ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

ইনকাম ট্যাক্স নিয়ে ৭টি সাধারণ ভুল ও সঠিক তথ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ইনকাম ট্যাক্স শোনলেই অনেকের মনে ভয়ে দৌড় উঠে। তবে সঠিক তথ্য জানা না থাকায় করদাতারা অনেক সময় ভুল করে বসেন, যা ভবিষ্যতে ঝামেলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। শুধু জরিমানাই নয়, কখনো কখনো লোন নেওয়া, ভিসা পাওয়াসহ ব্যবসায় বাধা তৈরি হয়।

তাই আজ আমরা আপনাদের জানাচ্ছি ইনকাম ট্যাক্স সংক্রান্ত ৭টি সাধারণ ভুল এবং সেগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা:

১. আয় কম হলে ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দিতে হয় না ভুল ধারণা

বাংলাদেশে করযোগ্য আয় না থাকলেও আয়কর রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক হতে পারে। বিশেষ করে টিআইএনধারী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ীদের জন্য আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকলেও রিটার্ন জমা দিতে হতে পারে।

২. টিআইএন নেওয়ার পর আর কিছু করার নেই ভুল ভাবনা

টিআইএন নেয়া মানেই কাজ শেষ নয়। টিআইএন নেওয়ার পর নিয়মিত নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে হবে। সময়মতো রিটার্ন না দিলে আইনত সমস্যা হতে পারে।

৩. শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমা দেওয়ার চেষ্টা

রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময়ের আগেই হুড়োহুড়ি করে ভুল তথ্য বা অসম্পূর্ণ কাগজপত্র জমা দিলে পরে নোটিশ পেতে পারেন।

৪. সব ধরনের আয় দেখাতে হবে না ভুল মানসিকতা

শুধু বেতন নয়, ভাড়া, ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন আয়, ইউটিউব বা ফেসবুক থেকে আয়সহ সব বৈধ আয় দেখানো বাধ্যতামূলক।

৫. কর বাঁচাতে আয় লুকানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ

আয় গোপন করলে আইন অনুযায়ী জরিমানা ও আইনি জটিলতা হতে পারে। কর ছাড়ের জন্য সরকারি সুযোগ রয়েছে, লুকোছোপের প্রয়োজন নেই।

৬. বিনিয়োগের মাধ্যমে কর ছাড়ের সুযোগ অজানা থাকা

সঞ্চয়পত্র, জীবনবিমা, ডিপিএস ও নির্দিষ্ট বিনিয়োগ খাতে কর ছাড় পাওয়া যায়, যা অনেকেই জানেন না। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় কর দেন।

৭. কর অফিসে গেলে সমস্যা হবে ভয় পাওয়ার কিছু নেই

কর অফিসে যাওয়া মানেই সমস্যা নয়। এখন অনলাইনে রিটার্ন দেওয়া যায়, সাহায্য কেন্দ্র ও কর মেলা রয়েছে। সঠিক তথ্য দিলে ভয়ের কিছু থাকে না।

ইনকাম ট্যাক্স শাস্তি নয়, এটি নাগরিক দায়িত্ব। নিয়ম মেনে, সময়মতো রিটার্ন দিলে করদাতাদের জন্য সব কিছু সহজ হয়। ভুলগুলো এখনই সংশোধন করলে ভবিষ্যতে বড় ঝামেলা এড়ানো সম্ভব।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে বিনিয়োগের জন্য জাপানকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বাংলাদেশের ৫ খাতে জাপানি বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী
মিসিসিপিতে ৩২ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের দাবি ট্রাম্পের, বাড়বে কর্মসংস্থান
বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিল জাপান