ফর্মের তুঙ্গে থেকেই বিশ্বকাপে মাঠে নেমেছিলেন হ্যারি কেইন। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে দারুণ সূচনা করেছিলেন। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার বিপক্ষে তিনি ছিলেন একেবারেই নিষ্প্রভ। পুরো ম্যাচে উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেননি তিনি। যে একটি ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন, সেটিও ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন।
কেইনের এমন ছন্দপতনের কারণ হিসেবে তার ওপর ‘কালো জাদু’ করার দাবি করেছিলেন ঘানার আলোচিত আধ্যাত্মিক সাধক ও তান্ত্রিক নানা কওয়াসু বোনসাম। তবে ঘানার বিপক্ষে ইংল্যান্ডের গোলশূন্য ড্রয়ের পর তিনি দাবি করেছেন, কেইনের ওপর থেকে সব ধরনের অভিশাপ তুলে নিয়েছেন।
বোনসামের ভাষ্য, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পানামার বিপক্ষে কেইন আবারও গোলের দেখা পাবেন।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী আধ্যাত্মিক সাধক। এখন আমি হ্যারি কেইনকে মুক্ত করে দিচ্ছি, যাতে ইংল্যান্ডের পরবর্তী ম্যাচে সে গোল করতে পারে।
তিনি আরও বলেন,হ্যারি কেইন আমার শত্রু নয়। আমি তার কোনো বড় ক্ষতি করিনি। আমি শুধু আমার দেশের (ঘানা) উপকার করতে চেয়েছি। আমার একটি পুত্রসন্তান আছে। আমি তার নাম রাখব হ্যারি কেইন, কারণ আমি অনেক আগে থেকেই তার খেলার ভক্ত।
উল্লেখ্য, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ২০১৪ বিশ্বকাপের আগে হাঁটুর চোটে পড়ার পরও নানা কওয়াসু বোনসাম দাবি করেছিলেন, তার জাদুটোনার কারণেই রোনালদো ওই চোটে পড়েছিলেন। সেই দাবি সে সময় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।
তবে কালো জাদু বা অতিপ্রাকৃত শক্তির মাধ্যমে কোনো খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স প্রভাবিত করা যায় এমন দাবির পক্ষে গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। বোনসামের বক্তব্য তার ব্যক্তিগত দাবি হিসেবেই বিবেচিত।
আরটিভি/এসকে



