ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

১২৫ বছরেও কেন একই রয়ে গেছে ব্লেডের ডিজাইন

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

দৈনন্দিন জীবনের ছোট কিন্তু অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি জিনিস হলো ব্লেড। চুল কাটা, দাড়ি কামানো থেকে শুরু করে নখ কাটার মতো নানা কাজে এর ব্যবহার রয়েছে। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, শত বছরেরও বেশি সময় বা ১২৫ বছর পার হলেও এই ব্লেডের মূল ডিজাইন আজও প্রায় একই রয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক ব্লেডের যাত্রা শুরু হয় ১৯০১ সালে। সেই সময় কিং ক্যাম্প জিলেট ও তার সহকর্মী উইলিয়াম নিক্সারসন প্রথম নিরাপদ ও ধারালো শেভিং ব্লেডের নকশা তৈরি করেন। শুরুতে তারা নিজেরাই এটি ব্যবহার করতেন, পরে বাজারে নিয়ে আসেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্যিকভাবে ব্লেডের বিক্রি শুরু হয়।

শুরুর দিকে উৎপাদন ছিল খুবই সীমিত। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই অল্প সংখ্যক ব্লেড তৈরি হলেও ধীরে ধীরে এর চাহিদা বাড়তে থাকে এবং এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ব্লেডের সঙ্গে রেজারের হাতল যুক্ত করতে বিশেষ ধরনের ফাঁকা নকশা রাখা হয়, যা ব্যবহারকারীদের কাছে খুব দ্রুত গ্রহণযোগ্যতা পায়।

আরও পড়ুন

সেই সময়ের তৈরি নকশাই এতটাই কার্যকর ছিল যে পরবর্তীতে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়নি। তাই আজও বিশ্বের প্রায় সব কোম্পানি একই ধরনের ব্লেড ডিজাইন অনুসরণ করে।

যদিও বর্তমানে ইলেকট্রিক শেভিং মেশিনসহ নানা আধুনিক বিকল্প এসেছে, তবুও অনেকেই এখনো পুরোনো স্টেইনলেস স্টিল ব্লেড ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। সহজলভ্যতা ও কম খরচের কারণে আজও পাড়ার দোকানগুলোতে শত বছরের পুরোনো নকশার ব্লেড পাওয়া যায়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
বর্তমান সময়ে আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। ফোন ছাড়া একটি দিন কাটানোও এখন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফোন ছাড়া কিছু সময় থাকলেই কী যেন নেই, কী যেন নেই মনে হতে থাকে। অভ্যাসবশত অনেকে টয়লেটেও ফোন নিয়ে যান।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টয়লেটে ফোন নিয়ে যাওয়া বা টয়লেটে গিয়ে ফোন ব্যবহার করা মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস নয়। এই অভ্যাস আপনার অজান্তেই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক বিপদ। বিশেষ করে টয়লেটের কমোডে বসে মোবাইল ব্যবহার করা একদমই ঠিক নয়। এছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও বিষয়টি নিন্দনীয় ও অপছন্দনীয়। ওয়াশরুমে বসে মোবাইলে, অন্য কোনো মাধ্যমে বা সরাসরি কথাবার্তা বলা ইসলামী শিষ্টাচারের পরিপন্থী এবং মাকরূহ বা অপছন্দনীয় কাজ। ওয়াশরুম হলো অপবিত্রতা ত্যাগের স্থান, এখানে কথা বলা অনুচিত। তবে ওয়াশরুমে বসে থাকা অবস্থায় যদি বিশেষ কোনো প্রয়োজন দেখা দেয়, যেমন, ওয়াশরুমের পানি শেষ হয়ে গেল বা টিস্যু নেই এমন অবস্থায় সাহায্য নেওয়ার জন্য কাউকে ডেকে বলা যাবে। মূলত ওয়াশরুমে কথা বলা হারাম নয়, তবে বিষয়টিকে মাকরূহ বলা হয় এবং এ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ওয়াশরুমে কথা বলার সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন আল্লাহ তায়ালার কোনো জাতি (সত্তা) বা সিফাতি (গুণবাচক) নাম, জিকিরের কোনো কালিমা কিংবা দোয়া, কোরআন, হাদিস বা এমন কোনো কাগজ যাতে আল্লাহর নাম, নবী বা ফেরেশতাদের নামের শব্দ উচ্চারণ করা যাবে না। আরটিভি/এসআর
ওয়াশরুমে বসে ফোনে কথা বলা যাবে?
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
হাড়ের গঠন ও শক্তি বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি ও পর্যাপ্ত প্রোটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব পুষ্টির ঘাটতি হলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বাড়তে পারে অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ঝুঁকি।
হাড় মজবুত রাখতে জরুরি তিন পুষ্টি, খাদ্যতালিকায় রাখবেন যেসব খাবার
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
সারাদিন মুঠোফোনের বার্তা, কাজের চাপ, বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তা আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখতে দেখতে ক্লান্ত? তাহলে আজ একটু বিরতি নিতেই পারেন।
আজ নিজের সঙ্গে আড্ডার দিন
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন? নাশতায় মাখানা নাকি পপকর্ন কোনটি বেছে নেবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন অনেকেই। দুটিই হতে পারে স্বাস্থ্যকর নাশতার বিকল্প।
ওজন কমাতে মাখানা নাকি পপকর্ন, কোনটি বেশি উপকারী
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
স্মৃতিশক্তি ধরে রাখা ও আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করেন। তবে নতুন এক ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, সাপ্লিমেন্ট গ্রহণে রক্ত ও মস্তিষ্কের তরলে ওমেগা-৩-এর মাত্রা বাড়লেও স্মৃতিশক্তি, চিন্তাশক্তি কিংবা মস্তিষ্কের স্মৃতিসংশ্লিষ্ট অংশের আকারে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট কি আসলেই কাজে আসে
আরও পড়ুন
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
৩৫ বছর ধরে হাজারো মানুষের মুখে হাসি ফোটান আবেদ তেলি
টিফিনের রুটিতে ব্লেড: তদন্তে যা পাওয়া গেল
এবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রুটিতে মিলল ব্লেড