ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমনের দাফন হবে জামালপুরে

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে নিহত শিক্ষার্থী লিমন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার নিহত শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের জানাজা ও দাফন সোমবার (৪ মে) অনুষ্ঠিত হবে তার গ্রামের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের লালডোবা গ্রামে।

আজ মাগরিবের পর তাকে দাফন করা হবে। ইতোমধ্যে তার মরদেহ ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লিমনের চাচা সুজন আহমেদ।

তিনি জানান, আজ সকাল ৮টা ৪০ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লিমনের মরদেহ ঢাকা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। মরদেহ গ্রহণের জন্য তার বাবা-মা, আত্মীয়রা বিমানবন্দরে গেছেন। মরদেহ গ্রহণের পর প্রথমে গাজীপুরের মাওনায় তাদের বাসায় নিয়ে যাওয়ার পর জানাজা হবে। পরে লিমনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে মাগরিবের পর ২য় জানাজা শেষে দাফন করা হবে।

তিনি আরও জানান, নিজ বাড়িতে জানাজা ও দাফন হবে তাই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। জানাজা শেষে তাদের পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হবে।

এদিকে তার বিদায় বেলায় আত্মীয় স্বজনরা বাড়িতে যেতে শুরু করেছেন, অনেকে তার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকাসহ অন্যান্য জায়গা থেকে বাড়িতে গেছেন। ইতোমধ্যে অনেক উৎসুক লোকজন বাড়িতে ভিড় করছেন। তবে তাদের পারিবারিক লোকজন এলাকাবাসীসহ বহু মানুষ লিমনের জানাজায় অংশ নেবেন বলে আশা করছেন।

আরও পড়ুন

গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লিমনের বাবা জহুরুল হক ১৯৯৪ সালে পরিবার নিয়ে ঢাকায় চলে যান। এরপর থেকে তারা ঢাকাতেই থাকেন সেখানে একটি টেক্সটাইল কারখানায় চাকরি করেন। মাঝে মধ্যে তারা গ্রামের বাড়ি যান।

মেধাবী শিক্ষার্থী লিমন ২০১৪ সালে গাজীপুরের মাওনা মডেল হাইস্কুল থেকে এসএসসি ও ২০১৬ সালে বীরশ্রেষ্ঠ আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। এরপর খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স শেষ করেন। ২০২৪ সালে জুলাই মাসের দিকে পিএইচডি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভর্তি হন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
জামালপুরে ২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তিনদিন ঝোপে পড়ে ছিলেন গৃহবধূ, দুর্গন্ধে মিলল মরদেহ
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ের পিঁড়িতে ফিনল্যান্ডের যুবক
বাসচাপায় একসঙ্গে প্রাণ গেল শাশুড়ি-পুত্রবধূর