প্রায় চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যাওয়া জাপানি মুদ্রা ইয়েনকে স্থিতিশীল করতে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে যৌথভাবে হস্তক্ষেপ করতে যাচ্ছে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র। খবর ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত মাসে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের মূল্য ১৬৩ দশমিক ২৪-এ নেমে যায়। এটি ছিল ১৯৮৬ সালের পর ইয়েনের সবচেয়ে দুর্বল অবস্থান।
জাপান সরকারের দুই কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, টোকিও ও ওয়াশিংটন সমন্বিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে পদক্ষেপ নিয়েছে, যাতে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দ্রুত দরপতন রোধ করা যায়। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ তথ্য দিয়েছেন।
ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, শুক্রবার নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ নেয়। তারা মার্কিন ট্রেজারির পক্ষে ইউরো বিক্রি করে ইয়েন কেনে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই লেনদেন সম্পন্ন করা হয় গোল্ডম্যান স্যাকস এবং মরগান স্ট্যানলি-এর মাধ্যমে।
ওয়াশিংটনের এই পদক্ষেপের সময়ই গত সপ্তাহে ইয়েনের মূল্য দ্রুত বেড়ে যায়। এতে ধারণা তৈরি হয় যে জাপান সরকারও মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করেছে।
আরটিভি/এমএম



