সিয়াটল স্টেডিয়ামে বেলজিয়াম–মিসর ম্যাচ ১–১ গোলে ড্র হয়েছে।
১৯ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মোহাম্মদ সালাহর সহায়তায় মিসরকে এগিয়ে দেন ইমাম আশুর। ৬৬ মিনিটে মিসর ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানির আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
‘জি’ গ্রুপে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ১ পয়েন্ট করে পেল দুই দল।
মিসর অনেকটা সময় লিড ধরে রেখেও জয় পেলো না। আত্মঘাতী গোলে কপাল পুড়লো তাদের। ২০২৬ বিশ্বকাপে 'জি' গ্রুপে মিসর ও বেলজিয়ামে মধ্যকার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় বেলজিয়াম। তবে তারকা ফরোয়ার্ড কেভিন ডি ব্রুইনের ডান পায়ের শট পোস্টের বাম পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়।
২০তম মিনিটে প্রথম বড় সুযোগেই এগিয়ে যায় মিসর। মোহাম্মদ সালাহর অ্যাসিস্ট থেকে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোড়ালো শটে বেলজিয়াম গোলরক্ষক থিবো কর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ইমাম আশওয়ার। ঠিক দিকে ডাইভ দিলেও বল আটকানোর সুযোগ ছিল না তার।
মিসর জাতীয় দলে ৩০ নম্বর ম্যাচে এসে প্রথম গোলের দেখা পেলেন ২৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আশওয়ার।
গোল শোধে মরিয়া হয়ে পরের ১৫ মিনিটে অনেকগুলো সুযোগ তৈরি করে বেলজিয়াম। কিন্তু যখনই তারা বল হারাচ্ছিল, কাউন্টার অ্যাটাক করেছে মিসরও। তবে প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে ৪৬ মিনিটে জেরেমি ডকু বারের ওপর দিয়ে মেরে বসেন। ৫৩ মিনিটে বক্সের খুব কাছে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি কিক পায় বেলজিয়াম। কেভিন ডি ব্রুইনের মাপা শট পোস্টে লেগে গেলে গোলবঞ্চিত হয় তারা।
দুই মিনিট পর মিসরও একটুর জন্য গোল পায়নি। বক্সের মধ্যে সালাহর হেড কর্তোয়া ঠেকালেও পরের শটে গোল পেতে পারতেন আশওয়ার। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন তিনি।
৬২ মিনিট পার হলে প্রথম একটি শট অন টার্গেট করতে পারে বেলজিয়াম। কিন্তু কেভিন ডি ব্রুইনের সেই শটে একদমই জোর ছিল না। ফলে সহজেই ধরে ফেলেন তুরস্ক গোলরক্ষক শোবেইর।
৬৫ মিনিটে রোমেলু লুকাকুকে মাঠে নামান বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া। তাতেই ভাগ্য বদলায়। মাঠে নামার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ক্রস থেকে বল পেয়ে পায়ে লাগাতে যাচ্ছিলেন লুকাকু। সেটি ঠেকাতে গিয়ে মোহাম্মদ হানির পায়ে লেগে বল জালে ঢুকে যায়। আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।
৮৩ মিনিট ডি ব্রুইনের আরেকটি মাপা ফ্রি কিক রুখে দেন মিসরের গোলরক্ষক। ফিরতি বল পেয়ে হেড করেছিলেন ব্রেন্ডন মেশেলে। কিন্তু মিসরের গোলরক্ষক আবারও দলকে বাঁচান।
শেষদিকে এসে (৮৯ মিনিটে) বক্সের মধ্যে জিজু পড়ে গেলে পেনাল্টির আবেদন করেছিল মিসর। কিন্তু রেফারি সে আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। ফলে শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতায়ই শেষ হয় খেলা।
আরটিভি/এসএস




