ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

বিশ্বের প্রবীণতম স্থলচর প্রাণী জোনাথনের বয়স কত? 

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ১১:২১ পিএম
বিশ্বের প্রবীণতম স্থলচর প্রাণী জোনাথনের বয়স কত? ছবি: সংগৃহীত

পৃথিবীতে এমন কিছু প্রাণী আছে, যারা মানুষের গড় আয়ুর তুলনায় অনেক বেশি সময় বেঁচে থাকে। তবে তাদের মধ্যেও ব্যতিক্রম এক নাম ‘জোনাথন’। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী স্থলচর প্রাণী হিসেবে স্বীকৃত এই বিশালাকার কচ্ছপটির বর্তমান বয়স ১৯৪ বছর।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, জোনাথন একটি সেশেলস জায়ান্ট কচ্ছপ। ধারণা করা হয়, তার জন্ম ১৮৩২ সালের দিকে। ফলে সে ব্রিটেনের ভিক্টোরিয়ান যুগ, লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজ এবং প্যারিসের আইফেল টাওয়ার নির্মাণেরও আগের প্রাণী।

জোনাথন বর্তমানে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে বসবাস করছে। বিজ্ঞানসম্মতভাবে তার প্রজাতির নাম ‘আলডাব্রাছেলিস জিগান্টিয়া হলোলিসা’।

বার্ধক্যের কারণে জোনাথনের ঘ্রাণশক্তি অনেকটাই কমে গেছে। তবে স্থানীয় পশুচিকিৎসকদের মতে, তার স্বাস্থ্যের অবস্থা এখনও ভালো এবং খাবারের প্রতিও তার আগ্রহ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বর্তমানে জোনাথনের ডিএনএ নিয়ে গবেষণা করছেন। তাদের আশা, এই গবেষণা মানুষের দীর্ঘায়ু ও বার্ধক্য-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উন্মোচনে সহায়তা করতে পারে।

স্থানীয়দের কাছে ‘জোনো’ নামে পরিচিত এই কচ্ছপটি গভর্নরের বাসভবনের বাগানে আরও তিনটি কচ্ছপের সঙ্গে বসবাস করছে। ঘাস খাওয়া, রোদ পোহানো এবং শান্ত পরিবেশে সময় কাটানোই তার প্রিয় কাজ। জন্মদিনে নিরামিষ কেক কেটে উদযাপন করার কারণেও জোনাথন বেশ পরিচিত।

প্রায় দুই শতাব্দী ধরে বেঁচে থাকা জোনাথন শুধু একটি কচ্ছপই নয়, বরং জীবন্ত ইতিহাসের এক অনন্য সাক্ষী।

সূত্র: এনডিটিভি

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
জাবি ক্যাম্পাসে বিপন্ন প্রজাতির কচ্ছপ উদ্ধার
১৬ বছর বয়সেই ‘এআই রোবট কচ্ছপ’ বানিয়ে তাক লাগাল কিশোর
তরুণীর খামখেয়ালিতে প্রাণ ‘ওষ্ঠাগত’ কচ্ছপের
অন্তর্বাসে দুই জীবন্ত কচ্ছপ নেওয়ার চেষ্টা, মায়ামি বিমানবন্দরে ধরা নারী