কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরুতে মাঠে নামতে পারেননি। শেষ ২০ মিনিট মাঠে থাকলেও তেমন কিছু করতে পারেননি লামিনে ইয়ামাল। যার ফলে ম্যাচটি ছিল গোলশূন্য ড্র।
নকআউটে যেতে হলে সৌদি আরবের বিপক্ষে জিততে হবে। এ কারণে লামিনে ইয়ামালকে রেখেই শুরুর একাদশ গঠন করেন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। সঙ্গে রাখেন দানি ওলমোকেও।
আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই সৌদির গোলমুখে তুমুল আক্রমণ সৃষ্টি করে স্পেন। পুরোপুরি ডিফেন্সিভ হয়ে সেই আক্রমণগুলো ঠেকাতে ব্যস্ত ছিল সৌদি আরবের ফুটবলাররা।
কিন্তু ম্যাচের ১০ম মিনিটে আর সেই আক্রমণ ঠেকাতে পারেনি সৌদি ডিফেন্স। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে এগিয়ে এসে একটি নিচু ক্রস দেন ওয়ারজাবাল। পোস্টের সামনে মাটি কামড়ে সেই ক্রস পৌঁছে যায় ইয়ামালের পায়ে। দারুণ ক্ষিপ্রতায় বলটি তিনি জড়িয়ে দিলেন সৌদি আরবের জালে। ১-০ গোলে এগিয়ে গেলো স্পেন।
২১তম মিনিটে স্পেনের হয়ে দ্বিতীয় গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। কর্নার কিক থেকে ভেসে আসা বল বক্সের সামনে ঘুরতে থাকলে ফাঁকায় পেয়ে সৌদির জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
তৃতীয় গোল আসতে খুব বেশি সময় লাগলো না। একের পর এক আক্রমণে সৌদি রক্ষণকে ব্যস্ত রেখে ২৪তম মিনিটেই ৩য় গোল আদায় করে নেয় স্পেন। এই গোলটিও করেন মিকেল ওয়াজাবাল। ৩-০ গোলে এগিয়ে গেলো স্প্যানিশরা।
স্পেনের একাদশ
উনাই সিমন (গোলরক্ষক), আইমেরিক লাপোর্তে, মার্ক কুকুরেয়া, পেদ্রো পোরো, পাও কুবার্সি, রদ্রি, পেদ্রি, দানি ওলমো, আলেক্স বায়েনা, লামিনে ইয়ামাল, মিকেল ওইয়ারজাবাল।
সৌদি আরবের একাদশ
মোহাম্মদ আল-ওয়াইজ (গোলরক্ষক), আলি লাজামি, আবদুলেলাহ আল-আমরি, হাসান তামবাকতি, সৌদ আবদুলহামিদ, মোতেব আল-হারবি, আবদুল্লাহ আল-খাইবারি, নাসের আল-দাওসারি, মুসাব আল-জুয়াইর, সালেম আল-দাওসারি, ফারাস আল-বুরাইকান।
আরটিভি/ এসকেডি



