ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

পানি সরবরাহ বন্ধের চেষ্টা করলে, হাত কেটে ফেলা হবে: ভারতকে হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ জুলাই ২০২৬, ০১:২২ পিএম
ছবি: দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট

ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীনে বরাদ্দকৃত পানির অংশ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করলে পাকিস্তান সেই হাত কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছে। দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানের প্রাপ্য পানির প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করলে সেই ‘হাত কেটে ফেলা হবে’। একইসঙ্গে ভারত পানিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট বলছে, ভারত ও পাকিস্তান ভৌগোলিকভাবে হিমালয়, তিব্বত মালভূমি এবং পির পাঞ্জাল পর্বতমালা থেকে উৎপন্ন ছয়টি নদীর পানি ভাগাভাগি করে। এসব নদীর উৎস তিব্বত, লাদাখ, জম্মু ও কাশ্মীর এবং ভারতের হিমাচল প্রদেশ অঞ্চলে।

দেশভাগের পর দুই দেশ নদীর পানি বণ্টন নিয়ে বিশ্বের অন্যতম সফল চুক্তিগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত ‘সিন্ধু পানি চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। উভয় দেশের পানির সরবরাহ নিশ্চিত করাই ছিল এই চুক্তির লক্ষ্য। তবে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে এখন এই চুক্তি নতুন করে পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

এমন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩০ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মুসাদিক মালিক বলেন, ‘আমরা ঘোষণা করেছি, আমাদের পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে সেই হাত কেটে ফেলা হবে। শুধু ঘোষণাই দিইনি, গত এক থেকে দেড় বছরে সেটি করে দেখিয়েছিও’।

ভারত পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেবে না বলে নয়াদিল্লির সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি শুধু ন্যায়বিচারের নয়। মুসাদিক মালিক বলেন, ‘আমাদের সামরিক বাহিনীও দেখিয়ে দিয়েছে যে শুধু পানির ক্ষেত্রেই নয়, আকাশযুদ্ধেও আমরা তোমাদের হাত কেটে দিতে পারি।’

তিনি গত বছরের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের তুমুল সংঘর্ষের প্রসঙ্গ টেনে একথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি কলের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তিনি বলছেন, পাকিস্তানে এক ফোঁটা পানিও যেতে দেবেন না।’

এছাড়া তিনি জুন মাসের শুরুতে ভারতের পানিসম্পদমন্ত্রী সি. আর. পাতিলের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন। সি. আর. পাতিল বলেছিলেন, গত বছর কাশ্মীরে হামলার পর ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করেছে। এরপর থেকে পাকিস্তানে ‘এক ফোঁটা পানিও’ যেতে না দেয়ার জন্য সরকার কাজ করছে। ওই হামলার জেরে দুই দেশ প্রায় পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল।

পাকিস্তানের মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ মানুষ কৃষিকাজের জন্য এই পানির ওপর নির্ভরশীল। পানির প্রবাহে বাধা দেয়া হলে খাদ্যনিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

আরও পড়ুন

দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট বলছে, বিশ্বব্যাংকের মধ্যস্থতায় হওয়া সিন্ধু পানি চুক্তির আওতায় সিন্ধু অববাহিকার ছয়টি নদীর পানি দুই দেশের মধ্যে বণ্টন করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চলের তিনটি নদী— সিন্ধু, ঝিলাম ও চেনাবের পানির অধিকার পাকিস্তানের। আর পূর্বাঞ্চলের তিনটি নদী— রাভি, বিয়াস ও শতদ্রুর পানির অধিকার ভারতের।

ভারতের উৎস থেকে আসা এই নদীগুলোর পানি পাকিস্তানের লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান ভরসা। জলবিদ্যুৎ উৎপাদন, সুপেয় পানি সরবরাহ এবং কৃষিকাজে এই পানির ওপর দেশটি ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

চুক্তি অনুযায়ী, ভারতকে প্রতি বছর ৪ কোটি ৩০ লাখ একর-ফুট পানি পাকিস্তানে প্রবাহিত হতে দিতে হয়। এটি পাকিস্তানের মোট ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানির প্রায় ৮০ শতাংশ এবং তা দেশটির কৃষি, নগরজীবন ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পাকিস্তান অভিযোগ করেছে, ভারত পানিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। সীমান্তবর্তী নদীগুলোর পানির স্বাভাবিক প্রবাহ পরিবর্তনের যেকোনও প্রচেষ্টাকে তারা ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে বিবেচনা করবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে।

এ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদার করতে মঙ্গলবার সিন্ধু পানি চুক্তি নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে পাকিস্তান। সেখানে এসব নদীর পানির ওপর পাকিস্তানের ‘অধিকার’ নিয়ে আলোচনা করতে পানি ও আন্তর্জাতিক আইনবিষয়ক বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

সম্মেলনে মূল বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের। এরপর দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা চুক্তির আইনি ভিত্তি, আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর এর প্রভাব এবং সংঘাত প্রতিরোধের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

আরটিভি/এমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
টাইমস স্কোয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো উদযাপিত হতে যাচ্ছে দুর্গাপূজা
নিউইয়র্কে টাইমস স্কোয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে দুর্গোৎসব। আগামী ১০ ও ১১ অক্টোবর ফাদার ডাফি স্কোয়ারে দুই দিনব্যাপী এ আয়োজনে থাকবে পূজা-অর্চনা, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ, সিঁদুরখেলা, ধুনুচি নাচ এবং বাংলাদেশ ও ভারতের শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 
টাইমস স্কোয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো উদযাপিত হতে যাচ্ছে দুর্গাপূজা
মাটিতে খুঁড়তে খুঁড়তে কাটালেন ১২ বছর, অতঃপর...
মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে কেটে গেছে ১২ বছরেরও বেশি সময়। লক্ষ্য ছিল একটাই, একদিন পাবেন একটি হীরা। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো অবশেষে। যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসের বিখ্যাত ক্রেটার অব ডায়মন্ডস স্টেট পার্কে খুঁজতে গিয়ে জ্যাক পিয়াবাডিন পেয়েছেন ৬.০৩ ক্যারেটের একটি বিশাল হলুদ হীরা।
মাটিতে খুঁড়তে খুঁড়তে কাটালেন ১২ বছর, অতঃপর...
জাপানে হঠাৎ জোড়া ভূমিকম্প
পূর্ব জাপানে মাত্র তিন ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। 
জাপানে হঠাৎ জোড়া ভূমিকম্প
জ্ঞান ফিরে পেয়েই যে প্রশ্ন করেন মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়া ক্রিস্টা পাইক
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে দুবার প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়নি সাজাপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইকের। গত ৩০ সেপ্টেম্বর পেন্টোবারবিটাল ইনজেকশন প্রয়োগের পরও বেঁচে যান তিনি। হাসপাতালে জ্ঞান ফেরার পর তার প্রথম প্রশ্ন ছিল, ‘আমি কোথায়?’ এবং ‘আপনি কে?’
জ্ঞান ফিরে পেয়েই যে প্রশ্ন করেন মৃত্যুদণ্ড ব্যর্থ হওয়া ক্রিস্টা পাইক
প্যারাসুট নিয়ে উড়োজাহাজ থেকে উধাও ছিনতাইকারী, অতঃপর...
শান্ত-সৌম্য চেহারা। পরনে স্যুট, গলায় টাই। হাতে ছোট একটি ব্রিফকেস। দেখলে মনে হতে পারে আর দশজন সাধারণ যাত্রীর মতোই তিনি। কিন্তু বিমানে ওঠার পরই বদলে যায় পুরো দৃশ্যপট। ব্রিফকেসে বোমা থাকার দাবি করে ছিনিয়ে নেন বিমান। এরপর ২ লাখ ডলার ও প্যারাসুট নিয়ে উড়ন্ত বিমান থেকে ঝাঁপ দেন অন্ধকারে। তারপর? আর কখনোই খুঁজে পাওয়া যায়নি তাকে। ঘটনাটি ১৯৭১ সালের ২৪ নভেম্বরের। যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনের পোর্টল্যান্ড বিমানবন্দরে নর্থওয়েস্ট ওরিয়েন্ট এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে এসে সিয়াটলের একটি একমুখী টিকিট কেনেন এক ব্যক্তি। টিকিটে নাম দেন ‘ড্যান কুপার’। বয়স আনুমানিক চল্লিশের মাঝামাঝি। বিমানে উঠে অর্ডার করেন বারবন ও সোডা। বিকেল ৩টার কিছু পর এক বিমানবালার হাতে একটি নোট তুলে দেন তিনি। নোটে লেখা ছিল, তার ব্রিফকেসে বোমা রয়েছে এবং বিমানবালাকে তার পাশে বসতে হবে। পরে ব্রিফকেসটি সামান্য খুলে তার ভেতরে তার ও লাল রঙের কাঠির মতো বস্তু দেখান তিনি। এরপর পাইলটের কাছে পাঠানো হয় তার দাবি। চারটি প্যারাসুট এবং ২০ ডলারের নোটে ২ লাখ মার্কিন ডলার দিতে হবে এটাই ছিল ছিনতাইকারীর শর্ত। সিয়াটলে বিমান অবতরণের পর মুক্তিপণের অর্থ ও প্যারাসুট বিমানে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর ৩৬ যাত্রীকে ছেড়ে দেন তিনি। তবে কয়েকজন ক্রু সদস্যকে জিম্মি রেখে বিমানটিকে মেক্সিকো সিটির উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার নির্দেশ দেন। রাত ৮টার কিছু পর। সিয়াটল ও রেনোর মাঝামাঝি কোথাও উড়ছিল বিমানটি। হঠাৎ বিমানের পেছনের অংশ দিয়ে প্যারাসুট ও মুক্তিপণের অর্থ নিয়ে অন্ধকারে ঝাঁপ দেন ওই ব্যক্তি। পাইলটরা বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করলেও এরপর আর কোনোদিন দেখা যায়নি তাকে। ঘটনার পর মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই শুরু করে ‘নরজ্যাক’ নামে বিশাল তদন্ত। বিমানে তল্লাশি চালানো হয়, শত শত মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। কয়েক বছরের মধ্যেই ৮০০ জনের বেশি সন্দেহভাজনের তালিকা তৈরি করা হয়। কিন্তু একে একে সবাই বাদ পড়তে থাকেন। তদন্তকারীরা বিমানে খুঁজে পান একটি কালো জে.সি. পেনি টাই। পরে সেখান থেকে ডিএনএ নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। উদ্ধার করা হয় দুটি প্যারাসুট ও একটি ক্যানভাসের ব্যাগ। তবে ছিনতাইকারী কোন প্যারাসুট ব্যবহার করেছিলেন এবং লাফ দেওয়ার পর তার কী হয়েছিল তা আর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনার কয়েক মাস পর রিচার্ড ফ্লয়েড ম্যাককয় নামে এক ব্যক্তিকে একই ধরনের বিমান ছিনতাই ও প্যারাসুটে পালানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে বিমানবালাদের দেওয়া বর্ণনার সঙ্গে তার চেহারার মিল না থাকায় তাকে ডি.বি. কুপার হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। এদিকে, তদন্তকারীদের একটি বড় অংশের ধারণা, ভয়ংকর সেই লাফের পর হয়তো বেঁচেই ছিলেন না কুপার। কারণ তার ব্যবহৃত প্যারাসুটটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য ছিল না। তার পোশাক ও জুতা ছিল দুর্গম বনাঞ্চলে অবতরণের জন্য অনুপযোগী। তার ওপর ছিল রাতের অন্ধকার এবং প্রচণ্ড ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ। তবে ১৯৮০ সালে রহস্যে যোগ হয় নতুন অধ্যায়। কলম্বিয়া নদীর কাছে এক বালক পচে যাওয়া একটি প্যাকেট খুঁজে পায়। ভেতরে ছিল ৫ হাজার ৮০০ ডলার। নোটগুলোর সিরিয়াল নম্বর পরীক্ষা করে দেখা যায়, সেগুলো কুপারকে দেওয়া মুক্তিপণের অর্থের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। তাহলে কি নদী বা জঙ্গলে কোথাও মৃত্যুবরণ করেছিলেন কুপার? নাকি বিপুল অর্থ নিয়ে সফলভাবেই পালিয়ে গিয়েছিলেন তিনি? আরেকটি বিষয় নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। সংবাদমাধ্যমে ‘ডি.বি. কুপার’ নামটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হলেও ‘ডি.বি.’ আসলে ছিল ভুলবশত ছড়িয়ে পড়া একটি নাম। মূল ছিনতাইকারী নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন ড্যান কুপার নামে। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে তদন্ত করেও রহস্যের কোনো চূড়ান্ত সমাধান করতে পারেনি এফবিআই। শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালের ১২ জুলাই সংস্থাটি জানায়, মামলাটিতে বরাদ্দকৃত তদন্ত সম্পদ অন্য কাজে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরপর কেটে গেছে আরও অনেক বছর। কিন্তু ১৯৭১ সালের সেই রাতের প্রশ্নগুলো আজও রয়ে গেছে কে ছিলেন ড্যান কুপার? প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দেওয়ার পর তার কী হয়েছিল? আর মুক্তিপণের বাকি টাকা কোথায় গেল? উত্তর মেলেনি কোনো প্রশ্নেরই। তাই মার্কিন ইতিহাসের অন্যতম দুঃসাহসী বিমান ছিনতাইয়ের এই কাহিনি আজও এক অমীমাংসিত রহস্য। সূত্র: এফবিআই আরটিভি/এসকে
প্যারাসুট নিয়ে উড়োজাহাজ থেকে উধাও ছিনতাইকারী, অতঃপর...
আরও পড়ুন
লিজেন্ডস লিগ থেকে সরে দাঁড়াল পাকিস্তান
পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে এক পা বাংলাদেশের 
সৌদিতে সেনা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান, তুরস্ক
মক্কা জোটে বাংলাদেশকে চায় পাকিস্তানি জামায়াত