যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ 

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ , ১০:৫০ এএম


যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ৮ দিন ধরে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টিও হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাহিদ হাসান প্রান্ত বলেন, ‘পুলিশ আমাকে ফোন করে মৃত্যুর খবর জানায়। তারা জানান, বাসার ভেতরে রক্তের মধ্যে পাওয়া মৃতদেহের একটি অংশের সঙ্গে ডিএনএ মিল পাওয়া গেছে। তবে পূর্ণাঙ্গ মরদেহ পাওয়া যাবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।’

এর আগে অপর নিখোঁজ শিক্ষার্থী জামিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের হিলসবরোর স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এক সংবাদ সম্মেলনে ফ্লোরিডার ট্যাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে জামিলের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানায়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে হিশাম আবুঘরবেহ (২৬) নামে নিহত জামিল আহমেদের রুমমেটকে আটক করে পুলিশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ) তারা পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন। 

আরও পড়ুন

জামিল লিমন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে পিএইচডি করছিলেন। অন্যদিকে  নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন। 

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জামিল ও নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল দেখা গিয়েছিল। ওইদিন সকালে জামিলকে সর্বশেষ দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি তার ছাত্রাবাসে, সময়টি ছিল সকাল ৯টার দিকে। অন্যদিকে, নাহিদাকে সর্বশেষ দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাচারাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ভবনে, সেদিন সকাল ১০টার দিকে। এরপর থেকেই তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতে পারছিলেন না তাদের সহপাঠী বা পরিচিতরা।

আরটিভি/এআর 

আরটিভি খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

logo_appslogo_apps

Loading...

আরও পড়ুন

© All Rights Reserved 2016-2026 | RTV Online | It is illegal to use contents, pictures, and videos of this website without authority's permission