ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদুরোকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে এবার নতুন নাম, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৫৭ পিএম
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। ফাইল ছবি

ভেনেজুয়েলায় ঢুকে দুর্গের মতো প্রাসাদ থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার স্ত্রীসহ যেভাবে তুলে নিয়ে গেছে মার্কিন বাহিনী, তা নিয়ে এখনও অবাক পুরো বিশ্ব। মাদুরো যে গভীর এক ষড়যন্ত্রের শিকার, তা নিয়ে দ্বিমত নেই কারোরই। এই ষড়যন্ত্রের পেছনে মাদুরোর কোন ঘনিষ্ঠজন সরাসরি কলকাঠি নেড়েছেন, তা নিয়ে এখন চলছে বিস্তর অনুসন্ধান। এসব অনুসন্ধানে এরই মধ্যে উঠে এসেছে ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলোর নাম। তবে, এবার এই ষড়যন্ত্রে উঠে এসেছে এমন এক নাম, যা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নতুন চাঞ্চল্য।

নতুন তথ্য বলছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্র আটক করার আগেই নাটকীয় এক গোপন সমঝোতা হয়েছিল ওয়াশিংটন ও কারাকাসের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে। মাদুরোর অতিঘনিষ্ঠ ডেলসি রদ্রিগেজ ও তার ভাই যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বাস দিয়েছিলেন, মাদুরো বিদায় নিলে সহযোগিতা করবেন তারা।

সম্প্রতি প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার অন্দরমহলের সেই গোপন কূটনৈতিক যোগাযোগের চাঞ্চল্যকর বিবরণ।

উচ্চপর্যায়ের চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মাদুরোর জায়গায় গত ৫ জানুয়ারি ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়া ডেলসি রদ্রিগেজ এবং তার ভাই জাতীয় পরিষদের প্রধান হোর্হে রদ্রিগেজগোপনে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের কর্মকর্তাদের জানান, মাদুরো বিদায় নিলে তারা সেটিকে স্বাগত জানাবেন।

আরও পড়ুন

গার্ডিয়ানের অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডেলসি রদ্রিগেজ যখন মাদুরোর ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন থেকেই মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ শুরু হয়। গত শরৎকাল থেকে এই আলোচনা চলছিল এবং নভেম্বরের শেষ দিকে ট্রাম্প ও মাদুরোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপের পর তা আরও জোরদার হয়। ওই ফোনালাপে ট্রাম্প মাদুরোকে ভেনেজুয়েলা ছাড়তে বলেন, কিন্তু মাদুরো সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

এরপর গত বছরের ডিসেম্বরে আলোচনায় যুক্ত এক মার্কিন কর্মকর্তা গার্ডিয়ানকে জানান, ডেলসি রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রকে বলেন, তিনি প্রস্তুত আছেন। তার ভাষায়, ‘ডেলসি বার্তা দিয়েছিলেন— মাদুরোর চলে যাওয়া দরকার’। আরেকজন বলেন, তিনি বলেছেন, ‘এরপর যা হবে, আমি সেটার সঙ্গে কাজ করব।’

সূত্রগুলো জানায়, প্রথমে ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও ভেনেজুয়েলার সরকারপক্ষের লোকজনের সঙ্গে কাজ করতে অনাগ্রহী ছিলেন। তবে, পরে তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেন, মাদুরোর বিদায়ের পর ভেনেজুয়েলার সম্ভাব্য অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে ডেলসি রদ্রিগেজই সবচেয়ে কার্যকর পথ।

আর তাই মাদুরোকে আটক করার আগে ডেলসি ও হোর্হে রদ্রিগেজ যে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলেন, সে তথ্য আগে প্রকাশ হয়নি। অক্টোবরে মায়ামি হেরাল্ড জানায়, কাতারের মধ্যস্থতায় হওয়া এক আলোচনায় ডেলসি রদ্রিগেজ প্রস্তাব দিয়েছিলেন— মাদুরো পদত্যাগ করলে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হবেন। তবে, সে আলোচনা ভেস্তে যায়।

আরও পড়ুন

ব্রিটিশ সংবাদসংস্থা রয়টার্স গত রোববার জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রক দিয়োসদাদো কাবেলোও প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে অপহরণের অভিযান শুরুর কয়েক মাস আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ছিলেন।

সব সূত্রই বলছে, ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সমঝোতায় একটি সূক্ষ্ম সীমারেখা ছিল। মাদুরো বিদায় নিলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করবেন— এ আশ্বাস দিলেও তাকে সরাতে সক্রিয়ভাবে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেননি।

অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পর ট্রাম্প নিজেই ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি ইঙ্গিতপূর্ণভাবে নিশ্চিত করেন। নিউইয়র্ক পোস্টকে তিনি বলেন, ডেলসি রদ্রিগেজ এই উদ্যোগে ‘সমর্থন দিয়েছেন’। তার ভাষায়, ‘আমরা তার সঙ্গে বহুবার কথা বলেছি। তিনি বোঝেন, সব বোঝেন।’

ডেলসি রদ্রিগেজের নিয়ন্ত্রণাধীন ভেনেজুয়েলার বর্তমান সরকার এ বিষয়ে দ্য গার্ডিয়ানের প্রশ্নের জবাব দেয়নি এখনও। হোয়াইট হাউসও এ সম্পর্কিত প্রশ্নে নীরব।

দ্য গার্ডিয়ান বলছে, এই গোপন আলোচনার পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন ও মাদুরো সরকারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনাও চলছিল। ট্রাম্পের অভিষেকের মাত্র ১০ দিন পর মার্কিন বন্দিদের বিষয়ে আলোচনা করতে মাদুরো তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী রিক গ্রেনেলের সঙ্গে দেখা করেন। পরে দ্রুতই কয়েকজন বন্দি মুক্তিও পায়।

আরও পড়ুন

সূত্র জানায়, ট্রাম্পের শীর্ষ সহকারীরা নিয়মিত ডেলসি ও হোর্হে রদ্রিগেজের সঙ্গে কথা বলতেন— বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত ভেনেজুয়েলানদের প্রতি দুই সপ্তাহে ফ্লাইট চালানো, এল সালভাদরে আটক ভেনেজুয়েলানদের অবস্থা এবং রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি নিয়ে সমন্বয়ের জন্য।

এদিকে কাতারের সঙ্গে ডেলসি রদ্রিগেজের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল। কাতারের শাসক পরিবারের সদস্যরা তাকে বন্ধু হিসেবে দেখতেন বলে সূত্র জানিয়েছে। কাতার সম্প্রতি ট্রাম্পকে ব্যবহারের জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলারের একটি বিলাসবহুল বিমান উপহার দেয়। কোনও বিদেশি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে দেওয়া নজিরবিহীন উপহার এটি। এই সৌহার্দ্য কাজে লাগিয়েই গোপন আলোচনায় ডেলসির জন্য আরও দরজা খুলে দেয় কাতার।

গত বছরের অক্টোবরে মায়ামি হেরাল্ড জানায়, ডেলসি প্রস্তাব দিয়েছিলেন যে মাদুরো নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার মাধ্যমে অবসর নিলে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু, সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায় এবং ডেলসি সংবাদটিকে তীব্র ভাষায় অস্বীকার করেন। তবে, অনেক মার্কিন কর্মকর্তা তখন বুঝতে শুরু করেন, ডেলসি আসলে কট্টর মতাদর্শিক নেত্রী নন। যারা তাকে কাছ থেকে চেনেন, তারা বলেন, ডেলসির কিছু ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য সহজেই মানুষকে কাছে টানে। তিনি শ্যাম্পেন পান করেন, ব্যক্তিগত টেবিল টেনিস কোচ রাখেন এবং বিদেশি কূটনীতিকদের খেলায় চ্যালেঞ্জ করতে পছন্দ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য ছিল, মাদুরোর বিদায়ের পর যেন দেশটি অস্থিতিশীলতা বা গৃহযুদ্ধের দিকে না যায়। এরপর শরতের শেষ দিকে মাদুরোর অজান্তে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন আলোচনায় বসেন ডেলসি ও তার ভাই। এরপর নভেম্বর মাসে মাদুরো ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং পরের সপ্তাহেই স্পষ্ট হয়— তিনি ক্ষমতা ছাড়বেন না।

অবশ্য ডেলসি রদ্রিগেজের জন্য বিষয়টি ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। একদিকে মাদুরোকে উৎখাতের প্রস্তাব দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে মাদুরোর সঙ্গে প্রকাশ্যে বিশ্বাসঘাতকতা করতেও রাজি হননি। মার্কিন এক কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি মাদুরোকে ভয় পেতেন’।

এরপর চলতি জানুয়ারি মাসের শুরুতে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টার কারাকাসে ঢোকে, তখন ডেলসি রদ্রিগেজকে কোথাও দেখা যায়নি। একপর্যায়ে গুজব ছড়ায়, তিনি মস্কোতে পালিয়ে গেছেন। তবে দুই সূত্র জানায়, তিনি তখন ভেনেজুয়েলার পর্যটন দ্বীপ মার্গারিটায় ছিলেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
জাতিসংঘের তীব্র সমালোচনা করে সংস্থাটিকে ‘অকার্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে।
জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
প্রকৃতির জাদুতে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমি’ হয়ে উঠল ছবির মত সুন্দর
বালির ধূধু প্রান্তর, চারদিকে শুধু শুষ্কতা আর প্রাণহীনতা—এটাই চিলির আতাকামা মরুভূমির পরিচিত চিত্র।
প্রকৃতির জাদুতে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমি’ হয়ে উঠল ছবির মত সুন্দর
চিলিতে বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ 
চিলির দক্ষিণাঞ্চলে একটি বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে (নার্সিং হোম) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ জন বয়স্ক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
চিলিতে বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ 
গুজব বিক্রি করে দুটি বাড়ি কিনেছেন বৃদ্ধা, করছেন রমরমা ব্যবসা  
পাড়াপড়শীর হাঁড়ির খবর রাখা অনেকেরই স্বভাব! তবে গুজব ছড়িয়ে আয় করা যায় এমন কথা কারো ভাবনায় আসার কথা নয়।
গুজব বিক্রি করে দুটি বাড়ি কিনেছেন বৃদ্ধা, করছেন রমরমা ব্যবসা  
বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১০
বলিভিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দেশটির লা পাজ বিভাগের ভিয়াচা শহরে অবস্থিত রেজিমিয়েন্তো ২ বলিভার সামরিক স্থাপনায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রিতা নেব্রাস্কা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জনের মধ্যে হতে পারে। বিস্ফোরণে অন্তত ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে পৃথক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য উভয়েই রয়েছেন। বলিভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এরনেস্তো জাস্তিনিয়ানো জানান, আহতদের মধ্যে ৫২ জন বেসামরিক এবং ছয়জন সামরিক সদস্য। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সামরিক স্থাপনাটির এমন একটি এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে যেখানে আতশবাজি বা বিস্ফোরকজাতীয় সামগ্রী সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। তবে ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণটি ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ এবং সেখানে বিস্ফোরক সামগ্রী কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের পর এর প্রচণ্ড শব্দ ও কম্পনে সামরিক স্থাপনার আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কাছাকাছি থাকা কয়েকটি বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং স্থাপনার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছান। প্রাথমিক স্থানীয় প্রতিবেদনে প্রথমে দুটি বিস্ফোরণের কথা বলা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়, দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী এবং এর ধাক্কায় সামরিক স্থাপনার আশপাশের কয়েকটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ঘটনাস্থল নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। ঘটনার পর সামরিক বাহিনী সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়। সম্ভাব্য আরও কোনো ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এদিকে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ ও হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাবে নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জন হতে পারে। ফলে উদ্ধার ও যাচাই কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর মৃতের সংখ্যা পরিবর্তিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিস্ফোরণের ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন বলিভিয়ার সামরিক স্থাপনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলাদা তদন্ত চলছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সান্তা ক্রুজ বিভাগের একটি সামরিক রেজিমেন্টের গুদাম থেকে ৩৩ হাজার ৬০৮টি ৫.৫৬×৪৫ মিমি গুলি নিখোঁজ হয়েছে। ওই ঘটনার তদন্তও চলছে। তবে ভিয়াচার বিস্ফোরণের সঙ্গে নিখোঁজ গোলাবারুদের ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে-এমন কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ দেয়নি। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আরটিভি/এসআর
বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১০
আরও পড়ুন
ষড়যন্ত্র ও অস্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে রাজপথে থাকবে যুবদল
রংপুরে ৪ খুন: গ্রেপ্তার দুই আসামির ডোপ টেস্টে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
যেভাবে হত্যা করা হয় শিক্ষক পরিবারের চারজনকে
রংপুরে শিক্ষকসহ ৪ হত্যা: ময়নাতদন্তে উঠে এল যে সব চাঞ্চল্যকর তথ্য