ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩

রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ, সার্চলিস্টে আরও একজন

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৮:৫৯ পিএম
রামিসা হত্যার রোমহর্ষক বর্ণনা দিলো পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর পল্লবীতে ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ঘিরে ঘটে যাওয়া নৃশংস হত্যাকাণ্ডে একের পর এক রোমহর্ষক বর্ণনা সামনে আসছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে বাথরুমে আটকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারসহ অজ্ঞাত আরও একজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এই তথ্য জানান।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সংঘটিত এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা নিজের দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। একই ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আসামিদের আদালতে হাজির করার পর সোহেল রানা স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান তার জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন। একই সঙ্গে স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অন্যদিকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ পরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ।

মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, রামিসা পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি।

ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান।

ঘটনাস্থলে স্বপ্নাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায়, তার স্বামী রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে এবং গলা কেটে হত্যা করে। রামিসার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে তার মাথা কাটে।

এছাড়া যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এরপর জানালার গ্রিল কেটে সোহেল রানা পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে অজ্ঞাত আসামি এখনও পলাতক রয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাইস্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত সেখানে গেলেও তার আগেই সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে এরই মধ্যে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া
সংসদীয় আসন ঢাকা-১৭-এর আওতাধীন মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও মহড়ার আয়োজন করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৮টায় কড়াইল বস্তির এরশাদ মাঠে এ প্রশিক্ষণ ও মহড়া শুরু হয়। অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি মোকাবিলা, জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম এবং দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের বিষয়ে সচেতনতা ও জনসাধারণের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মহড়ার আয়োজন করা হয়। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক ও বস্তিবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে আয়োজিত এ মহড়ায় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবহারিক কৌশল প্রদর্শনের পাশাপাশি তাঁদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মহড়ায় প্রথমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার চিত্র প্রদর্শনের পর আকস্মিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের একটি কৃত্রিম পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। জরুরি সংবাদ পাওয়ার পরপরই তেজগাঁও ও কুর্মিটোলা ফায়ার স্টেশনের অগ্নিনির্বাপণ ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কার্যক্রম শুরু করে। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে আহত ও বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিদের উদ্ধার এবং তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহত ব্যক্তিদের ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানোর কার্যক্রমও প্রদর্শন করা হয়। অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমের সমন্বয় ও পরিচালনার জন্য ঘটনাস্থলে একটি কমান্ড পোস্ট স্থাপন করা হয়। পরিস্থিতি মূল্যায়ন, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা, অগ্নিনির্বাপণ কৌশল প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জরুরি সাড়াদান কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরা হয়। মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের সরাসরি প্রশিক্ষণে সম্পৃক্ত করা। এ সময় বস্তিবাসীদের অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার, আগুন লাগলে প্রাথমিক করণীয় এবং এলপিজি গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লাগলে তা নিরাপদে নিয়ন্ত্রণের ব্যবহারিক কৌশল শেখানো হয়। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের জরুরি পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন, দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের সহযোগিতা করার বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট, গ্যাস সিলিন্ডারের অসতর্ক ব্যবহার ও রান্নার চুলা থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পরামর্শ দেওয়া হয়। মহড়া শেষে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বস্তির বিভিন্ন এলাকা ও স্থাপনা পরিদর্শন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতামূলক গণসংযোগ পরিচালনা করেন। এ সময় আগুনসহ যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সহায়তা পেতে হটলাইন নম্বর ১০২-এ যোগাযোগের বিষয়ে প্রচার চালানো হয়। পাশাপাশি বস্তির বিভিন্ন স্থাপনায় ফায়ার সার্ভিসের হটলাইন নম্বর ১০২-সংবলিত স্টিকার লাগানো হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করা হয়, যাতে জরুরি প্রয়োজনে তাঁরা সহজেই নম্বরটি শনাক্ত করতে ও ব্যবহার করতে পারেন। মহড়ায় নেতৃত্ব দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক জনাব মো. ছালেহ উদ্দিন, বিএফএম (বার)। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকার সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান, জোন কমান্ডার জনাব মো. তানহারুল ইসলাম, জনাব ফয়সলুর রহমান ও জনাব মো. আব্দুল মান্নানসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শীত ও শুষ্ক মৌসুমে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বিবেচনায় কড়াইল বস্তিতে পরিচালিত এ মহড়া স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অগ্নিনিরাপত্তাবিষয়ক সচেতনতা বাড়াতে সহায়ক হবে। জনসাধারণকে দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম করে তোলার মাধ্যমে নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল নগর গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আরটিভি/টিআর
মহাখালীর কড়াইল বস্তিতে ফায়ার সার্ভিসের মহড়া
পিএসসির ছাদে বসছে সৌর প্যানেল
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সচিবালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা হচ্ছে। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে ভবনের বিদ্যুৎ চাহিদার একটি অংশ পূরণের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।
পিএসসির ছাদে বসছে সৌর প্যানেল
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বোড়াশী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এম মনির আহমেদ (ননী), গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শরীফ আমিনুল হক লাচ্চু এবং জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সুপারুল আলম (টিকে)। গোপালগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. হাবীবুল্লাহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। আরটিভি/টিআর
গোপালগঞ্জের সাবেক তিন ইউপি চেয়ারম্যান ঢাকায় গ্রেপ্তার
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
ঢাকাতে কেনাকাটার প্রয়োজনে হয়তো প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে কোনো মার্কেটে যাওয়ার আগে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি অবশ্যই জানা থাকা জরুরি। তা না হলে বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
সোনারগাঁও হোটেল ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে পৃথক সময়ে এ দুইটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে হোটেলের এক নম্বর গেটের সামনের রাস্তায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। এদিন  রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের ৩ নম্বর গেটের সামনের সড়কেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটে। তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন জানান, রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের ১ নম্বর গেটের সামনের সড়কে দুর্বৃত্তরা একটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। খবর পেয়ে হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহ পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে, পল্টন থানার ডিউটি অফিসার এএসআই সমাজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা পুলিশ লাইনসের ৩ নম্বর গেটের সামনের সড়কে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। তিনি আরও জানান, ঘটনার পর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তা শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। আরটিভি/টিআর
সোনারগাঁও হোটেল ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
আরও পড়ুন
ফ্রান্সে বিক্ষোভে উত্তাল রাজপথ: গ্রেপ্তার ৪৪৮, আহত ৫৩ পুলিশ
গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে সরকারের প্রতিনিধি: জহির উদ্দিন স্বপন
সোনারগাঁও হোটেল ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ
পদোন্নতি পেলেন ৬৭ পুলিশ পরিদর্শক