কিউবা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি মনে করেন, দুই দেশের মধ্যে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের সম্ভাবনা খুব কম।
তার এই মন্তব্য আসে এমন এক সময়, যখন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৬ সালে দুটি বিমান ভূপাতিত করে মার্কিন নাগরিক হত্যার অভিযোগে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
রুবিও বলেন, ওয়াশিংটনের পছন্দ এখনো কূটনৈতিক সমাধান, তবে বর্তমান কিউবান নেতৃত্বের কারণে সেই সম্ভাবনা খুব বেশি নয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিউবা অঞ্চলের অন্যতম বড় সন্ত্রাসে পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র। তবে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। কিউবা কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি ছিল না।
বর্তমানে জ্বালানি সংকট ও যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে কিউবায় দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে।
রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব করা ১০০ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা কিউবা গ্রহণ করেছে।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, কিউবা একটি ‘ব্যর্থ দেশ’। তাঁর প্রশাসন মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেশটিকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করছে। কিউবার বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকেরা নিজেদের দেশে ফিরে কিউবাকে সফল হতে সাহায্য করতে চান।
ট্রাম্প আরও বলেন, ৫০-৬০ বছর ধরে অন্য প্রেসিডেন্টরা এ বিষয়ে কী করা যায়, তা ভেবেছেন। মনে হচ্ছে, আমিই হয়তো সেটা বাস্তবায়ন করতে পারব। আর আমি সেটা করতে পারলে খুশি হব।
রাউল কাস্ত্রোকে যুক্তরাষ্ট্রে এনে বিচারের মুখোমুখি করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রুবিও বলেন, কীভাবে তাকে এখানে আনা হবে, তা আমি গণমাধ্যমকে বলবো না।
সূত্র: বিবিসি
আরটিভি/এমএম




