ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝাল কি শরীরের বন্ধু নাকি শত্রু? 

লাইফস্টাইল ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফুচকা, চটপটি বা মুড়ি বাঙালির খাবারে ঝালের উপস্থিতি যেন অবিচ্ছেদ্য অংশ। ঝাল না হলে অনেকের কাছেই খাবারের স্বাদই যেন অসম্পূর্ণ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই ঝাল শরীরের জন্য আসলে ভালো, নাকি ক্ষতিকর?

গবেষকরা বলছেন, সঠিক পরিমাণে ঝাল খাবার শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন নামের উপাদান হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে। যা পাকস্থলীতে হজমরসের নিঃসরণ বাড়ায়। ফলে খাবার দ্রুত হজম হয়।

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ঝাল খাবার খাওয়ার সঙ্গে কিছু গুরুতর রোগের ঝুঁকি কমার সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে হৃদরোগ, ক্যানসার এবং শ্বাসযন্ত্রের জটিলতায় মৃত্যুঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে। সপ্তাহে কয়েকদিন ঝাল খাবার গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে মৃত্যুঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকার কথাও উঠে এসেছে গবেষণায়।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে

ঝাল খাবারের ক্যাপসাইসিন রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধেও ভূমিকা রাখে। যা হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

আরও পড়ুন

ক্যানসারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা

প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, ক্যাপসাইসিন কিছু ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ধীর করতে পারে এবং কোষ ধ্বংসেও সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যানসারের ক্ষেত্রে এ নিয়ে গবেষণা চলছে।

ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

ঝাল খাবার বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা কিছুটা কমাতে পারে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

প্রদাহ ও ব্যথা কমায়

ক্যাপসাইসিন শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে সুরক্ষা দিতে পারে। এটি শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথা উপশমকারী উপাদান এন্ডোরফিন নিঃসরণে সহায়তা করে। যা ব্যথা কমানোর পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও দিতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঝাল যতই উপকারী হোক না কেন অতিরিক্ত গ্রহণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই পরিমাণমতো ঝাল খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর উপায়।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
প্রেমে বিচ্ছেদ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনে পুরুষরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন প্রচলিত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করেছে সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা। দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়েও বেশি মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন। যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।  প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন। তবে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে। গবেষকরা দেখেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়েড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানান, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।  সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/এসআর  
বিচ্ছেদে কে বেশি কষ্ট পান, পুরুষ নাকি নারী? যা বলছে গবেষণা
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্যের মতোই। তবে আদরের এই প্রাণীটি নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে প্রস্রাব করলে বিপাকে পড়তে হয়।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধে ঘরে অতিষ্ঠ? দূর করুন সহজেই
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে যদি দেখা যায় রাস্তায় নেই কোনো ব্যক্তিগত গাড়ি, নেই তীব্র যানজট।
আজ ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার না করার দিন
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
বাংলাদেশে শিশুদের বার্ড ফ্লুতে (এইচ৫এন১) আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হলো গৃহপালিত বা উঠানের পোলট্রি (হাঁস-মুরগি) পাখির সংস্পর্শে আসা।
কেন বাংলাদেশে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ঘটে ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে। এই ভাইরাসের বাহক এডিস নামক স্ত্রী মশার কামড়েই ডেঙ্গু হয়।
যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন ডেঙ্গু রোগীর অবস্থা ক্রিটিক্যাল কি না
আরও পড়ুন
সাতদিন ধরে বিদ্যুৎহীন রাজাপুর মডেল মসজিদ, বন্ধ অযুর পানিও
অটোরিকশা চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কিশোরের মৃত্যু
ভিডিও কলে স্বামীকে রেখে গলায় ফাঁস নিলেন গৃহবধূ
বিষখালী নদীতে ভেসে উঠল মৃত ডলফিন