ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

২০২৬ সালের শুরুতেই সত্যি হলো বাবা ভাঙ্গারের ভয়ঙ্কর ভবিষ্যদ্বাণী

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:২৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাত্র চার দিনের মধ্যে বিশ্বজুড়ে নানা অশান্তি, যুদ্ধ ও সংঘর্ষ বৃদ্ধির ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবায়িত হতে দেখা গেছে। বিখ্যাত বুলগেরিয়ার সাধিকা বাবা ভাঙ্গা আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, এই বছরে বিশ্বব্যাপী অস্থিতিশীলতা এবং সশস্ত্র সংঘাতের মাত্রা বেড়ে যাবে। চলতি বছরের প্রথম সপ্তাহেই তারই প্রমাণ মিলেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৬ সালে যুদ্ধ, দাঙ্গা এবং আন্তর্জাতিক উত্তেজনা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাবে। গত ৪ জানুয়ারি দক্ষিণ আমেরিকার ভেনেজুয়েলায় একটি বড় হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা তার পূর্বাভাসের সঙ্গে মিল রেখে বিশ্লেষিত হচ্ছে।

এছাড়া, বাবা ভাঙ্গা এই বছর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সম্ভাবনার কথাও বলেছিলেন। তিনি পূর্ব প্রান্তে বড় ধরনের সংঘাতের কথা উল্লেখ করেছিলেন, যেখানে বিভিন্ন মহাশক্তি দেশের অংশগ্রহণ সম্ভব।

শুধু সামরিক ক্ষেত্রে নয়, প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানেও বাবা ভাঙ্গার কিছু পূর্বাভাস আলোচনায় এসেছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

*) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর ব্যাপক উন্নতি এবং এর প্রভাব মানুষের চাকরির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে।

*) সিনথেটিক অর্গ্যান তৈরির প্রযুক্তি বাস্তবে ব্যবহৃত হবে।

*) মানুষের মঙ্গলার্থে শুক্র গ্রহ থেকে মাইনিং করার উদ্যোগ নেয়া হতে পারে।

বিশ্ব রাজনীতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কেও তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন। তাঁর পূর্বাভাস অনুযায়ী:

*) রাশিয়ার একজন শক্তিশালী নেতা চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

*) ২০২৬ সালে বন্যা, খরা, ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটবে, যা পৃথিবীর ৮ থেকে ১০ শতাংশ ভূমি প্রভাবিত করবে।

সবচেয়ে আশ্চর্যজনক ছিল বাবা ভাঙ্গার এক ভবিষ্যদ্বাণী যে, ২০২৬ সালে প্রথমবারের মতো মানবসভ্যতা বহির্বিশ্বের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে।

১৯৯৬ সালে মৃত্যুবরণ করা বাবা ভাঙ্গা ছিলেন একজন বুলগেরিয়ান সাধিকা, যিনি তার জীবদ্দশায় অসাধারণ অনেক পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। ইউরোপীয় সংঘাত, ভূমিকম্প, নতুন শক্তি উৎসসহ তার পূর্বাভাস বহু ক্ষেত্রে সত্যি প্রমাণিত হয়েছে।

২০২৬ সালের শুরুতেই তাঁর অনেক ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববাসীর মধ্যে বাবা ভাঙ্গার প্রতি আগ্রহ ও কৌতূহল নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
বাবা ভাঙ্গার ৫ ভবিষ্যদ্বাণী, মিলে গেছে ২টি
স্পেনকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ঘানার ধর্মীয় নেতা
স্পেনের বিশ্বজয়ে কতটা মিলল বাবা ভাঙ্গারের ভবিষ্যদ্বাণী
বিশ্বকাপ ২০২৬ নিয়ে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীতে বিশ্বজুড়ে তোলপাড়