ভোলার চরফ্যাশনে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে মানবেতর জীবন পার করছেন যুবদল নেতা নবাব পিটার। একসময় সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত থাকলেও এখন তিনি নিঃশব্দ যন্ত্রণায় দিন কাটাচ্ছেন। নবাব পিটার ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার অসুস্থতার পর পুরো পরিবার পড়েছে চরম সংকটে।
নবাব পিটার চরফ্যাশন উপজেলা হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা প্রয়াত আব্দুল মালেক ফরাজির ছেলে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের নভেম্বরে রাজনৈতিক বিরোধের জেরে নবাব পিটারের নিজ বাড়িতে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার এই হামলায় প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে বেধড়ক মারধর করে। হামলায় তার শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে, বিশেষ করে গলার অংশে মারাত্মক ক্ষতি হয়। পরবর্তীতে সেই আঘাত জটিল কণ্ঠনালীর সংক্রমণে রূপ নেয়। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন না। তীব্র ব্যথা ও সংক্রমণে ভুগছেন। দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, তার সুস্থতার জন্য উন্নত ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা অপরিহার্য।
নবাবের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, স্বামীর চিকিৎসা করানোর মতো আর কোনো সামর্থ্য আমাদের নেই। প্রতিদিন ওকে এই অবস্থায় দেখে খুব কষ্ট হয়। চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে আমরা প্রায় সর্বস্বান্ত। অনেক সময় ওষুধ কেনার টাকাও জোগাড় করতে পারি না। দিন দিন উনার জীবন আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মামুন হোসেন জানান, পরিবারটির খোঁজ নিয়ে সমাজসেবা দপ্তর থেকে সহযোগিতা করা হবে।
আরটিভি/এমএম




