ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সেতুর পাটাতন ভেঙে মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৭ পিএম

সুনামগঞ্জের পাগলা-জগন্নাথপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ইছাগাঁও এলাকার নলজুর নদের কাটাগাঙ্গের ওপর বেইলি সেতুর পাটাতন আবারও ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সেতুর পাটাতন ভেঙে যাওয়ায় ওই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ফলে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সুনামগঞ্জে আসা যানবাহন আটকা পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীসাধারণ।

আরও পড়ুন

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সুনামগঞ্জ-ঢাকা আঞ্চলিক এ মহাসড়কের বেইলি সেতুর দুটি পাটাতনের জোড়া খুলে নিচের দিকে দেবে গেছে। নিচের অংশের স্টিলও ভেঙে গেছে। সেতুর উভয়পাড়ে বড় বড় পরিবহনের কয়েকটি গাড়ি আটকা পড়েছে।

পাবনা থেকে আসা নিজাম উদ্দিন নামের এক শ্রমিক বলেন, তারা ৩৮ জনের একটি দল ধান কাটার জন্য সুনামগঞ্জে যাচ্ছিলেন। সেতুটি ভাঙার কারণে এখন মাথায় করে তাদের মালামাল বহন করতে হচ্ছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা।

সিএনজি চালক সুহেল মিয়া বলেন, গত চার বছর ধরে দুই দিন পরপর সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যায়, খুলে যায়। ফলে এ সড়কে চলাচলকারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কবে যে এ দুর্ভোগ শেষ হবে, কেউ জানে না।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, মেরামত কাজের জন্য লোক পাঠানো হয়েছে। নতুন সেতু নির্মাণে দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে ফাইল মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই মধ্যে কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য, সুনামগঞ্জ-পাগলা-জগন্নাথপুর-আউশকান্দি-ঢাকা আঞ্চলিক এ মহাসড়কে জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও নামক স্থানে বহমান নলজুর নদীর ওপর (কাটাগাঙ্গ) ২০১২ সালে একটি বেইলি সেতু নির্মাণ করা হয়। পরে ২০১৭ সালের ১৩ জুন সেতুটির দক্ষিণ অংশের অ্যাপ্রোচের মাটি ধসে গর্তের সৃষ্টি হয়। একই বছরের ১৩ জুলাই আবার মাটি ধসে একই স্থানে দ্বিতীয়বার গর্তের সৃষ্টি হলে অ্যাপ্রোচে অতিরিক্ত স্টিল দিয়ে মেরামত কাজ করা হয়। পরে ২০২২ সালের ১৫ জুলাই সেতুটির উত্তর অংশের অ্যাপ্রোচের মাটি ধসে গর্তের সৃষ্টি হলে আবারও মেরামত করা হয়।

২০২৩ সালের ২২ আগস্ট সেতুটি ভেঙে সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রাক ডুবির ঘটনায় চালক ও তাঁর সহকারী নিহত হন। ওই সময় এক সপ্তাহ এ সেতু দিয়ে যানচলাচল বন্ধ ছিল। পরে সেতুটির দুই মাথায় টাঙিয়ে দেওয়া হয় সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড। ঘোষণা করা হয় ঝুঁকিপূর্ণ সেতু। তবুও প্রতিনিয়ত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভারী যানবাহন চলাচল করছে। এতে কয়েক দিন পরপর সেতুটির পাটাতন ভেঙে যানচলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
অবশেষে বাঁধের কাজের অর্থ আত্মসাতকারীর পরিচয় মিলল
প্রবাসীর স্ত্রীকে ৬ টুকরা করে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড
মহিলা সমিতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতাহাতি
পূজায় নতুন জামা নয়, বাবাকে খুঁজছে এই শিশুরা!