ঢাকা মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

বাজারেই ঘুরছে বিশাল বিশাল গুইসাপ, গড়ে তুলেছে মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদর বাজারের পাশের একটি জলাশয়ের তীরজুড়ে অবাধে বিচরণ করছে বিশালাকৃতির বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী গুইসাপ। এই এলাকায় এখন প্রায় দুই শতাধিক গুইসাপের বসবাস, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয়দের কাছে বাজারের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে এগুলো।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, বাজার সংলগ্ন খালের তীরজুড়ে সারাদিন দলবদ্ধভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশালাকৃতির গুইসাপগুলো। বাজারের দোকান থেকে ফেলে দেওয়া পচা মাছ, মরা মুরগি, এমনকি জবাই করা গরুর হাড় ও ভুঁড়িই তাদের প্রধান খাদ্য।

বাজারের ব্যবসায়ীরা গণমাধ্যমকে জানান, গুইসাপগুলো মানুষের কোনো ক্ষতি করে না। বরং বাজারে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে এখন আর কেউ তাদের তাড়িয়ে দেয় না, বরং নিরাপদে বসবাস করতে দিচ্ছে।

আরও পড়ুন

স্থানীয় বাসিন্দারা গণমাধ্যমকে জানান, মাঝে মধ্যে গুইসাপগুলো আশপাশের বাড়ির উঠানেও চলে যায়। তবে এগুলো সম্পূর্ণ নিরীহ হওয়ায় কারও মধ্যে তেমন ভয়ের সৃষ্টি করে না। এলাকাবাসী তাদের উপস্থিতিকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছে।

সদরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সব্যসাচী মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, গুইসাপ মানুষের জন্য ক্ষতিকর না। এদের সাপের মতো বিষ নেই।

পরিবেশবিদদের মতে, এমন প্রাণীর উপস্থিতি একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্রেরই ইঙ্গিত বহন করে। তাই এই গুইসাপগুলোকে রক্ষা করা এবং তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।

উপকারী প্রাণী গুইসাপের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার জন্য সদরপুরের মানুষের প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা জোহরা মিলা। তিনি জানান, বাংলাদেশে তিন ধরনের গুইসাপের দেখা মেলে। এর মধ্যে রামগদি বা কালো গুই আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম গুইসাপ। এটি দৈর্ঘ্যে ৭ থেকে ৯ ফুট এবং ওজন ২৫ কেজিরও বেশি হতে পারে। এদের আলাদা করা কিছুটা কঠিন, তাই সব কটি প্রজাতিই মানুষের কাছে গুইসাপ নামে পরিচিত। এই প্রাণীটি এলাকাভেদে তারবেল, গুইল, ঘোড়েল ইত্যাদি নামেও পরিচিত।

তিনি বলেন, গুইসাপ শান্ত স্বভাবের প্রাণী। এরা সাধারণত মাটির গর্ত, গাছের কোটর, পুরোনো দেয়ালের ফাটল কিংবা পরিত্যক্ত ইটভাটায় বাস করে। প্রাণীটি দিবাচর, তাই দিনে শিকার করে এবং রাতে বিশ্রাম নেয়। সাধারণত বিষধর সাপ ও সাপের ডিম, মৃত মাছ, ব্যাঙ, কাঁকড়া, শামুক এবং পচা-গলা প্রাণী খায়। তবে ধানক্ষেতের ইঁদুর ও ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের উপকার করে বলে গুইসাপকে ‘কৃষকের বন্ধু’ও বলা হয়। এরা দ্রুত গাছে উঠতে পারে এবং সাঁতারেও অত্যন্ত দক্ষ। তাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে জলাভূমির আশপাশে এদের আবাসস্থল দেখা যায়।

গুইসাপ অত্যন্ত উপকারী প্রাণী; কিন্তু মানুষ অকারণেই এর সঙ্গে শত্রুতা করে—এমন মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, গুইসাপের সংখ্যা কমে যাওয়া মানুষের জন্য ভালো কিছু নয়। প্রাণীটি কমে গেলে পরিবেশে ফসলের জন্য ক্ষতিকর পোকামাকড় বাড়বে, ইঁদুরের উৎপাত বাড়বে এবং বিষাক্ত সাপের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। তা ছাড়া পচা-গলা প্রাণিদেহ খেয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়া থেকেও রক্ষা করে। তাই গুইসাপের ক্রমহ্রাসমান অবস্থার কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্য রোগজীবাণুর ঝুঁকির মধ্যেও পড়ছে।

মিলা জানান, আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) গুইসাপের তিনটি প্রজাতির মধ্যে রামগদি বা কালো গুইকে ‘সংকটাপন্ন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ১৯৯০ সালে গুইসাপ হত্যা নিষিদ্ধ করা হয়। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী গুইসাপ সংরক্ষিত প্রাণী। তাই এটি হত্যা, শিকার বা কোনো ধরনের ক্ষতি করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট, নষ্ট প্রায় ৮ হাজার
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় দুই বছর ধরে চলছে পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট। বর্তমানে উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার মিটার নষ্ট থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। নষ্ট মিটার সময়মতো পরিবর্তন না হওয়ায় অনেক গ্রাহককে গড় বিলের আওতায় রাখা হচ্ছে। এতে প্রকৃত ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। নেত্রকোনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কেন্দুয়া জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক, সেচ ও শিল্প খাতে উপজেলায় গ্রাহকের সংখ্যা ৯০ হাজারের বেশি। প্রায় দুই বছর আগে থেকে মিটারের সংকট শুরু হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সময়ের সঙ্গে সংকট আরও তীব্র হয়েছে। গত বছর নষ্ট মিটারের সংখ্যা ছিল ৬ হাজারের বেশি, যা বর্তমানে বেড়ে প্রায় ৮ হাজারে দাঁড়িয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। কেন্দুয়া সাউধপাড়া এলাকার গ্রাহক নয়ন মিয়ার অভিযোগ, মিটার নষ্ট হওয়ার পর পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেও দীর্ঘদিনেও প্রতিকার মিলছে না। প্রতি মাসে গড় হিসাবের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হচ্ছে। কোনো কোনো মাসে আগের তুলনায় দ্বিগুণ বা তারও বেশি বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। একদিকে বাড়তি বিলের চাপ, অন্যদিকে মিটার পরিবর্তনের জন্য মাসের পর মাস বিদ্যুৎ অফিসে ধরনা দিতে হচ্ছে তাঁদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গ্রাহক জানান, মিটার নষ্ট হওয়ার পর অফিসে যোগাযোগ করলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের তথ্য নিয়ে গড় বিল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। এরপর সেই হিসাবেই মাসিক বিল তৈরি করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন মিটার পরিবর্তন না হওয়ায় গড় বিল ব্যবস্থাই এখন অনেকের জন্য নতুন ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ নিয়ে প্রতিদিনই বিদ্যুৎ অফিসে এসে অভিযোগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছেন গ্রাহকেরা। অতিরিক্ত বিল নিয়ে কোনো কোনো গ্রাহকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কথাকাটাকাটির ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে। গ্রাহকদের দাবি, দ্রুততম সময়ে নষ্ট মিটার পরিবর্তন করে প্রকৃত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ভিত্তিতে বিল নির্ধারণ করা হোক। কেন্দুয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ওমর ফারুক বলেন, “মিটার সরবরাহ পাওয়ার পর জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় সেচ ও শিল্প গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে মিটার পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগির এ পরিস্থিতির অবসান হবে।” আরটিভি/টিআর
পল্লী বিদ্যুতের মিটার সংকট, নষ্ট প্রায় ৮ হাজার
হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর, হাসপাতালে ভাঙচুর
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফাতেমা হাসান রিমি নামে দুই মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ তুলে হাসপাতালটিতে ভাঙচুর চালিয়েছেন শিশুটির স্বজনেরা। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত পৌনে ৮টা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতাল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যান চাটখিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মোন্নাফ। নিহত রিমি উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের বক্তারপুর মুন্সিমিয়া চৌকিদার বাড়ির রবিউল হাসান ও উম্মে সালমা দম্পতির সন্তান। নিহতের স্বজনেরা জানান, সোমবার দুপুর ২টার দিকে হামে আক্রান্ত রিমিকে চিকিৎসার জন্য চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এ সময় শিশুটির হামে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট কর্তব্যরত চিকিৎসককে দেখানো হয়। পরে কর্তব্যরত নার্স শিশুটিকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেন। ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়ার কিছুক্ষণ পর রিমির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একপর্যায়ে অক্সিজেনের প্রয়োজন হলে হাসপাতালে অক্সিজেন নেই বলে জানানো হয়। পরে আনুমানিক ৩টার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয়। শিশুটির মা উম্মে সালমার অভিযোগ, চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসা ও অবহেলার কারণেই তাঁর মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্বজনেরা হাসপাতালের ভেতরে ও বাইরে ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে চাটখিল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিহত শিশুর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ইউএনও ও ওসি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তাঁরা। চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহরিন আক্তার বলেন, শিশুটি গত এক মাস ধরে অসুস্থ ছিল এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে শিশুটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্যালাইন চলার সময় শিশুটির মা তাকে বুকের দুধ খাওয়ালে তা শ্বাসনালিতে আটকে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান। শিশুটি নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের মতো ছিল। তবে সে হামে আক্রান্ত ছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, শিশুর মৃত্যুর পর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। এতে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। চাটখিল থানার ওসি আবদুল মোন্নাফ বলেন, নিহত শিশুর স্বজনেরা থানায় এসেছেন। তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাটখিল ইউএনও মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যাওয়ার আগে নিহত শিশুর স্বজনেরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালিয়েছেন। আরটিভি/টিআর
হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুর মৃত্যুর, হাসপাতালে ভাঙচুর
গেজেটে ফিরলেন ইতিহাসে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা
সোমবার (৫ অক্টোবর) ৪৯তম বিসিএসের বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়োগসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান হলো নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের কুখাপাড়া গ্রামের কৃষক পরিবারের সন্তান সোহেল রানার।
গেজেটে ফিরলেন ইতিহাসে প্রথম হওয়া নীলফামারীর সোহেল রানা
অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, যুবককে আটক করে গণপিটুনি
পাবনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টার অভিযোগে সুখচাঁদ হোসেন (২৮) নামের এক যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া এলাকায় তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে চাটমোহরে নিয়ে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন চালকেরা। আটক সুখচাঁদ পাবনার বেড়া উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের আরিফুল হোসেনের ছেলে। চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ ও অটোরিকশাচালকেরা জানান, সোমবার বিকেলে চাটমোহর পৌর সদরের জারদিস মোড় থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ফরিদপুর যাওয়ার জন্য রিজার্ভ করেন সুখচাঁদ। পরে ফরিদপুর উপজেলার বেড়হাউলিয়া এলাকায় গিয়ে গাড়ি থামিয়ে আরও যাত্রী উঠবে বলে চালককে জানান তিনি। একপর্যায়ে চালককে লাথি-ঘুষি মারেন এবং চাকু দিয়ে আঘাতের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে চাটমোহরের কয়েকজন পরিচিত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক এগিয়ে গিয়ে সুখচাঁদকে আটক করেন। পরে তাকে চাটমোহরের জারদিস মোড়ে নিয়ে গেলে স্থানীয় জনতা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। এরপর পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিউর রহমান জানান, মামলা হলে অটোরিকশাটি জব্দ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, এ কারণে তারা মামলা করতে রাজি হননি। তবে আটক সুখচাঁদ হোসেনকে পাবনা আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা, যুবককে আটক করে গণপিটুনি
হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় দুটি হত্যা মামলাসহ ১১টি মামলার এক আসামিকে ৯৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার। এর আগে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণবহর এলাকায় সিরাজের বাড়ির টিনের ঘরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. নুরুল ইসলাম মিয়া ওরফে মিয়া ডাকাত (৫৪)। তিনি উপজেলার পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণবহর এলাকার মৃত এলাহি বক্সের ছেলে। পুলিশ জানায়, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় দুটি হত্যা মামলাসহ মোট ১১টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি পাঁচটি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়নের সূর্যনারায়ণবহর এলাকায় সিরাজের বাড়ির টিনের ঘরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় তার দেহ তল্লাশি করে ৯৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, গ্রেপ্তার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সুধারাম থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। আরটিভি/টিআর
হত্যাসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার
আরও পড়ুন
পোল্ট্রি ফার্মের দুর্গন্ধে ‘প্রাণ ওষ্ঠাগত’ শিক্ষার্থীদের
মাটির অবয়বে ফুটছে দেবীর রূপ, দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে
উদ্বোধনে দাওয়াত না পেয়ে ক্ষুব্ধ মাতবর, স্কুলছাড়া ৩০ শিশু
আশ্রয়ণ প্রকল্পে ৫২ ঘরের ৩৭টিই পরিত্যক্ত