২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে পর্তুগাল এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিখ্যাত কোচ হোসে মরিনিও। তার মতে, পর্তুগাল টুর্নামেন্টের অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিভাবান দল।
সম্প্রতি ইতালিয়ান ক্রীড়া সাময়িকী ‘স্পোর্টসউইক’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।
মরিনহো বলেন, পর্তুগাল সবকিছু করতে সক্ষম। তাদের বর্তমান প্রজন্ম অসাধারণ। আমরা উয়েফা ইউরো ২০২৬ জিতেছিলাম, কিন্তু এই দলটি টেকনিক্যালি সেই দলের চেয়েও শক্তিশালী।
তিনি বলেন, অবশ্যই ব্রাজিল আছে, যাদের কোচ কার্লো আনচেলত্তি, আর আর্জেন্টিনাও শক্তিশালী দল। তবে পর্তুগালের বিশ্বকাপ জয়ের সামর্থ্য রয়েছে।
এবারের পর্তুগালকে টুর্নামেন্টের অন্যতম ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিভাবান দল হিসেবে দেখা হচ্ছে। মিডফিল্ড ও আক্রমণভাগে রয়েছেন ভিতিনিয়া, ব্রুনো ফের্নান্দেজ, বার্নান্দো সিলভা এবং রাফায়েল লিয়াওয়ের মতো তারকারা।
তাদের সঙ্গে আছেন দলের সবচেয়ে বড় ভরসা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, যার জন্য এটি হতে পারে ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ।
বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বেও তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে পর্তুগাল। তারা প্রথম ম্যাচ খেলবে কঙ্গোর বিপক্ষে। এরপর মুখোমুখি হবে উজবেকিস্তানের, যারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষ কলম্বিয়া, যা গ্রুপসেরা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
স্প্যানিশ কোচ রবার্তো মার্তিনেজের অধীনে দুর্দান্ত ধারাবাহিকতা দেখাচ্ছে পর্তুগাল। সরশেষ ১০ ম্যাচে মাত্র একবার হেরেছে তারা, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ডাবলিনে আয়াল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে। এরই মধ্যে মার্টিনেজ দলকে নেশনস লিগের শিরোপাও এনে দিয়েছেন।
তার অধীনে পর্তুগাল এখন আরও গতিময়, ভারসাম্যপূর্ণ ও কৌশলগতভাবে পরিণত একটি দলে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে আগের বিশ্বকাপে কঠিন সময় পার করা রোনালদোকে আবারও সেরা ছন্দে ফিরিয়ে আনার কৃতিত্বও অনেকটা মার্টিনেজের।
আরটিভি/এসআর



