বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন হলেও জেফ বেজোসের বেতন নিয়ে বিস্ময়কর তথ্য সামনে এসেছে। প্রযুক্তি জায়ান্ট কোম্পানি অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা বেজোস। যিনি এখনো বছরে মাত্র প্রায় ৮১ হাজার ডলার বেতন পান।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফরচুনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেফ বেজোস দীর্ঘ সময় ধরে কোম্পানির প্রধান নির্বাহী থাকার সময়ও একই বেতন গ্রহণ করেছেন। এমনকি তিনি কখনো অতিরিক্ত নগদ বেতন বা শেয়ারভিত্তিক পারিশ্রমিক নেননি।
কেন এত কম বেতন?
জেফ বেজোস একসময় জানিয়েছিলেন, কোম্পানির বড় অংশের মালিকানা তার হাতে থাকায় অতিরিক্ত প্রণোদনার প্রয়োজন তিনি অনুভব করেননি। তার মতে, বেশি বেতন নেওয়ার কোনো ইচ্ছাও তার ছিল না।
বর্তমানে তিনি কোম্পানির নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার সম্পদের বড় অংশই কোম্পানির শেয়ারের ওপর নির্ভরশীল।
আসল সম্পদ শেয়ারে
বিশ্লেষকদের মতে, তার প্রকৃত সম্পদ বেতনের নয়, বরং শেয়ারের মূল্য থেকেই আসে। বর্তমানে তার মালিকানাধীন শেয়ারের মূল্য শত শত বিলিয়ন ডলারের সমান। এই কারণেই কম বেতন হলেও তিনি বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের একজন হিসেবে অবস্থান করছেন।
নিরাপত্তা ও ভ্রমণে বড় খরচ
তবে কোম্পানি তার নিরাপত্তা ও ব্যবসায়িক ভ্রমণের জন্য বড় অঙ্কের ব্যয় করে। গত বছরে এই খাতে প্রায় ১৬ লাখ ডলার খরচ করা হয়েছে। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসব খরচ যুক্তিসংগত এবং প্রয়োজনীয়। কারণ এটি কোম্পানির স্বার্থের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
কোম্পানির নীতি
অ্যামাজনের নীতি অনুযায়ী শীর্ষ নির্বাহীদের বেতন তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়। মূল লক্ষ্য থাকে দীর্ঘমেয়াদি সাফল্য এবং শেয়ারহোল্ডারদের লাভ বৃদ্ধি।
বর্তমান প্রধান নির্বাহী এ্যান্ডি জেসি বছরে প্রায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার ডলার বেতন পান। তবে তার আয়ের বড় অংশও শেয়ারভিত্তিক।
চমকপ্রদ বাস্তবতা
বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি হয়েও এত কম বেতন। এই তথ্য অনেকের কাছেই অবাক করার মতো। তবে তার প্রকৃত সম্পদের উৎস বেতন নয়, বরং কোম্পানির মালিকানা।
সূত্র: ফরচুন
আরটিভি/জেএমএ




