ঘরের মাঠে ৩-০ গোলের দাপুটে জয় তবু শেষরক্ষা হলো না বার্সেলোনার। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে কোপা দেল রে’র ফাইনালে জায়গা করে নিল অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ। ২০১৩ সালের পর এই প্রথম ফাইনালে উঠল দিয়েগো সিমেওনের দল।
প্রথম লেগে ৪-০ ব্যবধানে জেতার সুবিধা নিয়েই মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কাতালানদের মাঠে নামে অ্যাতলেটিকো। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল বার্সা। অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ নিতে তাদের দরকার ছিল অন্তত চার গোল।
৩০তম মিনিটে তরুণ উইঙ্গার লামিনে ইয়ামাল কর্নার থেকে দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু ক্রস বাড়ান। সেখান থেকে ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মার্ক বারনাল বল জালে জড়ান। চোট পাওয়া জং এর স্থলাভিষিক্ত বার্নাল দুই অর্ধেই গোল করে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখান স্বাগতিকদের।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বক্সের ভেতর পেড্রিকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় বার্সা। স্পট কিক থেকে রাফিনহা গোলরক্ষক জুয়ান মুসর বিপরীত দিকে শট নিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন। বিরতির পরও একের পর এক আক্রমণে চাপে রাখে বার্সা। তবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে লড়াইয়ে রাখেন মুসো। পেদ্রি, বার্নাল ও ইয়ামালের একাধিক প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি।
৭২তম মিনিটে ক্যানসেলর ক্রস থেকে ভলিতে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন বার্নাল। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-০। আর একটি গোল পেলেই অতিরিক্ত সময়ে যেত ম্যাচ, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর জাল খুঁজে পায়নি বার্সা। ফলে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় ফাইনাল নিশ্চিত হয় অ্যাতলেটিকোর।
ম্যাচ শেষে মুসো বলেন, আমরা ফাইনালে, এটাই গুরুত্বপূর্ণ। জানতাম কঠিন হবে। তারা বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। কিন্তু দুই লেগে আমরা বেশি গোল করেছি, সেটাই আসল।
তবে হারলেও দল নিয়ে গর্বিত রাফিনিয়া। তিনি বলেন, এমন ম্যাচে দলকে নিয়ে গর্বিত না হয়ে পারা যায় না। এভাবে খেলতে পারলে মৌসুমের শেষটা দারুণ হবে।
ফাইনালে অ্যাতলেটিকোর প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে বুধবারের অন্য সেমিফাইনালে। সেখানে মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়াদাদ ও অ্যাতলেটিক বিলবাও। প্রথম লেগে ১-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে সোসিয়েদাদ।
আরটিভি/এসকে




