ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গরমে পান্তা ভাত কেন খাবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

বাংলা নববর্ষ এলেই বাঙালির খাবারের তালিকায় প্রথমেই জায়গা করে নেয় পান্তা ভাত। পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা আর ইলিশের স্বাদে উৎসবের আমেজ। অনেকের কাছে এটি শুধু একটি ঐতিহ্যবাহী খাবার হলেও গরমের দিনে এর রয়েছে দারুণ উপকারিতা। পুষ্টিবিদদের মতে, পান্তা ভাত শুধু রসনাতৃপ্তিই নয়, শরীরকেও দেয় স্বস্তি ও শক্তি।

গ্রামবাংলায় বহুদিন ধরেই কৃষকদের সকালের প্রধান খাবার পান্তা ভাত। মাঠে সারাদিন কঠোর পরিশ্রম করার শক্তি জোগাতে এই খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাধারণত আগের দিনের ভাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সরিষার তেল, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, লবণ ও মাছ ভাজা দিয়ে খাওয়া হয়।

বাংলাদেশে পান্তা ভাত বিশেষ জনপ্রিয় হলেও বিশ্বের আরও কয়েকটি অঞ্চলেও এ খাবারের প্রচলন রয়েছে। বিশেষ করে ভিয়েতনাম, উড়িষ্যা ও তামিলনাডুর কিছু এলাকায় সকালের খাবার হিসেবে পান্তা খাওয়ার অভ্যাস এখনো রয়েছে।

পুষ্টিবিদদের মতে, অনেকেই মনে করেন পান্তা ভাত খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু বাস্তবে ধারণাটি সঠিক নয়। বরং গরমের দিনে এই খাবার শরীরকে সুস্থ রাখতে নানা উপকার করে।

আরও পড়ুন

পান্তা ভাতে আয়রনের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। যা রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে প্রচুর উপকারী জীবাণু তৈরি হয়, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পান্তা ভাতে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালশিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানও বেশি থাকে।

গরমের দিনে পান্তা ভাত শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। সাধারণ ভাতের তুলনায় এতে চর্বির পরিমাণও কম থাকে। ফলে শরীর হালকা থাকে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত পান্তা ভাত খেলে পেটের নানা সমস্যা ও ঘা কমতে পারে। পাশাপাশি শরীরে শক্তি জোগায় এবং সারাদিন কর্মক্ষম থাকতে সাহায্য করে।

এছাড়া পান্তা ভাত ঘুমের সমস্যাও কমাতে সহায়ক বলে মনে করা হয়। এমনকি ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতেও এটি ভূমিকা রাখে।

তাই গরমের দিনে শুধু ঐতিহ্যের জন্য নয়, শরীরের যত্নেও সকালে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, লবণ ও সরিষার তেল দিয়ে পান্তা ভাত খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
পান্তা খেলে কারা বিপদে পড়তে পারেন
গরমে পান্তা ভাত খাওয়ার ১০ উপকারিতা
পহেলা বৈশাখে ঝলমলে ত্বক পেতে কী করবেন?
বৈশাখ ফ্যাশনে নতুন চমক! শাড়ি-পাঞ্জাবিতে বদলের হাওয়া