ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদুরোকে তুলে নিতে ট্রাম্পকে সাহায্য করা সেই ‘গাদ্দার’ আসলে কে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে তুলে নিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করে তারই এক ঘনিষ্ঠ সহচর। সেই সন্দেহের তীর এখন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাবেলোর দিকে। ফাইল ছবি

চলতি মাসের শুরুর দিকে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তার স্ত্রীসহ তুলে নিয়ে গিয়ে পুরো বিশ্ব রাজনীতিতে চাঞ্চল্য তৈরি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মধ্যে ভেনেজুয়ালের তেল সম্পদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে, দুর্গের মতো সুরক্ষিত বাসভবনে ঢুকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মাদুরোকে যেভাবে তুলে নিয়ে গেল মার্কিন বাহিনী, সেই ব্যাপারটি এখনও অবিশ্বাস্য অনেকের কাছেই।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার দুদিন বাদেই ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, মার্কিন বাহিনীর এই অভিযান এত সহজ হয়ে গিয়েছিল মূলত একজন বিশ্বাসঘাতকের কারণেই। মাদুরোর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ওই ব্যক্তি প্রতিনিয়ত ভেনেজুয়েলান প্রেসিডেন্টের তথ্য মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র কাছে পাঠাচ্ছিলেন। ফলে অভিযানের সময় মাদুরোর অবস্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে আগে থেকেই নিশ্চিত ছিল যুক্তরাষ্ট্র।

কিন্তু কে ছিল সেই ‘গাদ্দার’, সেটি জানানো হয়নি। ফলে, ভেনেজুয়েলার সেই ‘গাদ্দার’কে নিয়ে জল্পনা বাড়তেই থাকে। সেই জল্পনার আগুনে এবার ঘি ঢেলে দিয়েছে রয়টার্সই।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থাটি তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মাদুরোকে বন্দি করতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের কয়েক মাস আগে থেকেই দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলোর সঙ্গে আলোচনা করছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এমনকি এখনও এই যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ৬২ বছর বয়সী কাবেলোকে যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে জানিয়েছিল, তার অধীনে থাকা নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র সমর্থকদের ব্যবহার করে যেন বিরোধীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো না হয়।

কাবেলোর নিয়ন্ত্রণাধীন এই নিরাপত্তা কাঠামোর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। গত ৩ জানুয়ারির মার্কিন অভিযানের পরও বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই কার্যকর রয়েছে এসব বাহিনী।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে যে অভিযোগে তুলে নিয়েছে, সেই একই মাদক পাচার মামলায় নাম রয়েছে কাবেলোরও। তবে অভিযানের সময় তাকে বন্দি করেনি ট্রাম্প প্রশাসন।

রয়টার্স জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প প্রত্যাবর্তন করার পর থেকেই কাবেলোর সঙ্গে এই যোগাযোগ শুরু হয় এবং মাদুরোকে সরানোর ঠিক আগের সপ্তাহগুলোতেও তা চলে। এমনকি মাদুরোকে অপসারণের পরও কাবেলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যোগাযোগ রাখছে বলে চারটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এই যোগাযোগ এখন ভেনেজুয়েলার ভেতরের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা, কাবেলো যদি তার নিয়ন্ত্রণাধীন বাহিনীকে পুরোপুরি মাঠে নামান, তাহলে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে এবং অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ক্ষমতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

অবশ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও কাবেলোর আলোচনায় ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিতে মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলা কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু ডেলসি রদ্রিগেজ হলেও বিশ্লেষকদের মতে, সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বা ভেস্তে দেওয়ার ক্ষমতা রয়ে গেছে কাবেলোর হাতেই। একটি সূত্র জানায়, কাবেলো সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন।

হোয়াইট হাউজ ও ভেনেজুয়েলা সরকার অবশ্য এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

দীর্ঘদিন ধরেই ভেনেজুয়েলার দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত দিয়োসদাদো কাবেলো। সাবেক প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের ঘনিষ্ঠ সহচর কাবেলো পরে মাদুরোর বিশ্বস্ত সহযোগী ও দমননীতির প্রধান প্রয়োগকারী হিসেবে পরিচিতি পান।

তবে, রদ্রিগেজ ও কাবেলো দীর্ঘদিন সরকার, আইনসভা ও ক্ষমতাসীন দলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিল না বলে ধারণা করা হয়।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা কাবেলো সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থার ওপর ব্যাপক প্রভাব রাখেন। তার সঙ্গে সরকারপন্থি সশস্ত্র মিলিশিয়া ‘কোলেকতিভো’দেরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। এই বাহিনী অতীতে বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলায় জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া, কাবেলোর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে। ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরুদ্ধে এক কোটি ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করে এবং তাকে ‘কার্টেল দে লস সোলেস’ নামে পরিচিত একটি মাদক পাচার চক্রের শীর্ষ নেতা হিসেবে অভিযুক্ত করে। পরে এই পুরস্কারের অংক বাড়িয়ে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার করা হয়। যদিও কাবেলো সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

এ প্রেক্ষাপটে মাদুরোকে অপসারণের পর ওয়াশিংটনে প্রশ্ন ওঠে, তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা কাবেলোকে কেন বন্দি করা হয়নি। এ নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য মারিয়া এলভিরা সালাজার মন্তব্য করেন, ‘কাবেলো মাদুরোর চেয়েও বেশি ভয়ংকর হতে পারেন।’

এরপর কাবেলো যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘ভেনেজুয়েলা আত্মসমর্পণ করবে না।’ তবে সাম্প্রতিক দিনে নিরাপত্তা চেকপয়েন্টে তল্লাশির খবর কমে এসেছে। একইসঙ্গে ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, রাজনৈতিক বন্দিদের একটি অংশ মুক্তি পাবে।

ভেনেজুয়েলা সরকারের দাবি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কাবেলোই এই মুক্তি প্রক্রিয়া তদারক করছেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, মুক্তির গতি অত্যন্ত ধীর এবং এখনো শত শত মানুষ অন্যায়ভাবে বন্দি রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত ভেনেজুয়েলার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং তেলসমৃদ্ধ দেশটির সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ পেতে কাবেলোর মতো কয়েকজন মাদুরো-ঘনিষ্ঠ নেতার ওপর নির্ভর করছে। তবে, তার দমনমূলক অতীত এবং রদ্রিগেজের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইতিহাস এখনও ওয়াশিংটনের জন্য উদ্বেগের কারণ।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ডেলসি রদ্রিগেজ এরই মধ্যে নিজের ক্ষমতা সংহত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অনুগতদের বসাচ্ছেন এবং একইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চাপে তেল উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছেন।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ভেনেজুয়েলা বিষয়ে বিশেষ প্রতিনিধির দায়িত্ব পালনকারী এলিয়ট আব্রামস বলেন, গণতান্ত্রিক উত্তরণ ঘটাতে হলে একপর্যায়ে কাবেলোকে ক্ষমতা থেকে সরানো হবে—এমন প্রত্যাশা অনেক ভেনেজুয়েলাবাসীর রয়েছে। যেদিন কাবেলো বিদায় নেবেন, সেদিনই মানুষ বুঝবে যে প্রকৃত পরিবর্তন শুরু হয়েছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
জাতিসংঘের তীব্র সমালোচনা করে সংস্থাটিকে ‘অকার্যকর’ বলে মন্তব্য করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলে।
জাতিসংঘকে ‘অকার্যকর সংস্থা’ বললেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট
প্রকৃতির জাদুতে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমি’ হয়ে উঠল ছবির মত সুন্দর
বালির ধূধু প্রান্তর, চারদিকে শুধু শুষ্কতা আর প্রাণহীনতা—এটাই চিলির আতাকামা মরুভূমির পরিচিত চিত্র।
প্রকৃতির জাদুতে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শুকনো মরুভূমি’ হয়ে উঠল ছবির মত সুন্দর
চিলিতে বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ 
চিলির দক্ষিণাঞ্চলে একটি বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে (নার্সিং হোম) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৬ জন বয়স্ক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
চিলিতে বৃদ্ধাশ্রমে ভয়াবহ আগুন, নিহত ১৬ 
গুজব বিক্রি করে দুটি বাড়ি কিনেছেন বৃদ্ধা, করছেন রমরমা ব্যবসা  
পাড়াপড়শীর হাঁড়ির খবর রাখা অনেকেরই স্বভাব! তবে গুজব ছড়িয়ে আয় করা যায় এমন কথা কারো ভাবনায় আসার কথা নয়।
গুজব বিক্রি করে দুটি বাড়ি কিনেছেন বৃদ্ধা, করছেন রমরমা ব্যবসা  
বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১০
বলিভিয়ায় একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দেশটির লা পাজ বিভাগের ভিয়াচা শহরে অবস্থিত রেজিমিয়েন্তো ২ বলিভার সামরিক স্থাপনায় এ বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রিতা নেব্রাস্কা জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জনের মধ্যে হতে পারে। বিস্ফোরণে অন্তত ৫৮ জন আহত হয়েছেন বলে পৃথক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য উভয়েই রয়েছেন। বলিভিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এরনেস্তো জাস্তিনিয়ানো জানান, আহতদের মধ্যে ৫২ জন বেসামরিক এবং ছয়জন সামরিক সদস্য। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সামরিক স্থাপনাটির এমন একটি এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটে যেখানে আতশবাজি বা বিস্ফোরকজাতীয় সামগ্রী সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। তবে ঠিক কী কারণে বিস্ফোরণটি ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ এবং সেখানে বিস্ফোরক সামগ্রী কীভাবে সংরক্ষণ করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের পর এর প্রচণ্ড শব্দ ও কম্পনে সামরিক স্থাপনার আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় কাছাকাছি থাকা কয়েকটি বাড়ির জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং স্থাপনার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনাস্থলে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পৌঁছান। প্রাথমিক স্থানীয় প্রতিবেদনে প্রথমে দুটি বিস্ফোরণের কথা বলা হয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়, দ্বিতীয় বিস্ফোরণটি ছিল তুলনামূলকভাবে বেশি শক্তিশালী এবং এর ধাক্কায় সামরিক স্থাপনার আশপাশের কয়েকটি বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে ঘটনাস্থল নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। ঘটনার পর সামরিক বাহিনী সাধারণ মানুষকে ঘটনাস্থল থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়। সম্ভাব্য আরও কোনো ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা যাচাই করতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এদিকে বিস্ফোরণের সঠিক কারণ ও হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দেওয়া হিসাবে নিহতের সংখ্যা ১০ থেকে ১৫ জন হতে পারে। ফলে উদ্ধার ও যাচাই কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর মৃতের সংখ্যা পরিবর্তিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিস্ফোরণের ঘটনা এমন সময়ে ঘটল, যখন বলিভিয়ার সামরিক স্থাপনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবস্থাপনা নিয়েও আলাদা তদন্ত চলছে। চলতি সপ্তাহে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সান্তা ক্রুজ বিভাগের একটি সামরিক রেজিমেন্টের গুদাম থেকে ৩৩ হাজার ৬০৮টি ৫.৫৬×৪৫ মিমি গুলি নিখোঁজ হয়েছে। ওই ঘটনার তদন্তও চলছে। তবে ভিয়াচার বিস্ফোরণের সঙ্গে নিখোঁজ গোলাবারুদের ঘটনার কোনো যোগসূত্র রয়েছে-এমন কোনো তথ্য এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ দেয়নি। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আরটিভি/এসআর
বলিভিয়ায় সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১০
আরও পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিং, ট্রাম্পের নজিরবিহীন আয়োজন
গাজা নিয়ে ট্রাম্পকে তুলোধুনো ম্যাক্রোঁর 
মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে ডা. জুবাইদা রহমানের সাক্ষাৎ
ট্রাম্পের সঙ্গে খলিলুর রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়