নরওয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে গোলশূন্য সমতায় রয়েছে ব্রাজিল। শুরু থেকে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে সবচেয়ে বড় সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি সেলেসাওরা। অন্যদিকে শেষের দিকে আলিসনের দুর্দান্ত সেভে গোলবঞ্চিত হয় নরওয়ে।
ম্যাচের শুরুতেই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্সের ভুলের সুযোগ নিয়ে বল জালে জড়িয়েছিল নরওয়ে। তবে চতুর্থ মিনিটের সেই গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়।
১১ মিনিটে ব্রাজিল পেনাল্টির দাবি তোলে। বক্সের ভেতরে মাতেউস কুনিয়াকে স্লাইডিং ট্যাকলে থামান ক্রিস্টোফার আয়ের। প্রথমে রেফারি খেলা চালিয়ে দিলেও পরে ভিএআর পর্যালোচনা শেষে মনিটরে দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন।
১৪ মিনিটে সেই পেনাল্টি নিতে গিয়ে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারাইস। তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নিল্যান্ড। ফলে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া হয় ব্রাজিলের।
২৬ মিনিটে রেফারি হাইড্রেশন ব্রেকের বাঁশি বাজান। তখন পর্যন্ত পেনাল্টি ছাড়া বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি কোনো দলই।
৪০তম মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। বক্সের মধ্যে মার্টিন অডেগার্ডের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে সুযোগ তৈরি করেছিলেন ভিনি, কিন্তু গোলরক্ষক বাধা হয়ে দাঁড়ান।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচের সেরা সেভটি করেন আলিসন। গ্যাব্রিয়েলকে কাটিয়ে এগিয়ে যান এরলিং হালান্ড, পরে আলগা হয়ে যাওয়া বল পেয়ে যান অডেগার্ড। নিচের কর্নার লক্ষ্য করে তাঁর জোরালো শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিল গোলরক্ষক।
ইতিহাসও ছিল ব্রাজিলের জন্য অস্বস্তিকর। এর আগে চারবার মুখোমুখি হয়ে একবারও নরওয়েকে হারাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নরওয়ে জিতেছে দুটি ম্যাচ, বাকি দুটি হয়েছে ড্র।
প্রথমার্ধ শেষে স্কোর: ব্রাজিল ০–০ নরওয়ে।
আরটিভি/এমএইচজে



