ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ফ্রিজের যে অংশ পরিষ্কার না করার কারণে বিদ্যুৎ বিল বাড়ছে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
ফ্রিজ পরিষ্কার। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে প্রায় প্রতিটি পরিবারের অপরিহার্য গৃহস্থালি যন্ত্রের তালিকায় রয়েছে ফ্রিজ। খাবার দীর্ঘসময় সতেজ রাখতে এর বিকল্প নেই। তবে শুধু ব্যবহার করলেই হবে না, নিয়মিত যত্ন না নিলে ফ্রিজের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং বিদ্যুৎ খরচও অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেড়ে যেতে পারে।

অনেকেই ফ্রিজের ভেতর পরিষ্কার রাখলেও পেছনের অংশে থাকা কনডেনসার কয়েল বা ধাতব জালির দিকে নজর দেন না। অথচ ফ্রিজের সঠিক কুলিং বজায় রাখতে এই অংশটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন গুরুত্বপূর্ণ কনডেনসার কয়েল?
ফ্রিজের পেছনের জালিতে সময়ের সঙ্গে ধুলা, ময়লা ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র কণা জমতে থাকে। যখন এই স্তর বেশি পুরু হয়ে যায়, তখন তাপ বের হতে বাধা সৃষ্টি হয়। ফলে ফ্রিজকে নির্দিষ্ট তাপমাত্রা ধরে রাখতে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ওপর।

কতদিন পরপর পরিষ্কার করবেন?
গৃহস্থালি ব্যবহারের সাধারণ সিঙ্গল ডোর ফ্রিজের ক্ষেত্রে প্রতি ৩ থেকে ৬ মাস অন্তর একবার কনডেনসার কয়েল পরিষ্কার করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। এতে কুলিং স্বাভাবিক থাকে এবং যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে না।

যাদের আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে
যেসব বাড়িতে পোষা প্রাণী রয়েছে অথবা যেখানে ধুলাবালির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি, সেখানে কয়েলে দ্রুত ময়লা জমে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতি ২ থেকে ৩ মাস অন্তর পরিষ্কার করা ভালো।

পরিষ্কারের আগে যা করবেন
কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই ফ্রিজের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করুন। এরপর ফ্রিজটিকে দেয়াল থেকে কিছুটা দূরে সরিয়ে নিন, যাতে পিছনের অংশে সহজে পৌঁছানো যায়।

কীভাবে পরিষ্কার করবেন?
জালিতে জমে থাকা ধুলো সরাতে নরম ব্রাশ, শুকনো কাপড় অথবা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। তবে কখনোই পানি বা ভেজা কাপড় ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

পরিষ্কার না করলে কী সমস্যা হতে পারে?
কনডেনসার কয়েল দীর্ঘদিন অপরিষ্কার থাকলে- ফ্রিজের কুলিং কমে যেতে পারে, কম্প্রেসরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়, অন্যান্য যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হতে পারে, ফ্রিজের আয়ু কমে যেতে পারে।

ফ্রিজের পেছনের জালি বা কনডেনসার কয়েল পরিষ্কার রাখা ছোট একটি কাজ হলেও এর সুফল অনেক। নিয়মিত এই অংশের যত্ন নিলে কুলিং ভালো থাকবে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং ফ্রিজও দীর্ঘদিন কার্যকর থাকবে। তাই ফ্রিজ পরিষ্কারের তালিকায় শুধু ভেতরের অংশ নয়, পিছনের জালিকেও সমান গুরুত্ব দিন।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
মৃত্যুর পরও প্রিয়জনের স্মৃতি বেঁচে থাকে হৃদয়ে। তাদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত, ভালোবাসা ও জীবনের নানা গল্প স্মরণ করেই দিন কাটে স্বজনদের।
প্রয়াত আত্মাদের স্মরণে আজ ‘অল সোলস ডে’
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আগামীকাল। প্রতিবছর ২ নভেম্বর জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস পালিত হয়।
জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস আজ
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
সোমবার (২ নভেম্বর) এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেমনই কিছু ঘটনা।
ইতিহাসে আজকের এই দিনে
প্রাণের মাঝে আয়
নস্টালজিয়া খুব খারাপ জিনিস। না চাইতেও এমন সব স্মৃতি মনে পড়ে, যা কখনও আমাদের হাসায়, আবার কখনও বা কাঁদায়। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে পা রাখলাম। প্রথম ক্লাসে অনেকের দেখেছি দাড়ি-গোঁফ ওঠেনি। আবার কেউতো পরিচিতি পর্বে নিজের নাম বলতেও থরথর করে কাঁপছিল। এরপর কতশত দিন একসঙ্গে। কত স্মৃতি বুকের সঞ্চয়ী হিসাবে জমা।
প্রাণের মাঝে আয়
কাজহীন দিবস আজ
সারাদিন কাজের ব্যস্ততা, একের পর এক দায়িত্ব, আর হাতে লম্বা কাজের তালিকা। এই ব্যস্ততার মাঝেই নিজের জন্য একটু সময় বের করার কথা মনে করিয়ে দেয় ‘জিরো টাস্কিং ডে’ বা কাজহীন দিবস। প্রতি বছর নভেম্বর মাসের প্রথম রোববার পালিত হয় দিনটি। এ বছর ১ নভেম্বর এই বিশেষ দিন। দিনটির মূল ভাবনা খুব সহজ- অন্তত একটি দিন নিজের উপর কাজের চাপ না রেখে বিশ্রাম নেওয়া, পছন্দের কাজ করা কিংবা একেবারেই কিছু না করা। বিশেষ করে যেসব দেশে ডে-লাইট সেভিং টাইম বা দিবালোক সাশ্রয়ী সময়ের নিয়ম চালু রয়েছে, সেখানে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ার ফলে পাওয়া অতিরিক্ত সময়টিকে নিজের জন্য কাজে লাগানোর ধারণা থেকেই এই দিনের প্রচলন। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র ধারণাটি সামনে আনেন লেখক ও জীবনযাপনবিষয়ক পরামর্শদাতা ন্যান্সি ক্রিস্টি। তার উদ্দেশ্য ছিল, মানুষ যেন কাজের তালিকা থেকে একের পর এক দায়িত্ব মেটানোর বাইরে নিজের সঙ্গে সময় কাটানোর গুরুত্বও বোঝে। মানসিক সুস্থতার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মেন্টাল হেলথ আমেরিকাও দিনটির প্রচারে ভূমিকা রেখেছে। বর্তমান সময়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ সামলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কাজের চাপ, সময়ের অভাব এবং প্রতিনিয়ত উৎপাদনশীল থাকার তাগিদে অনেকেই বিশ্রাম নিতে অপরাধবোধ করেন। অথচ প্রয়োজনীয় বিরতি মানসিক চাপ কমাতে, সৃজনশীলতা বাড়াতে এবং কাজে মনোযোগ ফেরাতে সাহায্য করতে পারে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম শরীর ও মনকে নতুন করে চাঙা করে। দিনটি পালনের জন্য বিশেষ কোনও আয়োজনের প্রয়োজন নেই। সকালে একটু দেরি করে ঘুম থেকে ওঠা, পছন্দের বই পড়া, নিরিবিলি হাঁটতে বেরোনো কিংবা কিছুক্ষণ ধ্যান করাসহ যা ভালো লাগে, তা-ই করতে পারেন।  চাইলে বারান্দায় বসে আকাশ দেখতে পারেন, মনের মতো কোনও রান্না করতে পারেন, ছবি আঁকতে পারেন অথবা দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এমনকি ফোন ও কাজের বার্তা থেকে দূরে থেকে নিজের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটানোও হতে পারে উদ্‌যাপনের অংশ। ‘জিরো টাস্কিং ডে’-র আসল শিক্ষা অবশ্য সারাদিন অলসভাবে কাটানো নয়। বরং প্রতিদিনের দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্রাম ও নিজের যত্নের জন্যও সময় রাখা জরুরি সেই কথাই মনে করিয়ে দেয় দিনটি। কারণ, সব সময় কাজের মধ্যে ডুবে থাকাই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না। কখনও কখনও কিছু না করাও নিজের জন্য প্রয়োজনীয়। আরটিভি/এসআর
কাজহীন দিবস আজ
আরও পড়ুন
তিন বাতি, দুই ফ্যান আর এক ফ্রিজে বিদ্যুৎ বিল ১ লাখ ১০ হাজার টাকা!
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদ করে মামলায় গ্রাহক
ডাটা সেন্টারের বিদ্যুৎ বিলের প্রস্তাব আটকাল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট
আলেয়ার সেপ্টেম্বরের বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি, মাগুরায় তোলপাড়