বিশ্বকাপ মানেই প্রতিপক্ষের কৌশল, ইনজুরি কিংবা পরবর্তী ম্যাচের পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ততা। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কয়েকটি দলের ফুটবলারদের জন্য নতুন এক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিষধর সাপ।
যুক্তরাষ্ট্রে দলের বেসক্যাম্পে বিষধর ‘কপারহেড’ সাপ দেখার পর উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে জার্মানি শিবিরে। শুধু জার্মানিই নয়, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ের খেলোয়াড়রাও স্থানীয় বন্যপ্রাণী নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
জশুয়া কিমিখ জানান, উত্তর ক্যারোলিনার উইনস্টন-সালেমে জার্মান দলের ক্যাম্পে একটি বিষধর সাপ দেখা গেছে। এ বিষয়ে খেলোয়াড়দের সতর্ক করা হয়েছে।
কিমিখ বলেন, আমরা একটি সাপ দেখেছি। আমাদের বলা হয়েছে এটি বিষধর। যদি কামড় দেয়, তাহলে হাসপাতালে যেতে হবে।
তিনি আরও বলেন, হয়তো এতে মৃত্যু হবে না, কিন্তু এটি অবশ্যই বিপজ্জনক। ভুলবশত এমন একটি সাপের ওপর পা পড়লে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। তাই আমরা এখানে প্রাণীদের থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করছি।
জার্মান অধিনায়ক স্থানীয়দের সাহসিকতারও প্রশংসা করেন। তার ভাষায়, এখানকার মানুষদের প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। জার্মানিতে এত বিপজ্জনক প্রাণী দেখার অভ্যাস নেই।
চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিতে সাত প্রজাতির সাপ থাকলেও এর মধ্যে মাত্র দুটি বিষধর। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণী অনেক খেলোয়াড়ের কাছেই নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠেছে।
কিমিখ বলেন, প্রথমে বিষয়টি মজার মনে হয়েছিল। কিন্তু যখন শুনলাম এটি কী ধরনের সাপ এবং কামড়ালে কী হতে পারে, তখন আর মজা লাগেনি। আমরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, অথচ এখন অনেক খেলোয়াড়কে প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে মাটির দিকে তাকাতে হচ্ছে।
এদিকে উত্তর ক্যারোলিনার গ্রিনসবোরোতে অবস্থান করছে নরওয়ে দল। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই অঞ্চলে কপারহেড সাপ দেখা যাওয়া খুবই সাধারণ ঘটনা। এ খবর শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নরওয়ের অধিনায়ক।
অন্যদিকে সান দিয়েগোতে ক্যাম্প করা সুইজারল্যান্ড দলের খেলোয়াড়রাও একটি নির্দিষ্ট এলাকাকে ‘স্নেক এরিয়া’ বা সাপের এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছেন। ফলে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির পাশাপাশি এখন সাপ থেকেও সতর্ক থাকতে হচ্ছে ইউরোপের কয়েকটি দলকে।
আরটিভি/এসকে




