ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মা-মেয়ে হত্যা

৪ দিন আগে চাকরি পান গৃহকর্মী, প্রকাশ্যে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:১৫ এএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের নিজ বাসায় মা ও মেয়েকে ছুরি মেরে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন এক নারী ওই বাসায় চারদিন আগে অস্থায়ী গৃহকর্মী হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন।

আনুমানিক ২০ বছর বয়সী ওই নারী স্বাভাবিকভাবে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে কাজে এসেছিলেন বোরখা পরিহিত অবস্থায়, আর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে যান স্কুলড্রেস পরে কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে। মাঝের সময়টিতেই ওই বাসায় খুন হন মা-মেয়ে, পরে খবর পেয়ে শাহজাহান রোডে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের বিপরীত পাশের আবাসিক ভবনের সপ্তম তলার ওই বাসা থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত লায়লা আফরোজের বয়স ৪৮ বছর। আর তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজের বয়স ১৫ বছর। নাফিসা মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী, আর মা লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিনী। দুজনের শরীরেরই একাধিক স্থানে এলোমেলো ছুরিকাঘাতের চিহ্ন থাকার কথা বলেছে পুলিশ।

মোহাম্মদপুর থানার এক কর্মকর্তা বলেন, হত্যার ঘটনার সময়রেখার সবচেয়ে সেনসিটিভ অংশ ওই দুই ঘণ্টা। কে ভেতরে প্রবেশ করেছে, কে বের হয়েছে—সবই যাচাই করা হচ্ছে। গৃহকর্মী বাদে কেউ বাড়ির পেছন দিয়ে প্রবেশ করেছিলো কিনা, কিংবা ঘটনার সময় বাড়ির সামনে কারো উপস্থিতি রহস্যজনক কিনা আমরা সব তদন্ত করে দেখছি। তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

নিহত মেয়ে নাফিসার বাবা এ জেড আজিজুল ইসলাম পেশায় উত্তরার সানবিমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাকে নিয়ে ওই বাসায় প্রায় ১৩ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তাদের গ্রামের বাড়ি নাটোরে।

আরও পড়ুন

প্রতিদিনের মতো সোমবার সকাল সাতটার দিকে স্কুলের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়ে যান আজিজুল। স্কুলে পরীক্ষা চলমান থাকায় বাসায় ফিরেন তাড়াতাড়ি। বেলা ১১ টার দিকে ফিরে বাসার এসে তিনিই প্রথম স্ত্রী-কন্যার লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশেপাশের বাসিন্দারা বেরিয়ে আসেন, খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

গৃহকর্তা আজিজুল বাসায় এসে প্রথমে দরজায় কড়া নেড়ে কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে, দেখতে পান দরজা খোলা। প্রথমে তিনি প্রবেশ করে ড্রইং রুমে মেয়ে নাফিসার রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন এবং পাশের রুমে একটু দূরে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ দেখতে পান।

বেঁচে থাকতে পারে ধারণা করে অন্যান্য প্রতিবেশিদের সহায়তায় মেয়েকে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন আজিজুল, সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আর পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে লায়লা আফরোজের লাশ উদ্ধার করে।

সরেজমিনে ওই বাসাটিতে গিয়ে দেখা যায়, লিফটের সামনে থেকে বাসার দরজা পর্যন্ত ছোপ ছোপ রক্তের দাগ। দরজা খুলতেই বাসায় আসবাবপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখা গেছে।

পুলিশ বলছে, বাসায় ধস্তাধস্তির আলামত রয়েছে, মেঝেতে এবং দেয়ালে রক্তের দাগ রয়েছে। আলমারি ও ভ্যানিটি ব্যাগ তছনছ অবস্থায় রয়েছে। এ থেকে তাদের ধারণা, বাসা থেকে কিছু খোয়া যেতে পারে।

ভবনের একাধিক সিসিটিভি ভিডিও বিশ্লেষণ করে পুলিশ বলছে, সকাল ৭ টা ৫১ মিনিটে বোরখা পরিহিত অবস্থায় ওই বাসায় প্রবেশ করেন মাত্র চারদিন আগে কাজে যোগ দেওয়া আয়েশা। আর ৯ টা ৩৬ মিনিটে স্কুলড্রেস পরে নির্বিঘ্নে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। ওই স্কুলড্রেসটি ছিল খুন হওয়া নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসার।

ওই বাসা থেকে পুলিশ দুটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে। হত্যাকারী ঘটনার পর বাসার বাথরুমে ফ্রেশ হয়েছেন, এমন আলামত পাওয়ার কথাও বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

এখন পর্যন্ত খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন ওই গৃহকর্মীরই জড়িত থাকার বিষয়টি ধারণা করে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ কমিশনার ইবনে মিজান বলেছেন, ঘটনার আগে-পরে ওই বাসায় একজনের আসা যাওয়াই দেখা গেছে। সিসি ক্যামেরা ফুটেজে আমরা একজনই দেখেছি, পরে দেখব আশেপাশে আরও কেউ ছিল কি না। পরে জানতে পারব তার সাথে আশেপাশে কেউ ছিল কি না।

আজিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের একজন কাজের মহিলার দরকার ছিলো। সাধারণত গেটে অনেকেই কাজের সন্ধানে আসেন। আমরা দারোয়ানকে এমন কেউ আসলে জানানোর কথা বলে রেখেছিলাম। চার দিন আগে একটি মেয়ে কাজের সন্ধানে আসে। বোরকা পরিহিত অবস্থায় ওই মেয়েটি আসলে দারোয়ান তাকে আমাদের বাসায় পাঠিয়ে দেয়৷ এরপর আমার স্ত্রী মেয়েটির সঙ্গে কথা বলে কাজে রেখে দেয়। পরে আমি স্ত্রীর মুখে শুনেছি, মেয়েটার নাম আয়েশা।

আরও পড়ুন

তিনি আরও বলেন, আয়েশা তাদেরকে জানিয়েছে তাদের গ্রামের বাড়ি রংপুরে, জেনেভা ক্যাম্পে চাচা-চাচির সঙ্গে থাকে। বাবা মা আগুনে পুড়ে মারা গেছে, তার শরীরেও আগুনে পোড়ার ক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছে। স্থায়ী গৃহকর্মী না হওয়ায় তার কোন কাজপত্র রাখা হয়নি। কাজ শুরুর পর প্রথম দুইদিন সময় মতোই এসেছে, গতকাল এসেছিল সাড়ে ৯টার দিকে। সোমবার সকাল ৭ টার পর যখন ওই বাসায় যাওয়ার জন্য আসে, স্বাভাবিকভাবেই বাসার নিরাপত্তাকর্মী খালেক তাকে ভেতরে যেতে দেন। কিন্তু বের হওয়ার সময় স্কুলড্রেস পরে যাওয়ার সময় তার মুখে মাস্ক থাকায় গেটে দায়িত্বরত থাকা খালেক চিনতে পারেননি। তারপরেও গেট থেকে বের হওয়ার পর তাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে, সে সপ্তম তলার ‘৭বি’ ফ্ল্যাটে থাকেন বলে চলে যান। সেটি আজিজুলেরই ফ্ল্যাটের নম্বর, সেখানেই গৃহকর্মীর কাজ নিয়েছিলেন আয়েশা।

ঘটনার পর দারোয়ান খালেককে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। সে জানিয়েছে, চারদিন আগে বাসায় কাজের জন্য আসায় মহিলাকে ওই ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। ওই মহিলা তার পূর্বপরিচিত নন।

আরটিভি/এএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
এবার এনসিপির মাহমুদা মিতুকে হত্যার হুমকি
ছাত্রদলকর্মীকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ব্যস্ত সড়কে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা
হাদি হত্যাকাণ্ডে ভারতে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি: ভারতীয় মিডিয়া