ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ফিফা

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

পর্তুগালের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়ার নাটকীয়ভাবে বাতিল হওয়া গোল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি জানিয়েছে, অফিসিয়াল ম্যাচ বলের ভেতরে থাকা সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে ইগর মাতানোভিচের অত্যন্ত সূক্ষ্ম স্পর্শ শনাক্ত হওয়ায় সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি কার্যকর হয় এবং শেষ পর্যন্ত গোলটি বাতিল করা হয়।

ম্যাচের যোগ করা সময়ের একেবারে শেষদিকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। ইভান পেরিসিচের ভাসানো বল পর্তুগালের রেনাতো ভেইগার গায়ে লেগে ইগর মাতানোভিচকে স্পর্শ করে মারিও পাসালিচের কাছে পৌঁছায়। এরপর পাসালিচের পাস থেকে জালে বল পাঠান ইয়োসকো ভার্দিওল। নরওয়ের রেফারি এসপেন এসকাস প্রথমে গোলের স্বীকৃতি দিলে উল্লাসে মেতে ওঠেন ক্রোয়েশিয়ার খেলোয়াড়রা।

তবে ভিএআরের পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়। ফিফা জানায়, অ্যাডিডাসের অফিসিয়াল ম্যাচ বল ট্রিওন্ডা-তে স্থাপিত কানেক্টেড বল প্রযুক্তির সেন্সর মাতানোভিচের প্রায় চোখে না-দেখা স্পর্শটি শনাক্ত করে। টেলিভিশন সম্প্রচারে দেখানো গ্রাফেও ওই মুহূর্তে একটি ক্ষুদ্র স্পাইক দেখা যায়, যা বলের সঙ্গে তাঁর সংস্পর্শের প্রমাণ হিসেবে ধরা পড়ে।

স্পর্শ নিশ্চিত হওয়ার পর সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি খেলোয়াড়দের অবস্থান বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়, মাতানোভিচ বল স্পর্শ করার মুহূর্তে মারিও পাসালিচ অফসাইড অবস্থানে ছিলেন। সেই কারণেই ভিএআর ও মাঠের রেফারি যৌথভাবে গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন।

ফিফা আরও জানিয়েছে, কানেক্টেড বল টেকনোলজি অ্যাডিডাস ও কিনেক্সনের যৌথ উদ্যোগে তৈরি। বলের ভেতরে থাকা মোশন সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে শত শত তথ্য সংগ্রহ করে, যার মাধ্যমে খেলোয়াড়দের ক্ষুদ্রতম স্পর্শও নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। প্রযুক্তিটির কার্যপ্রণালি অনেকটা ক্রিকেটের স্নিকোমিটারের মতো, যা ব্যাট ও বলের সূক্ষ্ম সংস্পর্শও শনাক্ত করতে সক্ষম।

গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ক্রোয়েশিয়ার প্রধান কোচ জ্লাতকো দালিচ। তার ভাষায়, ভিএআর ফুটবলের আবেগকে হত্যা করে।

অন্যদিকে পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজ প্রযুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্তের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সব ধরনের সন্দেহ দূর করতেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন

ফিফার ব্যাখ্যার মাধ্যমে ম্যাচটির সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত নিয়ে চলা বিতর্কে সংস্থাটির আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। ফিফার দাবি, বলের সেন্সর, সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি এবং ভিএআরের সমন্বিত ব্যবহারের ফলেই সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াহকে পেছনে ফেলে তিনে স্মিথ
ডারবানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নেমে শুরুতে বড় ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার নিক ম্যাডিনসন ও ট্র্যাভিস হেড দ্রুত বিদায় নেন। এরপর চারে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৮ রান যোগ করতেই কিংবদন্তি স্টিভ ওয়াহকে টপকে যান স্টিভেন স্মিথ। জাতীয় দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় স্মিথ এখন তৃতীয়। এদিন ব্যাটে নামার আগে ১০৯২০ রান ছিল তার নামের পাশে। আর আটটি রান যোগ হতেই ওয়াহকে (১০৯২৭) টপকে যান তিনি।  তার উপরে কেবল রিকি পন্টিং ও অ্যালান বোর্ডার। ১৩৩৭৮ রান নিয়ে শীর্ষে পন্টিং, বোর্ডার ১১১৭৪ রান নিয়ে দুই নম্বরে। সর্বকালের সেরা টেস্ট রান সংগ্রাহকের তালিকায় স্মিথ ১৩তম স্থানে। ওয়াহকে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার দিনে তিনি বড় কোনো ইনিংস খেলতে পারেননি। ৫৩ বলে ২৫ রান করে থামেন তিনি। মার্কো ইয়ানসেনের বলে মুল্ডারের ক্যাচ হন স্মিথ। আরটিভি/এসআর
ওয়াহকে পেছনে ফেলে তিনে স্মিথ
লিটন ও মিরাজের ব্যাটে ছুটছে বাংলাদেশ
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টের শুরুটা দুর্দান্ত করেছে বাংলাদেশ দল। প্রথমদিনে তৃতীয় সেশনে লিটন কুমার দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে এগোচ্ছে টাইগাররা। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮২ রান। লিটন ৩৭ ও মিরাজ ২২ রানে ব্যাট করছেন। এর আগে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এটি নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ।  যেখানে স্পিনার নাঈম হাসানের পাশাপাশি অভিজ্ঞ তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ এবং দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনকে নিয়ে শান্ত’র দল একাদশ সাজিয়েছে।  শুরু থেকেই তানজিদের আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ের সামনে তটস্থ ছিল আফগানিস্তানের বোলিং লাইনআপ। শুরুতে সাদমানের কিছু অনিয়ন্ত্রিত শট ছাড়া তাদের স্বস্তির বলতে কিছু ছিল না। তানজিদ আউট হলেও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির সেশন উপহার দিয়েছেন। দ্বিতীয় সেশনেও দুর্দান্ত ব্যাট করতে থাকেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সাদমান ও মুমিনুল মিলে তোলেন ৬০ রান। ব্যক্তিগত ফিফটি পূরণের পর ৬৭ আউট হন সাদমান। ব্যাট হাতে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলছিলেন মুমিনুল হক ও দলনেতা নামজুল হোসেন শান্ত। কিন্তু দুজনের কেউই ফিফটি পূরণ করতে পারেননি। ইয়ামিন আহমেদজাইয়ের বলে আউট হওয়ার আগে ৩৯ রান করেন মুমিনুল। আর কায়েস আহমেদের করা বলে রহমানুল্লাহর হাতে ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। আউট হওয়ার আগে ২৯ রান করেন তিনি। এরপর দ্রুত সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিমও। ৭ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। তবে মিরাজকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন লিটন। দুজনের ব্যাটে ভর করে ৩০০ রানের পথে ছুটছে বাংলাদেশ। আরটিভি/এসআর ‎  
লিটন ও মিরাজের ব্যাটে ছুটছে বাংলাদেশ
এআই দিয়ে সৌরভের বায়োপিকের পোস্টার তৈরি, যা বললেন রাজকুমার
ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীর বায়োপিক ‘দাদা দ্য সৌরভ গাঙ্গুলি স্টোরি’-র প্রথম পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছিল সমালোচনা। পোস্টারটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি এবং যত্নসহকারে করা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন নেটিজেনদের একাংশ।  এবার সেই বিতর্ক ও সমালোচনা নিয়ে মুখ খুলেছেন ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করা বলিউড অভিনেতা রাজকুমার রাও। তার মতে, এই ঘটনা থেকে বড় শিক্ষা নিয়েছেন ছবির নির্মাতারা। চলতি বছরের ৮ জুলাই সৌরভের জন্মদিনে প্রকাশ্যে আসে ছবিটির প্রথম পোস্টার।  সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই বিতর্ক প্রসঙ্গে রাজকুমার রাও বলেন, যারা পোস্টারটি তৈরি করেছিলেন, তারা বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন এবং শিক্ষা নিয়েছেন। তারা বুঝেছেন যে কোনো কাজ নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে করা প্রয়োজন। এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আমার মনে হয়, পুরো দলই এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে। এর পাশাপাশি তারা এটাও বুঝতে পেরেছেন দাদার অনুরাগীর সংখ্যা অবিশ্বাস্য রকমের বেশি। প্রকাশ্যে আসা পোস্টারটিতে সৌরভের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত পুনর্নির্মাণ করেছিলেন রাজকুমার। ২০০২ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর উড়ন্ত জার্সি হাতে ভারতীয় দলের তৎকালীন অধিনায়কের সেই ঐতিহাসিক উদযাপনের দৃশ্যটিই স্থান পেয়েছিল পোস্টারে।  বিক্রমাদিত্য মোটওয়ানে পরিচালিত এই বায়োপিকে সৌরভের শুরুর দিন থেকে শুরু করে ভারতীয় দলের প্রভাবশালী ক্রিকেটার ও সফল অধিনায়ক হয়ে ওঠার গল্প ফুটিয়ে তোলা হবে। ছবিতে সৌরভের স্ত্রী ডোনা গাঙ্গুলীর চরিত্রে অভিনয় করছেন তান্যা মানিকতলা। ছবিটি আগামী বছরের ১৪ মে বায়োপিকোটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। আরটিভি/এসআর ‎  
এআই দিয়ে সৌরভের বায়োপিকের পোস্টার তৈরি, যা বললেন রাজকুমার
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় ১২ বছরের কারাদণ্ড পেতে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা!
ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে অভিযুক্ত চিকিৎসাকর্মীদের সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা।  বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) আদালতে সমাপনী বক্তব্যে কৌঁসুলিরা অভিযোগ করেন, মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনার চিকিৎসায় যুক্ত দলটির বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা তাকে কার্যত অসহায় ফেলে রেখেছিল। ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের এই তারকা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে অস্ত্রোপচারের দুই সপ্তাহ পর বুয়েনস এইরেসের উপকণ্ঠে তিগ্রে এলাকায় ভাড়া বাড়িতে মারা যান।  হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং তীব্র পালমোনারি এডিমায় (ফুসফুসে তরল জমার একটি অবস্থায়) তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬০ বছর। ম্যারাডোনার চিকিৎসায় যুক্ত ছিলেন তার প্রধান চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিজ্ঞানী ও নার্সরা। মৃত্যুর আগে তাকে যথাযথ চিকিৎসা ও পরিচর্যা দিতে গুরুতর ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সমাপনী বক্তব্যে কৌঁসুলি পাত্রিসিও ফেরাই বলেন, অভিযুক্তদের বিশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা অসুস্থ ম্যারাডোনাকে অসহায় পরিস্থিতিতে ফেলে দিয়েছিল, তাকে তার ভাগ্যের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল’। তিনি আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তরা তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের নীতির পরিপন্থী কাজ করেছেন এবং যেসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ছিল, সেগুলোও নেননি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘দোলো ইভেনচুয়াল’ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। আইনি পরিভাষাটির অর্থ, কোনো ব্যক্তি তার কর্মকাণ্ডে ক্ষতি হতে পারে জেনেও সেটি চালিয়ে যান। রাষ্ট্রপক্ষ ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক লিওপোলদো লুকের জন্য সর্বোচ্চ ১২ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছে। অন্য চিকিৎসাকর্মীদের জন্য চার থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের আবেদন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, একজন নার্স এবং কয়েকজন সমন্বয়কারী। অন্যদিকে, অভিযুক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের দাবি, ম্যারাডোনার মৃত্যু আগে থেকে অনুমান করা সম্ভব ছিল না এবং তারা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রত্যেকেই আবার ম্যারাডোনার চিকিৎসায় ব্যক্তিগত দায় এড়িয়ে গেছেন। আরটিভি/এসআর ‎  
ম্যারাডোনার মৃত্যুর ঘটনায় ১২ বছরের কারাদণ্ড পেতে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা!
ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় বাংলাদেশের ফারহান
গত মাসে ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ জাতীয় দলে অভিষেক করেছেন ফারহান আলী ওয়াহিদ। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তিনি নিজের প্রথম গোলও করেছিলেন। এবার ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত এই ইংলিশ ফুটবলার। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে ২০২৬ সালের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় ফারহানের। ২০১৯ সাল থেকে ফুলহামের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় জনি হেইনেসের নামে বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড়দের পুরষ্কৃত করছে ক্লাবটি। ফুলহামের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের সম্মিলিত ভোটাভুটির মাধ্যমে একাডেমি থেকে উঠে আসা ফুটবলারকে ‘জনি হেইনেস ট্রফি’ দেওয়া হয়।  ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ফুলহাম জানিয়েছে, ক্লাব আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছে, ফারহান আলী ওয়াহিদ ২০২৬ জনি হেইনেস ট্রফি বিজয়ী।’  নিজের অনুভূতি জানিয়ে বাংলাদেশের এই ফুটবলার বলেন, এ পুরস্কারের জন্য সতীর্থদের ভোট পাওয়াটা দারুণ ব্যাপার, অত্যন্ত তৃপ্তিদায়ক অনুভূতি। সতীর্থদের ছাড়া আমি এটি অর্জন করতে পারতাম না। তারাই মানদণ্ড ঠিক করে দেয়, অনুপ্রেরণা জোগায় ও প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করে, যা আমাকে ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। অতীতে যারা এই ট্রফি জিতেছে, তাদের নামের তালিকায় তাকালে বোঝা যায় এটি কত বিশেষ এক অর্জন। বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শুরু নিয়েও উচ্ছ্বসিত ফারহান। তার ভাষ্য, দেশের প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য সত্যিই দারুণ এক ব্যাপার ছিল। এটি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি মুহূর্ত এবং দলের হয়ে একটি গোল করতে পেরে আমি আনন্দিত।  তিনি আরও বলেন, প্রায় ৫০ হাজার দর্শকের সামনে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গোল করেছি, আর স্টেডিয়ামের পরিবেশ এই অভিজ্ঞতাকে সম্পূর্ণ অন্য রকম এক উচ্চতায় নিয়ে যায়। উল্লেখ্য, ফারহারের শিকড়টা বাংলাদেশের সিলেটে প্রোথিত। যদিও তার বাবা-মা দুজনেরই জন্ম যুক্তরাজ্যে। ফারহানেরও সেখানেই জন্ম, ২০০৬ সালের ৯ ডিসেম্বর। চেলসির একাডেমিতে ফুটবলের প্রাথমিক পাঠ সেরে তিনি ২০১৯ সালে ফুলহামে পাড়ি জমান।  ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার সুযোগ ছিল ফারহানের। একইসঙ্গে বাংলাদেশও তাকে জাতীয় দলে টানার প্রক্রিয়া শুরু করে গত মে মাসে। তিনি বেছে নেন নাড়ি পোতা লাল-সবুজের দেশকে। আরটিভি/এসআর ‎  
ফুলহামের বর্ষসেরা একাডেমি খেলোয়াড় বাংলাদেশের ফারহান
আরও পড়ুন
ঘরের মাঠে তুরস্ককে হারাল ইতালি
ফিফার নতুন র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কোথায়?
ফারহানের অভিষেক, একাদশে ৭ পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ
ফিলিস্তিনি শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে ফিফার অভিনব উদ্যোগ