ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

আকুর মোটা অঙ্কের বিল দিয়েও ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে রিজার্ভ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
ফাইল ছবি

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধ করার পরও শক্তিশালী অবস্থানে আছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। মার্চ-এপ্রিল সময়ের আমদানি দায় বাবদ প্রায় ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও এখন দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আছে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের ওপরে।

বড় অঙ্কের এই অর্থ পরিশোধের পরও ডলারের বাজারে বিরাজ করছে স্বস্তি। কারণ, চলতি অর্থবছরে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ। উচ্চ প্রবাহের রেমিট্যান্সের কারণে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ অনেকটাই সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১০ মে শেষে দেশের মোট (গ্রস) বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। তবে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ রয়েছে ২৯ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, আকুর বিল পরিশোধের পর রিজার্ভে সাময়িক চাপ তৈরি হলেও বর্তমানে রেমিট্যান্সের ইতিবাচক প্রবাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম ৯ দিনেই দেশে ১০২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ৮৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সে হিসাবে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। শুধু ৭ থেকে ৯ মে— এই তিন দিনেই এসেছে ২৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার।

আরও পড়ুন

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৯ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২৫ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলার পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বাড়া, হুন্ডি নিয়ন্ত্রণে নজরদারি এবং ডলারের বিনিময় হার তুলনামূলক বাজারমুখী হওয়ায় রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে নতুন শ্রমবাজারে কর্মী যাওয়া বৃদ্ধি পাওয়ায় সামনের মাসগুলোতেও রেমিট্যান্সের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে মনে করছেন তারা।

ব্যাংকাররা বলছেন, একসময় রিজার্ভ কমে যাওয়ায় ডলার বাজারে বড় অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স বাড়ায় পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আছে। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকও এখন আগের মতো ঘন ঘন বাজারে ডলার বিক্রি করছে না। ফলে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমেছে।

তবে, সামনে জ্বালানি আমদানি, ঋণ পরিশোধ এবং বড় অবকাঠামো প্রকল্পের বৈদেশিক দায় পরিশোধের চাপ রয়েছে। এ অবস্থায় রিজার্ভ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে রেমিট্যান্স ও রফতানি আয়ের ধারা অব্যাহত রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আকু কী?

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) হলো এশিয়ার কয়েকটি দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি লেনদেন নিষ্পত্তির একটি আঞ্চলিক ব্যবস্থা। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইরানসহ কয়েকটি দেশ এর সদস্য। প্রতি দুই মাস পরপর সদস্য দেশগুলো নিজেদের আমদানি দায় ডলারে পরিশোধ করে।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় প্রায় প্রতিবারই বড় অঙ্কের ডলার পরিশোধ করতে হয়। ফলে আকুর বিল পরিশোধের সময় রিজার্ভে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।

গত মার্চে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি সময়ের আমদানি দায় বাবদ প্রায় ১৩৭ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছিল। ওই সময় মোট রিজার্ভ কমে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে। আর আইএমএফের বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রপ্তানি বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরী করছে
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের সমস্যা চিহ্নিত করে দেশীয় বাজারের সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং রপ্তানি বাড়াতে বাস্তবায়নযোগ্য রোডম্যাপ তৈরি করছে। রোডম্যাপের খসড়া বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ‘দশম বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এ কথা জানান। তিনি বলেন, চামড়া শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শিল্পটির জন্য কর্মমুখী রোডম্যাপ তৈরির কাজ করছে। এতে ট্যানারি মালিক, প্রস্তুতকারক, ব্যবসায়ী, প্রযুক্তিবিদসহ সংশ্লিষ্টদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও চাহিদা প্রতিফলিত করা হবে। বাণিজ্য সচিব বলেন, দেশে চামড়া শিল্পের প্রয়োজনীয় কাঁচামাল রয়েছে এবং এ খাতে দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের সক্ষমতাও বেড়েছে। দেশের মানুষকে দেশীয় চামড়াজাত পণ্য ব্যবহারে উৎসাহিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে। রপ্তানি বৃদ্ধিতে বিদেশি ক্রেতাদের চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণে সরকারের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিবেশ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা সম্পর্কে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক আচরণের কাঠামো এবং জাতীয় ট্রেসেবিলিটি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতগুলোর জন্য পৃথক ট্রেসেবিলিটি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি। চামড়া শিল্পে গবেষণা জোরদারে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মো. আতাউর রহমান খান। তিনি বলেন, চামড়া প্রযুক্তির শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে ট্যানারি মালিক ও উদ্যোক্তাদের সংযোগ আরও কার্যকর করা প্রয়োজন। বিষয়টি রোডম্যাপে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। অনুষ্ঠানে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রে তৈরি পোশাক শিল্পের পরই চামড়া শিল্পের অবস্থান। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান শক্তিশালী করারও সম্ভাবনা রয়েছে এ শিল্পে।  বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে। চামড়াজাত শৌখিন পণ্যেরও আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা রয়েছে। আয়োজকরা জানান, দেশে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম। প্রতিবছর দেশে আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়। এর বড় অংশ রপ্তানি এবং অবশিষ্ট অংশ দেশীয় চামড়াজাত পণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহ। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেটস’বি) এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত এক্সপোটি ২৪ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইসিসিবিতে চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী খোলা থাকবে। দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিচ্ছে। আরটিভি/এসআর
সরকার চামড়া ও পাদুকা শিল্পের রপ্তানি বাড়াতে রোডম্যাপ তৈরী করছে
ঢাকায় চলছে চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী
রাজধানীতে পাকিস্তানি বস্ত্র, খাদ্য ও পানীয়, প্রসাধনী, হারবাল ও ওয়েলনেস পণ্য, হস্তশিল্প এবং ফ্যাশন সামগ্রী প্রদর্শন করছে দেশটির শতাধিক প্রতিষ্ঠান। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্থানীয় দর্শনার্থী এবং বাংলাদেশে বসবাসরত প্রবাসী পাকিস্তানি জনগোষ্ঠীর সদস্যরা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি ফ্যাশন আউটলেট চালু হওয়া, প্রয়োজনীয় পণ্যের বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রপ্তানির জন্য কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া-দু’দশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির উদাহরণ। বাণিজ্য বাধা দূর করে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরা পাকিস্তান হাইকমিশন ও ইপিবির কাছে নীতিগত প্রস্তাব দিতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের অভিনন্দন জানান। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও জোরদার করতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও প্রদর্শক বিনিময় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রদর্শকেরা পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আগামী বিভিন্ন প্রদর্শনীতে অংশ নেবেন। এ সময় যৌথ সেমিনার ও সম্মেলন আয়োজনে ইপিবির পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। এ ছাড়া পাকিস্তানি প্রতিনিধিদের বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ এবং ২০২৭ সালের ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান হাসান আরিফ । অর্থনীতির পারস্পরিক পরিপূরকতার ভিত্তিতে যৌথ উদ্যোগসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য আয়োজকদের প্রশংসা করেন। আরটিভি/এসআর
ঢাকায় চলছে চতুর্থ ‘মেড ইন পাকিস্তান’ পণ্য প্রদর্শনী
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই দেশের প্রবাসী আয়ে (রেমিট্যান্স) বড় ধরনের উর্ধমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ১ জুলাই থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশে ৮০২ কোটি ২০ লাখ (৮.০২২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন
সরকার দেশের বিমান পরিবহন খাত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন
অনুমোদন পেল চার ডিজিটাল ব্যাংক
দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রস্তাবিত এসব ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অনুমোদন পেল চার ডিজিটাল ব্যাংক
আরও পড়ুন
রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, ২৩ দিনে এল ৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি
ডলারের বিপরীতে সাড়ে পাঁচ বছরে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা
সেপ্টেম্বরের ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৩ হাজার কোটি টাকা
দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে ক্রেডিট কার্ডে নির্ভরতা বাড়ছে মার্কিন পরিবারগুলোর