ঢাকা বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩

৫,৩০০ বছরের পুরনো মমি’র ইস্ট থেকে তৈরি হলো সাওয়ারডো পাউরুটি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
৫,৩০০ বছরের পুরনো মমি’র ইস্ট থেকে তৈরি হলো সাওয়ারডো পাউরুটি

বরফে সংরক্ষিত ৫,৩০০ বছরের পুরনো এক মানবদেহ থেকে পাওয়া ইস্ট ব্যবহার করে সাওয়ারডো পাউরুটি বানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা; এমনই এক বিস্ময়কর গবেষণার খবর সামনে এসেছে।

১৯৯১ সালে ইতালি-অস্ট্রিয়া সীমান্তের আল্পস পর্বতমালায় বরফের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রাচীন এক মানবদেহ। পরবর্তীতে গবেষণায় জানা যায়, দেহটির বয়স প্রায় ৫,৩০০ বছর। এই মমিকে বিজ্ঞানীরা নাম দেন ওতজি দ্যা আইসম্যান।

দেহটি দীর্ঘদিন বরফে সংরক্ষিত থাকায় সেটি প্রাচীন মানবজীবন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানার এক অনন্য উৎসে পরিণত হয়। গবেষণার সময় বিজ্ঞানীরা এর ভেতরে বিশেষ ধরনের অণুজীব ইস্ট ও ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত করেন, যা হাজার বছর ধরে প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে ছিল বলে ধারণা করা হয়।

পরবর্তীতে এই প্রাচীন ইস্ট আলাদা করে পরীক্ষাগারে ব্যবহার করা হয়। আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়, এটি আধুনিক বেকিং ইস্টের মতোই কাজ করতে সক্ষম। সেই ইস্ট ব্যবহার করেই তৈরি করা হয় সাওয়ারডো পাউরুটি, যা স্বাদ ও গঠনগত দিক থেকেও সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞানীদের মতে, এই আবিষ্কার শুধু প্রাচীন জীবাণুর সহনশীলতা বোঝার ক্ষেত্রেই নয়, বরং হাজার বছর আগের মাইক্রোবিয়াল জীবনের বিবর্তন সম্পর্কেও নতুন ধারণা দিচ্ছে।

এই গবেষণা দেখাচ্ছে, বরফে সংরক্ষিত প্রাচীন মানবদেহ কেবল ইতিহাস নয় জীববিজ্ঞানের জন্যও হতে পারে এক অমূল্য সময়-সংরক্ষিত ল্যাবরেটরি।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
পাউরুটিতে ক্যানসারের উপাদান, পটাশিয়াম ব্রোমেটের ব্যবহার বন্ধে রিট
খোঁজ মিললো ২ হাজার বছরের পুরনো পাউরুটির
চাঁদপুরের দুই উপজেলায় খাজনা আদায় বন্ধ ঘোষণা এমপির