ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

রবিনহুডকে ‘আশ্রয় দেওয়া’ ১২০০ বছর বয়সী সেই গাছের মৃত্যু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
মেজর ওক গাছ : ছবি সংগৃহীত

দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভালোবাসার কারণে অবশেষে মারা গেল কিংবদন্তি রবিন হুডের ডেরা হিসেবে খ্যাত প্রাচীন সেই ওক গাছ। ইংল্যান্ডের শেরউড ফরেস্টে অবস্থিত ১২০০ বছর পুরনো মেজর ওক গাছটিতে এ বছর বসন্তে নতুন পাতা না গজানোয় সেটি মারা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব বার্ডস (আরএসপিবি)। খবর স্কাই নিউজের।

সংগঠনটির মতে, গত দুই শতাব্দী ধরে নটিংহ্যামে অবস্থিত গাছটি দেখতে আসা অসংখ্য দর্শনার্থীর পদচারণায় চারপাশের মাটি অত্যধিক চাপা পড়ে যায়। ফলে বৃষ্টির পানি শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে বাধার শিকার হয়।

অতীতেও একাধিকবার মেজর ওক গাছটির মারা যাওয়ার গুজব ছড়িয়েছিল। তবে প্রতিবারই আরএসপিবি সেই গুজব খণ্ডন করেছে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।

আরও পড়ুন

আরএসপিবি’র কর্মকর্তা হলি ড্রেক এক বিবৃতিতে বলেন, এ বছর গাছটিতে পাতা না গজানো আমাদের সবার জন্যই হৃদয়বিদারক।

কিংবদন্তি অনুসারে, ত্রয়োদশ শতাব্দীর বিখ্যাত দস্যু রবিন হুড নটিংহ্যামের শেরিফের তাড়া খেয়ে এই শেরউড ফরেস্টে লুকাতেন। বলা হয়, মেজর ওক গাছটিই ছিল তার অন্যতম আশ্রয়স্থল।

১৭৯০ সালে ওক গাছ নিয়ে লেখা একটি বইয়ে এই গাছের কথা উল্লেখ করেন মেজর হেইম্যান রুক। সেই সূত্রেই গাছটির নাম হয় ‘মেজর ওক’। তখন থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ এটি দেখতে শেরউড ফরেস্টে আসতে শুরু করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গরম, তীব্র খরা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লাখ লাখ দর্শনার্থীর পায়ের চাপে মাটি কংক্রিটের মতো শক্ত হয়ে যাওয়ায় গাছের শিকড়ে পানি ও পুষ্টি পৌঁছাতে না পারাই এই মৃত্যুর প্রধান কারণ।

গাছ বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এর শিকড় কার্যত শ্বাসরুদ্ধ ও পুষ্টিহীন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল।

উডল্যান্ড ট্রাস্টের কর্মকর্তা এড পাইন বলেন, মেজর ওকের মতো প্রাচীন গাছগুলো সংরক্ষণ করা উচিত। পৃথিবীর পরিবেশগত স্বাস্থ্যের জন্য এসব গাছকে রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ অধিকাংশ প্রাচীন গাছই মেজর ওকের মতো স্বীকৃতি বা যত্ন না পেয়েই নীরবে হারিয়ে যায়।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আমেরিকায় যে ৭ ভুলে বছরে বাড়তে পারে হাজার ডলারের খরচ
অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, লাল বাতি বা স্টপ সাইনে পুরোপুরি না থামা, গাড়ির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ না করা, টোল বা পার্কিংয়ের জরিমানা সময়মতো পরিশোধ না করা এবং বীমার মূল্য তুলনা না করার কারণে বছরে উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত খরচ হতে পারে।
আমেরিকায় যে ৭ ভুলে বছরে বাড়তে পারে হাজার ডলারের খরচ
নিউইয়র্কে অ্যাপার্টমেন্ট লটারির শেষ তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর, আবেদন করবেন যেভাবে
নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের কনি আইল্যান্ডে ২৪টি অ্যাফোর্ডেবল অ্যাপার্টমেন্টের লটারি চলছে। ২৯০৫ ওয়েস্ট ১৭তম স্ট্রিটের নতুন আবাসিক ভবনের এসব অ্যাপার্টমেন্টের মাসিক রেন্ট শুরু হচ্ছে ১ হাজার ৬৮১ ডলার থেকে। যোগ্য আবেদনকারীদের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
নিউইয়র্কে অ্যাপার্টমেন্ট লটারির শেষ তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর, আবেদন করবেন যেভাবে
মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মহড়া, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
মার্কিন বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি ট্রয় মেইঙ্ক বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের কাছে বর্তমানে কক্ষপথে থাকা ‘অন-অরবিট স্পেস কন্ট্রোল উইপনস’ বা মহাকাশ নিয়ন্ত্রণ অস্ত্র রয়েছে। তার ভাষ্য, এসব অস্ত্র শত্রুপক্ষের হামলা থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখতে সক্ষম। 
মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মহড়া, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বহু বিমান ধ্বংস
ইরানের ধারাবাহিক হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহু সামরিক বিমান, ড্রোন ও ঘাঁটি ধ্বংস কিংবা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের (পেন্টাগন) পর্যবেক্ষণ সংস্থার এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বহু বিমান ধ্বংস
সংগ্রহে তার দুই হাজার জোড়া মোজা
যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের নর্থ অগাস্টার বাসিন্দা ড্যারিল পার্কারের শখ মোজা জমানো। জন্মদিন বা বিবাহবার্ষিকী—উপহার হিসেবে তার প্রথম পছন্দ মোজা। পার্কারের পরিবারের সদস্যরা তার এই পছন্দের কথাটি খুব ভালো করেই জানেন। তাই উপহার হিসেবে পার্কারের জন্য মোজা আনতে তারা ভোলেন না। নিজের এই শখ থেকেই পার্কার এখন বিশ্ব রেকর্ড গড়তে চলেছেন। তার সংগ্রহে বর্তমানে দুই হাজারের বেশি জোড়া মোজা রয়েছে এবং এই সংগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। পেশায় অগ্নিনির্বাপণকর্মী ও প্যারামেডিক পার্কার এখন অবসরজীবন কাটাচ্ছেন। মোজার এই বিশাল সংগ্রহের শুরুটা হয়েছিল সাধারণ একটি বাবা দিবসের উপহার থেকে। এরপর জন্মদিন, পদোন্নতি কিংবা বিবাহবার্ষিকীর মতো নানা উপলক্ষে স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে উপহার হিসেবে মোজাই পেতে থাকেন তিনি। এভাবে মোজার পাহাড় জমে উঠলে একদিন তার স্ত্রী ও নাতি-নাতনিরা পার্কারকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের জন্য চেষ্টা করার পরামর্শ দেন। স্বজনদের কথায় উৎসাহিত হয়ে পার্কার তাতে সায় দেন। এরপর তার রেকর্ড গড়ার অভিযান শুরু করেন। বর্তমানে মোজার সর্ববৃহৎ সংগ্রহের গিনেস রেকর্ডটির মালিক ফিলাডেলফিয়ার অবসরপ্রাপ্ত সংবাদ পাঠক জিম ডনোভানের দখলে। ২০২৫ সালে তার সংগ্রহে থাকা অনন্য নকশার ১ হাজার ৫৩১ জোড়া মোজা গণনা করে তাকে এই খেতাব দেওয়া হয়। ড্যারিল পার্কার এরই মধ্যে ২ হাজার জোড়ার বেশি মোজা সংগ্রহ করে ফেলেছেন। তাই তিনি যে জিম ডনোভানের রেকর্ড ভেঙে দিতে যাচ্ছেন, তা একরকম নিশ্চিত। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক গণনা ও স্বীকৃতি পাওয়া বাকি। আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন ও গিনেস কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত যাচাইকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে পার্কার এ বছরের শেষ পর্যন্ত মোজা সংগ্রহ করবেন। এরপর তার লক্ষ্য নিজের এই বিপুল পরিমাণ মোজা তিনি কোনো স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রে দান করে দেবেন। সমাজসেবাকে নিজের রক্তে মিশে থাকা তাগিদ হিসেবে দেখা এই সাবেক অগ্নিনির্বাপণকর্মী বলেন, নতুন সংগৃহীত প্রতিটি মোজাই দিন শেষে পৌঁছে দেওয়া হবে আশ্রয়হীন মানুষের কাছে। পার্কার বলেন, শুধু রেকর্ড গড়াই তার একমাত্র লক্ষ্য নয়; বরং এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি সমাজে আনন্দ ও খুশির জোগান দিতে চান। আরটিভি/এসএস
সংগ্রহে তার দুই হাজার জোড়া মোজা
আরও পড়ুন
সরকারি গাছ কাটায় তিনজনের কারাদণ্ড
শরণার্থী ভেবে পাকিস্তান যুব দলের হোটেলের সামনে বিক্ষোভ
ইংল্যান্ড সফরের জন্য শক্তিশালী দল ঘোষণা শ্রীলঙ্কার
ইংল্যান্ড-পাকিস্তানের টেস্টসহ টিভিতে আজকের খেলা