ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

কাজে আসছে না ৫ কোটি টাকার ফগ লাইট, দায় নিচ্ছে না কেউ!

রাজবাড়ী প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট। অথচ এই নৌরুটে শীত এলেই থমকে যায় যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঘন-কুয়াশায় প্রায়ই বন্ধ থাকে ফেরি চলাচল। যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি কমাতে প্রায় এক দশক আগে বসানো ৫ কোটি টাকার ফগ অ্যান্ড সার্চ লাইট আজ কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে কোনো কাজে আসছে না।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটের ১০টি ফেরিতে উন্নত প্রযুক্তির ফগ অ্যান্ড সার্চ লাইট স্থাপন করে। উদ্দেশ্য ছিল-শীত মৌসুমে ঘন-কুয়াশাতেও নিরাপদে ফেরি চলাচল অব্যাহত রাখা। সে সময় প্রকল্পটি ঘিরে বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে একদিনের জন্যও সেই আলো আর নৌপথ দেখাতে পারেনি।

এ রুটের যান ও ফেরি চালক এবং স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের ভাইয়ের ঠিকাদারিতে স্থাপিত ফগ লাইটগুলো শুরু থেকেই মানহীন ছিল। অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো অকেজো হয়ে পড়ে। অনেকের দাবি, এই ফগ লাইট কখনোই কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি। ফলে প্রকল্পটি অকার্যকর হয়ে যায়।

জানা গেছে, কুয়াশার মধ্যে নৌপথে ফেরি সার্ভিস চালু রাখতে ২০১৫ সালে ১০ টি ফেরিতে পরীক্ষামূলকভাবে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ‘ফগ লাইট’ স্থাপন করেছিল নৌ মন্ত্রণালয়। সাড়ে সাত হাজার কিলোওয়াটের প্রতিটি ফগ লাইটের ক্রয় বাবদ খরচ ধরা হয়েছিল অর্ধ-কোটি টাকার ওপরে। কিন্তু স্থাপনের পর থেকেই মূল্যবান ওই ফগ লাইটগুলো বিকল হয়ে আছে।

চলতি বছর শীত মৌসুমে ১২০ ঘণ্টা ফেরি অচল, ঘন কুয়াশার কারণে এই নৌরুটে প্রায় ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে উভয় ঘাটে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্স, পণ্যবাহী যানসহ হাজারো যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে পড়ে। যাত্রীদের মধ্যে দেখা দেয় চরম ভোগান্তি অসুস্থ রোগী পরিবহনে সৃষ্টি হয় মারাত্মক ঝুঁকি।

দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের দাবি, যাত্রী, চালক ও স্থানীয়দের দাবি, অকার্যকর ফগ লাইট প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত এবং দ্রুত মেরামতের মাধ্যমে নৌরুটে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা হোক। নচেৎ প্রতিবছর শীত এলেই দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌরুটে অচলাবস্থা আর দুর্ভোগ যেন অনিবার্য নিয়তি হয়েই থাকবে।

এর আগে, ঘন-কুয়াশার কারণে প্রায় টানা পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে চারটার দিকে কুয়াশার ঘনত্ব বেড়ে যাওয়ায় নৌপথে দৃশ্যমানতা কমে গেলে যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।

কুয়াশার ঘনত্ব কমে আসায় গত ৬ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ১৫টি ফেরি দিয়ে পুনরায় পারাপার শুরু হয়। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় ঘাট এলাকায় আটকে পড়া যানবাহন ও যাত্রীরা স্বস্তি ফিরে পান। তবে টানা ৫/৭ ঘণ্টা করে ফেরি চলাচল প্রায়ই বন্ধের কারণে দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে মহাসড়কের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়।

আরও পড়ুন

যেসব ফেরিতে ফগ লাইট স্থাপন করা হয়েছিল, সেগুলোর মধ্যে রো রো ফেরির এক মাস্টার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইনচার্জ (মাস্টার) বলেন, কয়েক বছর আগে ১০টি ফেরিতে কুয়াশার ফগ লাইট স্থাপন করা হয়। এক দিন পরই এই ফেরির লাইট নষ্ট হয়ে যায়। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত সমাধান হয়নি।

এ ছাড়া এই লাইট দিয়ে ভারি বা মাঝারি কুয়াশার মধ্যেও চলাচল করা যায় না। সাধারণ হালকা কুয়াশা হলে সেটা কিছুটা কাজে লাগে। এর চেয়ে পুরনো সার্চ লাইটগুলোই অনেক কার্যকর।

গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস বলেন, এ বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিনের সঙ্গে কথা বলুন। আর বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন বলেন, এ বিষয়টি মূলত কারিগরি বিভাগের।

তিনি আরও জানান, ফগ লাইটের বিষয়ে দৌলতদিয়া প্রান্তে কোনো কাগজপত্র বা ফাইল নেই। এ বিষয়ে আপনাকে দেওয়ার মতো কোন তথ্য আমার কাছে নেই। আপনি কারিগরি, নৌ ও টেকনিক্যাল বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

অন্যদিকে কারিগরি বিভাগের দাবি, জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই কুয়াশায় ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। ঘন-কুয়াশায় দৃশ্যমানতা একেবারে শূন্যের কাছাকাছি নেমে গেলে নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না।

নৌপথ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নৌরুটে আধুনিক নেভিগেশন সিস্টেম, কার্যকর ফগ লাইট ও বিকল্প প্রযুক্তি চালু করা জরুরি। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়হীনতা ও জবাবদিহির অভাবে বছরের পর বছর ধরে একই সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।  তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নির্ধারিত কর্মসূচি পালনের পরিবর্তে কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও)। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে শিক্ষকদের এমন ভ্রমণে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে বিশেষ কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন না করে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শিক্ষকরা নিজেরাই অনুপস্থিত। এতে তাদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  এক অভিভাবক বলেন, আমাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে আসতে বলা হয়েছে, অথচ শিক্ষকরা নিজেরাই বিদ্যালয়ে না এসে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। এটা কেমন কথা? শিক্ষকদের এমন দায়িত্বহীনতা মেনে নেওয়া যায় না। জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর বিকেলে সদরপুর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। তাদের এ ভ্রমণ শেষ হবে ৯ নভেম্বর সকালে।  ভ্রমণে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা হলেন— চর বিষ্ণুপুর কলাডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লুৎফুন্নেছা, জরিপের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নওরোজ আল ফারুকী, ৩২ নম্বর ডিক্রীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বাবুল, আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান, নলেটেক-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কবির উদ্দিন মোল্লা, চর বলাসিয়া মোল্লা গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, রাজারচর ওযাবউল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জিন্নাত আলী এবং হাকিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এটিএম আইয়ুব আলী। ভ্রমণে অংশ নেওয়া সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন— মধ্য চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আমিনুল, মুন্সি চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, নতুন সাহেবের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আজাহার, পশ্চিম রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহবুব হাসান, বালিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সজিব, চর গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাকির হোসেন, সতের রশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আনোয়ার হোসেন ও সাইফুজ্জামান, চর বিষ্ণুপুর চৈতের কোলপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালাম, সুকদেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মনির হোসেন, হকিয়তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জালাল, ৩২ নম্বর ডিক্রীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আব্দুল কুদ্দুস, দক্ষিণ চর ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবু সাইদ এবং বৈদ্য ডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহমুদুল হাসানসহ আরও ২০ জন। এ ছাড়া ভ্রমণে রয়েছেন— সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান। তিনি আকোটেরচর ও সদরপুর ক্লাস্টারের দায়িত্বে আছেন। অন্য কর্মকর্তা ঝিল্লুর রহমান চর নাসিরপুর ক্লাস্টারের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা এবং রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের কথা রয়েছে। নিয়মিত পাঠদান বন্ধ থাকলেও এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়গুলোতে নির্ধারিত কর্মসূচি কীভাবে পালিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, তারা গাড়িতে ‘শিক্ষা সফর’ লেখা ব্যানার লাগিয়েছেন। কিন্তু তারা তো পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। শিক্ষা সফরে সাধারণত শিক্ষার্থীরা যায়। শিক্ষকরা পরিবার নিয়ে ভ্রমণে গেলে সেটিকে শিক্ষা সফর বলা কতটা যৌক্তিক? আমরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে সরকারি কর্মসূচি পালন করছি, আর তাঁরা আনন্দ ভ্রমণে ব্যস্ত। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও ঝিল্লুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান বলেন, তারা প্রতিবছরই ভ্রমণে যান। অনেক আগেই তাঁরা ভ্রমণের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। আমি প্রজ্ঞাপনটি পেয়েছি ৫ তারিখ বিকেল ৩টার দিকে। ওই দিন জেলায় আমার একটি সভা ছিল। এরপরও বিষয়টি তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানিয়ে দিয়েছি। কিন্তু অবহিত করার পরও তাঁরা ভ্রমণে গেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন বলেন, এটি তাদের নিজস্ব দায়িত্বের বিষয়। তাদের ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। এ জন্য আমার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ারও প্রয়োজন নেই। তবে ভ্রমণের নিরাপত্তার জন্য তাঁরা গত ৪ নভেম্বর একটি আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আমি ওই আবেদনে স্বাক্ষর করে দিয়েছি। আরটিভি/এসআর
ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
শেরপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
শেরপুরে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শেরপুর পৌর শাখা।
শেরপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে অব্যাহত দরপতনে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। এতে লোকসানের আশঙ্কায় হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন করছেন না অনেকে। জেলার ২২টি হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর প্রায় ৪৫ শতাংশ এখনো পড়ে রয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর সংরক্ষণ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আলু বিক্রি করতে না পারলে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকদের বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!
কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হলের কেয়ারটেকার মনসুর আলীকে (৬০) হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছুরি নয় কাচি দিয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয় এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমান জাতির স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকবেন।
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
রাজবাড়ীতে পোস্ট অফিসের দেড় কোটি টাকা আত্মসাৎ: ৭ আসামি কারাগারে
রাজবাড়ীতে মানবপাচার মামলায় দুই আসামির যাবজ্জীবন
খাবার না পেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির হামলা: আহত আরেক বাবুর্চির মৃত্যু
খাবার না পেয়ে মাদরাসার বাবুর্চিকে পিটিয়ে হত্যা করল মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি