ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজনৈতিক সহিংসতার নির্মম শিকার: মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন যুবদল নেতা নবাব পিটার

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম
নিজ বাড়িতে অসুস্থ যুবদল নেতা নবাব পিটার : ছবি আরটিভি

ভোলার চরফ্যাশনে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন পার করছেন যুবদল নেতা নবাব পিটার। একসময় সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত থাকলেও এখন তিনি নিঃশব্দ যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছেন। নবাব পিটার ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার অসুস্থতার পর পুরো পরিবার পড়েছে চরম সংকটে।

নবাব পিটার চরফ্যাশন উপজেলা হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রয়াত আব্দুল মালেক ফরাজির ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের নভেম্বরে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নবাব পিটারের নিজ বাড়িতে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

আরও পড়ুন

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার এই হামলায় প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে বেধড়ক মারধর করে। হামলায় তার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে, বিশেষ করে গলার অংশে মারাত্মক ক্ষতি হয়। পরবর্তীতে সেই আঘাত জটিল কণ্ঠনালীর সংক্রমণে রূপ নেয়। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন না। তীব্র ব্যথা ও সংক্রমণে ভুগছেন। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, তার সুস্থতার জন্য উন্নত ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা অপরিহার্য।

নবাবের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, স্বামীর চিকিৎসা করানোর মতো আর কোনো সামর্থ্য আমাদের নেই। প্রতিদিন ওকে এই অবস্থায় দেখে খুব কষ্ট হয়। চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে আমরা প্রায় সর্বস্বান্ত। অনেক সময় ওষুধ কেনার টাকাও জোগাড় করতে পারি না। দিন দিন উনার জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেন জানান, পরিবারটির খোঁজ নিয়ে সমাজসেবা দপ্তর থেকে সহযোগিতা করা হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
আবারও প্রশ্নবিদ্ধ বরখাস্ত হওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: এনসিপিতে পদ পাওয়া সেই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বরখাস্ত
সরকারি চাকরিতে থেকে এনসিপির কমিটিতে পদ, সেই কর্মকর্তাকে শোকজ
দুই শতাধিক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে মানববন্ধন