পুরান ঢাকার বাগডাসা লেইনের একটি বাসা থেকে হাত-পা বাঁধা ও মুখে পর্দার কাপড় ঢোকানো অবস্থায় এক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, ভাড়া বাসার এক কামরায় ওই ব্যবসায়ী একাই থাকতেন।
নেসার আলী (৫০) নামে ওই কাপড়ের ব্যবসায়ীর বাড়ি যশোরের শার্শার শ্যামলগাছি গ্রামে।
মঙ্গলবার বিকালে বংশাল থানা এলাকায় ওই ব্যবসায়ীর ভাড়া বাসা থেকে লাশ উদ্ধারের তথ্য দেন পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) তালেবুর রহমান।
এটাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে তুলে ধরে তিনি বলেন, “এক কামরার ওই ভাড়া বাসায় সেই ব্যবসায়ী একাই থাকতেন। এটা একটা হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিকভাবে আমরা কয়েকটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছি।”
বংশাল থানার এসআই আব্দুল ওহাব বলেন, পাঁচতলা একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ঘরে থাকতেন নেসার আলী। বাসার মালিক মোহাম্মদ হোসেন বাবু মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সেই বাসায় লাইট জ্বালানো দেখে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরের বাইরে থেকে পর্দা সরিয়ে নিসার আলীকে পা বাঁধা অবস্থায় দেখেন। পরে তিনি ৯৯৯ এ ফোন করেন।
পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই ব্যক্তিকে খাটের ওপর চিৎ হয়ে পড়ে থাকা অবস্থায় পাওয়া যায়। তার হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা এবং মুখে জানালার পর্দা দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল।
সোমবার রাত ১১টা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১টার মধ্যে কোনো সময়ে তাকে হত্যা কার হতে পারে বলে ধারণা দেন এসআই ওহাব।
নিহতের পরিবারের বরাতে পুলিশ বলছে, তিন মাস আগে নয়াবাজার এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে একাই থাকা শুরু করেন নেসার আলী। ইসলামপুরে কাপড়ের ব্যবসা করতে তিনি।
নেসার আলীর এক ছেলে ঢাকা নিউ মডেল কলেজে স্নাতক শেষবর্ষে পড়ছেন। ছেলেটি থাকেন মানিকনগর এলাকায়। হত্যার খবর পাওয়ার পর তিনি ঘটনাস্থলে আসেন।
আরটিভি/কেডি




