জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য ও প্রচার, মিডিয়া সেক্রেটারি এ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, অন্যায়ভাবে ১৪ বছর ধরে কারাগারে বন্দি জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল এটি এম আজহারুল ইসলাম। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারে প্রহসনমূলক ট্রাইব্যুনালকে বিশ্বের কোন দেশ স্বীকৃতি দেয়নি। সেই ট্রাইব্যুনালের আমাদের নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অনতিবিলম্বের এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দিতে হবে অন্যথায় বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামী এদেশের ইসলাম প্রিয় তাওহিদী জনতাকে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। জামাত ইসলামি কোন অপশক্তিকে ভয় পায় না।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে নগরীর কৃষ্ণচূড়া চত্বরে দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটি এম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল কর্মসূচিতে এসব মন্তব্য করেন।
মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, কারাবন্দি নেতার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়েছিলাম। আজকের এই কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করার জন্য। তিনি দেশবাসীকে সালাম ও দোয়া চেয়েছেন।
তিনি বলেন, এই অন্তর্বর্তী সরকারে ক্ষমতা গ্রহণের ছয় মাস অতিবাহিত হলো, অন্যান্য সকল রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি দিলেও এটিএম আজহারুল ইসলামকে মুক্তি দেননি, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যমুনায় এই বিষয়ে আলোচনা করলে তিনি সবকিছু শুনে মুক্তির বিষয়টি আশ্বস্ত করেনে, এছাড়া সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিকবার মুক্তির বিষয়ে কথা বলেছি কিন্তু এতদিন পার হয়ে যাওয়ার পরও কোন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। আমরা বলতে চাই এদেশের ছাত্র জনতা দুই হাজার মানুষের রক্তের বিনিময়ে শেখ হাসিনাকে দেশ থেকে তাড়িয়েছে। এখনো ন্যায় বিচার পাচ্ছি না। অনতিবিলম্বে জামাতের সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দিতে হবে অন্যথায় কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারির কথা বলেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। এটিএম আজহারুল ইসলামের মুক্তির দাবি সংবলিত ফেস্টুন নিয়ে মিছিল করেন তারা।মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টাউন হল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এতে কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও জেলা নায়েবে আমির মো. আব্দুল করিম, কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য ও মহানগরের নায়েবে আমীর মাওলানা কামরুল হাসান এমরুল, মহানগর সেক্রেটারি, অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সার, জেলা নায়েরে আমির অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলন, মহানগর নায়েবে আমির, আসাদুজ্জামান সোহেল, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোজাম্মেল হক, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আল হেলাল তালুকদার প্রমুখ নেতৃত্ব দেন।
আরটিভি/এএএ




