখতে চান।
আরটিভি/এসকে



