২০২৬ বিশ্বকাপে জমজমাট এক লড়াইয়ে দুবার পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে ঘুরে দাঁড়িয়ে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করেছে জাপান। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে কোকি ওগাওয়ার গোল ডাচদের জয় থেকে বঞ্চিত করে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই একাধিক আক্রমণ গড়লেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। ৩৪ মিনিটে কর্নার থেকে ডনিয়েল মালেনের হেড অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। তার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভে বিরতির আগে ০-০ সমতা বজায় থাকে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ৫১ মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। পোস্টে লেগে জালে জড়ানো সেই গোলটি ছিল দেশের হয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে লিভারপুল তারকার প্রথম গোল।
তবে মাত্র ছয় মিনিট পরই জবাব দেয় জাপান। ৫৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে গড়ে ওঠা দারুণ এক আক্রমণ থেকে মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরা গোল করে সমতা ফেরান।
সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৪ মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিল গোল করে আবারও ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন নেদারল্যান্ডসকে। তখন জয়ের দিকেই এগোচ্ছিল ডাচরা।
কিন্তু শেষ মুহূর্তে নাটকীয়তা অপেক্ষা করছিল। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে কোকি ওগাওয়া গোল করে দ্বিতীয়বারের মতো সমতা ফেরান। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।
এর আগে ম্যাচ শুরুর আগেই একটি পরিসংখ্যান নজর কাড়ে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম নেদারল্যান্ডসের শুরুর একাদশে ডাচ শীর্ষ লিগের কোনো খেলোয়াড় ছিলেন না। অন্যদিকে জাপানের প্রথম একাদশে ডাচ লিগে খেলা দুই ফুটবলার— আয়াসে উয়েদা ও সুয়োশি ওয়াতানাবে জায়গা পান।
আরেকটি উল্লেখযোগ্য তথ্য, ২০২৫-২৬ মৌসুমে ক্লাব (৫৫) ও জাতীয় দল (১১) মিলিয়ে এটি ছিল ভার্জিল ফন ডাইকের ৬৬তম ম্যাচ। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ফুটবলারদের মধ্যে চলতি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডও এখন তার দখলে।
আরটিভি/এমএইচজে



