ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

‘সরকারি ক্লিনিকে ট্যাবলেট বা কনডম চাইলে দেয় স্যালাইন’

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার গোপালনগরসহ বিভিন্ন গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে ওষুধ সরবরাহ না থাকায় সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে রোগীরা খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।

গোপালনগর গ্রামের এক গৃহবধূ অভিযোগ করে বলেন, প্রায় এক বছর ধরে ক্লিনিকে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু ওরস্যালাইন ও কিছু সাধারণ ট্যাবলেট দেওয়া হলেও প্রয়োজনীয় ওষুধ মেলে না। বিশেষ করে গর্ভনিরোধক সামগ্রী যেমন “সুখী ট্যাবলেট”, কনডম ও ইনজেকশনও অনুপস্থিত থাকায় নারীরা সমস্যায় পড়ছেন বলে তিনি জানান।

একই এলাকার আরেক গৃহবধূ জানান, গ্রামের নারীরা অল্পশিক্ষিত হওয়ায় বেশি বেশি সন্তান নিয়ে থাকে। অনেক নারী গর্ভনিরোধের জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকে যায় সুখী ট্যাবলেট, কনডম কিংবা ইনজেকশন নেওয়ার জন্য। কিন্তু ক্লিনিকে গিয়ে এসব কিছুই তারা পায় না। পরে বাইরের ফার্মেসি থেকে টাকা দিয়ে কিনে আনতে হয়।

কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার সাদিয়া আক্তার জানান, ২০২৫ সালের ১৯ আগস্টের পর থেকে ক্লিনিকে নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আগে ২২ ধরনের ওষুধ সরবরাহ থাকলেও বর্তমানে শুধু সীমিত কিছু ওষুধ যেমন আয়রন, ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট, নিউমাইসিন ক্রিম ও ওরস্যালাইন পাওয়া যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ওষুধ না থাকায় প্রতিদিনই রোগীরা সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।

সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহজাহান কবীর জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকাস্থ কেন্দ্র থেকে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে এবং সরবরাহ পেলেই ক্লিনিকগুলোতে বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন

এদিকে ময়মনসিংহ জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন জানান, জেলার প্রায় ৫০০ কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে কর্মীদের বেতন ও ওষুধ সরবরাহ দুটোই বন্ধ থাকায় সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ওষুধ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আরও সংকটে পড়বে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
মমেক হাসপাতাল ঘিরে অনুমোদনহীন ক্লিনিকের ছড়াছড়ি
মধ্যরাতে গুড়িয়ে দেওয়া হলো এনজিওর ক্লিনিক, যা জানা যাচ্ছে
‘নতুন ক্লিনিক’ তৈরি নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
সাইনবোর্ডে লেখা ‘দৈনিক অন্যায়ের চিত্র’, ভেতরে কনডমের কারখানা