ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

১০ লাখ টন পণ্য আটকে ভাসমান গুদাম তৈরি, নেপথ্যে বড় সিন্ডিকেট

সাইফুল মাহমুদ, স্টাফ রিপোর্টার (চট্টগ্রাম)

প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
গুগল এলএম নোটবুক ব্যবহার করে তৈরি গ্রাফিক্স। আরটিভি

রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ছয়টি বড় আমদানিকারকসহ একটি সিন্ডিকেট গভীর সমুদ্র থেকে আনা খাদ্যপণ্য খালাস না করে লাইটার জাহাজে আটকে রেখে বাজার অস্থির করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় ১০ লাখ টন গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনি লাইটার জাহাজে রেখে কার্যত ভাসমান গুদাম তৈরি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দরের আউটার অ্যাঙ্করেজ এলাকায় বর্তমানে প্রায় ৭২০টি লাইটার জাহাজ ভাসমান অবস্থায় রয়েছে।

পণ্য খালাস না হওয়ায় একদিকে লাইটার জাহাজের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে রমজানকে সামনে রেখে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এতে আমদানিকারকদের খরচ বাড়ছে, যার চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়ছে।

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে পণ্য আটকে রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে, যাতে চাহিদা বাড়ার সময় দাম বাড়ানো সহজ হয়। এতে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে।

আরও পড়ুন

খাতুনগঞ্জ আড়তদার সমিতির সাবেক সভাপতি সোলাইমান বাদশা বলেন, সরকার যদি বিষয়টি কঠোরভাবে দমন না করে, তাহলে নিত্যপণ্যের দাম বাড়বেই। পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য বাজারে না এলে সংকট তৈরি হবে, আর সংকট মানেই বাজারে অস্থিরতা।

এদিকে লাইটার জাহাজে দীর্ঘদিন পণ্য আটকে রাখার প্রবণতা ঠেকাতে নৌ পরিবহন অধিদপ্তর পাঁচ দিনের মধ্যে পণ্য খালাসের নির্দেশ দিয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, পণ্য নিয়ে কোনো জাহাজ অকারণে বসে আছে কি না, তা নিয়মিত নজরদারিতে আনা হয়েছে। চার–পাঁচ দিন ধরে আউটার অ্যাঙ্করেজে বসে থাকা জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে অভিযানের ফলে এ ধরনের প্রবণতা অনেকটাই কমেছে।

প্রতিবছর রমজান এলেই নানা কৌশলে পণ্যের দাম বাড়ানোর অভিযোগ ওঠে। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ ভোক্তারা। বাজার স্বাভাবিক রাখতে এখনই সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরটিভি/এএএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চবি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০ লাখ টাকার অ্যাম্বুলেন্স দিল চাকসু
একই দিনে দুই বিমানবন্দরে সোনা ও আইফোন জব্দ
খালেদা জিয়াকে নিয়ে চাকসু ভিপির ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও, তদন্ত চায় ছাত্রদল